📅 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:১৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সংসদে ফিরলেন মির্জা আব্বাস: মানুষের কল্যাণে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করলেন

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: তারেক রহমান তারেক রহমান
সংসদে ফিরলেন মির্জা আব্বাস: মানুষের কল্যাণে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করলেন

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দীর্ঘ চিকিৎসার পর সাড়ে পাঁচ মাস পর সংসদে ফিরেছেন বিএনপির নেতা মির্জা আব্বাস। তিনি বলেন, মানুষের জন্য এবং বাংলাদেশের কল্যাণে কাজ করতে তিনি ফিরে এসেছেন

দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ মাস বিদেশে চিকিৎসাধীন থাকার পর বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রথমবারের মতো সংসদ অধিবেশনে যোগ দেন বিএনপির রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস। তিনি বলেন, ‘আমি ফিরে এসেছি মানুষের কাছে, মানুষের জন্যে এবং বাংলাদেশের জন্যে কাজ করার জন্যে।’

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিএনপির রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস সাড়ে পাঁচ মাস পর সংসদ অধিবেশনে যোগ দেন
  • 📌 ঢাকা-৮ আসন থেকে নির্বাচিত হন তিনি, ভোট পান ৫৯ হাজার ৩৬৬টি
  • 📌 নির্বাচনী এলাকায় নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ৫ হাজার ২৩৯ ভোট বেশি পান
  • 📌 চিকিৎসা শেষ না হওয়া সত্ত্বেও জনগণের ভালোবাসার কারণে সংসদে ফিরেছেন বলে জানান
  • 📌 ২০০৬ সালের পর প্রথমবারের মতো সংসদ অধিবেশনে বক্তব্য রাখেন তিনি

📰 বিস্তারিত

বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটে হুইলচেয়ারে করে সংসদ কক্ষে প্রবেশ করেন মির্জা আব্বাস। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ তাঁকে স্বাগত জানালে সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়ে অভিবাদন জানান। তবে হুইলচেয়ারে থাকায় প্রথম সারিতে বসতে পারেননি তিনি। তাঁর হুইলচেয়ার পাশের ফাঁকা জায়গায় রাখা হয়।

আছরের বিরতির পর বেসরকারি সদস্যদের সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নেন মির্জা আব্বাস। তিনি সামনের সারিতে থাকা বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমানউল্লাহ আমানের মাইকে বক্তব্য দেন। শুরুতে রাজনৈতিক সহকর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনারা হয়তো জানেন, আমি প্রায় সাড়ে পাঁচ মাস বিদেশে চিকিৎসাধীন আছি।’

চিকিৎসা এখনো চলছে জানিয়ে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘ছিলাম বললে ভুল হবে, এখনো আছি। আমি রিহ্যাবে আছি। শুধুমাত্র আপনাদের ভালোবাসা, এই কারণে আমাকে আসতে হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘মাননীয় স্পিকার, আজকের এই দিনটি আমার রাজনৈতিক জীবনের অত্যন্ত আবেগঘন এবং চিরস্মরণীয় একটি দিন।’

‘২০০৬ সালের পর দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পেরিয়ে আজ আবার মহান জাতীয় সংসদের এই পবিত্র কক্ষে কথা বলার সুযোগ পেয়েছি একজন সংসদ সদস্য হিসেবে। এর চেয়ে আনন্দের ও গর্বের মুহূর্ত আর কি হতে পারে?’

গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মির্জা আব্বাস ৫৯ হাজার ৩৬৬ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির মুহাম্মাদ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পান ৫৪ হাজার ১২৭ ভোট। ব্যবধান ছিল ৫ হাজার ২৩৯ ভোট। নির্বাচনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁকে মন্ত্রী পদমর্যাদায় উপদেষ্টা নিয়োগ দেন।

তবে সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরুর আগেই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন মির্জা আব্বাস। ১১ মার্চ ইফতারের সময় জ্ঞান হারালে তাঁকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। ১৩ মার্চ তাঁর মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। এরপর ১৫ মার্চ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাঁকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয় ১২ মার্চ। অসুস্থতার কারণে আগের অধিবেশনগুলোতে যোগ দিতে পারেননি তিনি। ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনেও ভোট দিতে পারেননি মির্জা আব্বাস। অসুস্থতার সময় রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে নিয়মিত খোঁজ নেওয়া হয় বলে কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সিঙ্গাপুরে তাঁকে দেখতে গিয়েছিলেন জানিয়ে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘মাননীয় স্পিকার, আপনি নিজে সিঙ্গাপুরে গিয়ে আমাকে দেখে এসেছেন। যদিও আমি আপনাকে দেখিনি, আমি তখন অজ্ঞানে ছিলাম।’

নির্বাচনী এলাকার মানুষের জন্য কাজ করার ইচ্ছার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আল্লাহর কাছে দোয়া করি, তিনি যেন আমাকে সুস্থতা ও শক্তি দান করেন যাতে আমার নির্বাচনী এলাকার মানুষের জন্য এবং বাংলাদেশের মানুষের জন্য অবশিষ্ট সময়টুকু আরও নিষ্ঠা ও সততার সাথে রাজনীতি ও জনসেবার কাজ করতে পারি।’

সিঙ্গাপুরে চিকিৎসার পর ১৪ এপ্রিল তাঁকে মালয়েশিয়ার প্রিন্স কোর্ট মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ফিজিওথেরাপি ও পুনর্বাসন চিকিৎসা চলছিল। চিকিৎসকদের পরামর্শে বুধবার রাতে তিনি দেশে ফেরেন। দেশে ফেরার পরদিনই সংসদ অধিবেশনে যোগ দেন তিনি।

এর আগে মির্জা আব্বাস ঢাকা-৬ আসন থেকে ১৯৯১ ও ২০০১ সালের নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি সরকারের গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মির্জা আব্বাস
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৯ হাজার ৩৬৬ ভোট

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖