📌 জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) দুর্নীতি দমন কমিশনের সাম্প্রতিক নিয়োগকে অস্বচ্ছ ও দলীয় স্বার্থপ্রসূত অভিযোগ করে তা অবিলম্বে বাতিলের দাবি জানিয়েছে। সংবিধানের ৯৯ অনুচ্ছেদ লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে তারা দুদককে বিরোধী দল দমনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ করেছেন
ঢাকা, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬: জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) করা নিয়োগকে অস্বচ্ছ ও দলীয় স্বার্থে পরিচালিত অভিযোগ করে তা অবিলম্বে বাতিলের দাবি জানিয়েছে। দলটির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আখতার হোসেন এক যৌথ বিবৃতিতে এই অভিযোগ তুলে ধরেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দুদকের সাম্প্রতিক নিয়োগকে অস্বচ্ছ ও দলীয় স্বার্থে পরিচালিত দাবি করেছে এনসিপি
- 📌 সংবিধানের ৯৯ অনুচ্ছেদ লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে নিয়োগের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞরা
- 📌 এনসিপির নেতারা অভিযোগ করেন, দুদককে বিরোধী দল দমনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে
- 📌 আসিফ মাহমুদসহ বিরোধী নেতাদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন তারা
- 📌 এনসিপি দাবি করেছেন, দুদকের নিয়োগ অবিলম্বে বাতিল করে স্বাধীন ও স্বচ্ছ কমিশন গঠনের
📰 বিস্তারিত
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সাম্প্রতিক নিয়োগকে অস্বচ্ছ ও দলীয় স্বার্থে পরিচালিত অভিযোগ করে তা অবিলম্বে বাতিলের দাবি জানিয়েছে। দলটির নেতারা বিবৃতিতে উল্লেখ করেন যে, গত সাত মাস ধরে কমিশনারবিহীন থাকা দুদকের নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক ও অগ্রহণযোগ্য। তারা বলেন, আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতিকে চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া সংবিধানের ৯৯ অনুচ্ছেদের সরাসরি লঙ্ঘন।
এনসিপির নেতারা আরও অভিযোগ করেন যে, অন্তর্বর্তী সরকার প্রণীত দুদক অধ্যাদেশ বাতিল করে সংস্থাটিকে আবারও সরকারি দলের নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হয়েছে। তারা বলেন, এই পদক্ষেপ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মূল চেতনা ও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির নীতির সম্পূর্ণ বিরোধী। বিবৃতিতে তারা উল্লেখ করেন যে, ক্ষমতাসীন দলের বিভিন্ন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ উঠলেও দুদক সম্পূর্ণ নীরব ভূমিকা পালন করছে।
এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদসহ বিরোধী নেতাদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করে বিবৃতিতে বলা হয়, প্রাথমিক তদন্তে দুর্নীতির সত্যতা পাওয়া গেছে বলে গণমাধ্যমে দাবি করা হলেও পরবর্তীতে তা সংশোধনের অনুরোধ জানানো হয়েছে। নেতারা বলেন, এই ধরনের অসংবিধানিক ও দলীয় স্বার্থে পরিচালিত নিয়োগের ফলে দুদকের কোনো নৈতিক ও আইনি বৈধতা থাকতে পারে না।
"দুদককে বিরোধী দল দমনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের পুরোনো অপকৌশল শুরু হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের নেতাদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এই অসংবিধানিক নিয়োগ অবিলম্বে বাতিল করে স্বাধীন ও স্বচ্ছ দুদক গঠন করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. নাহিদ ইসলাম, আখতার হোসেন, আসিফ মাহমুদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯৯ (সংবিধানের অনুচ্ছেদ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!