📌 এনসিপি নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য আগামী শনিবার ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চ শুরু করবে। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচারসহ ছয় দফা দাবিতে পরিচালিত এই কর্মসূচিতে সরকারি হামলার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান জানিয়েছেন নেতারা
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য আগামী শনিবার ঢাকার মতিঝিলের শাপলা চত্বর থেকে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দান পর্যন্ত লংমার্চের আয়োজন করেছে। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী নেতারা সরকার ও প্রশাসনের কাছে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর বাংলামোটরে দলটির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 লংমার্চ কর্মসূচি পরিচালিত হবে ছয় দফা দাবিতে: গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, জ্বালানি ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও প্রশাসনের দলীয়করণ বন্ধ
- 📌 কর্মসূচির সূচনা: শনিবার সকাল ৭টায় শাপলা চত্বর থেকে, উদ্বোধনী বক্তব্য সকাল ৮টা পর্যন্ত
- 📌 যাত্রাপথ ও সমাবেশের স্থানসমূহ: সকাল ৯টায় নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ, দুপুর ১২টায় কুমিল্লার নূরজাহান হোটেল এলাকা, বিকেল ৩টায় ফেনীর মহিপাল, বিকেল ৫টায় চট্টগ্রামের মিরসরাই ও রাত ৯টায় লালদীঘি ময়দানে সমাবেশ
- 📌 পরবর্তী পরিকল্পনা: রংপুর, সিলেট ও খুলনায় ধারাবাহিক লংমার্চ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে
- 📌 নেতাদের হুঁশিয়ারি: কোনো হামলা লংমার্চ থামাতে পারবে না বলে জানান এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন
- 📌 গাড়ির সংখ্যা হ্রাস: প্রাথমিক পরিকল্পনা ছিল পাঁচ থেকে ছয় হাজার গাড়ি, পরে জ্বালানি সংকট বিবেচনায় নিয়ে প্রায় এক হাজারে নামানো হয়েছে
📰 বিস্তারিত
এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেন, সরকার জনগণের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। জনভোগান্তি নিরসন ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নে এই লংমার্চ কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আন্দোলন-সংগ্রাম করেই এসেছি। যদি কোনোভাবে হামলা করার চেষ্টা করা হয়, এই লংমার্চকে কোনোভাবেই থামানো যাবে না।’
এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জানান, লংমার্চে অংশগ্রহণকারী গাড়ির সংখ্যা প্রাথমিকভাবে পাঁচ থেকে ছয় হাজার নির্ধারণ করা হলেও জ্বালানি সংকট ও সাধারণ মানুষের ভোগান্তির কথা বিবেচনায় নিয়ে তা প্রায় এক হাজারে নামানো হয়েছে। তিনি বলেন, ‘লংমার্চ সফল করতে ইতিমধ্যে পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। পুলিশের পরামর্শ মেনেই কর্মসূচিতে সংযোজন-বিয়োজন করা হয়েছে।’
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সাধারণ মানুষের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনাদের কথা শুনতেই আমরা আসছি। আপনারা রাস্তার কাছে চলে আসবেন। আমরা আলোচনা করব–কীভাবে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘সরকারের কেউ কেউ বলেছেন, এই লংমার্চে নাকি এক লাখ লিটার তেল খরচ হবে। না, আমাদের হবে না। কারণ, আমাদের এখানে লাল বাসের বহর থাকবে না।’
‘আমরা আন্দোলন-সংগ্রাম করেই এসেছি। যদি কোনোভাবে হামলা করার চেষ্টা করা হয়, এই লংমার্চকে কোনোভাবেই থামানো যাবে না। যতই বাধা আসুক, যতই বিঘ্ন সৃষ্টি করা হোক, লং মার্চ ঠেকাতে তারা যত প্রস্তুতিই গ্রহণ করুক না কেন—কোনো বাধা-বিঘ্নই আমাদের লং মার্চের কর্মসূচিকে বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মতিঝিল শাপলা চত্বর, ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম লালদীঘি ময়দান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আখতার হোসেন (এনসিপি সদস্যসচিব), নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী (এনসিপি মুখ্য সমন্বয়ক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ দফা দাবি, ১১ দলীয় ঐক্য, প্রায় ১ হাজার গাড়ি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!