📌 রংপুরে গণপতি চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবারের চার সদস্যের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সংগৃহীত ৩৫টি আলামত ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। গুরুত্ব অনুযায়ী তিন ধাপে আলামতগুলো বিশ্লেষণ করা হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ কর্মকর্তারা
রংপুর মহানগরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবারের চার সদস্যের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সংগৃহীত ৩৫টি আলামত ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। আলামতগুলোর মধ্যে রয়েছে ফল কাটার চাকু, সিগারেটের অংশ, খেজুর, শসা এবং প্রিয়মের লেখা একটি খাতা। গুরুত্ব অনুযায়ী তিন ধাপে আলামতগুলো সিআইডির ঢাকার ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার মাহবুবুর রশীদ ও গোয়েন্দা পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থল থেকে সংগৃহীত হয়েছে ৩৫টি আলামত
- 📌 আলামতের মধ্যে রয়েছে ফল কাটার চাকু, সিগারেটের অংশ, খেজুর, শসা ও প্রিয়মের খাতা
- 📌 আলামতগুলো গুরুত্ব অনুযায়ী তিন ধাপে ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানো হয়েছে
- 📌 হত্যাকাণ্ডের ১৩ দিন পর আলামতগুলো বিশ্লেষণের জন্য পাঠানো হয়েছে
- 📌 আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডোপ টেস্টে মাদকের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি
📰 বিস্তারিত
রংপুর মহানগরের মাছুয়াপাড়া এলাকায় গত ২১ আগস্ট নিজ বাড়িতে খুন হন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী পার্থী (২৪) ও ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী প্রিয়ম (১২)। হত্যাকাণ্ডের পরদিন ২২ আগস্ট তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনায় প্রতিবেশী সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থল থেকে সংগৃহীত আলামতগুলোর মধ্যে ফল কাটার চাকু, সিগারেটের অংশ, খেজুর, শসা এবং প্রিয়মের লেখা একটি খাতা রয়েছে। আলামতগুলো গুরুত্ব অনুযায়ী তিন ধাপে সিআইডির ঢাকার ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। সনাতন চক্রবর্তী বলেন, ‘সব আলামত একবারে পাঠানো হয়নি। গুরুত্ব অনুসারে পাঠানো হয়েছে। কিছু জিনিসের গুরুত্ব বেশি, কিছু জিনিসের কম।’
এর আগে হত্যাকাণ্ডের ৮ দিন পর আসামিদের ডোপ টেস্ট করানো হলে তাদের নমুনায় মাদকের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। এ নিয়ে নানা আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
‘প্রয়োজনীয় সব আলামত আমরা পাঠিয়ে দিয়েছি। সেগুলা সিআইডি তদন্তকারী কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে এবং এটা নিয়ে তারা কাজ শুরু করছে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রংপুর মহানগর, মাছুয়াপাড়া এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাহবুবুর রশীদ (রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার), সনাতন চক্রবর্তী (গোয়েন্দা পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৫টি আলামত, হত্যাকাণ্ডের ১৩ দিন পর আলামত পাঠানো
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!