📌 খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম জানিয়েছেন, দেশে খাদ্যশস্যের কোনো ঘাটতি নেই। সরকারি গুদামে নির্ধারিত নিরাপত্তা মজুতের চেয়ে বেশি পরিমাণে খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে বলে সংসদে জানান তিনি
জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্য মো. মশিউর রহমান খানের লিখিত প্রশ্নের জবাবে খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম জানান, দেশে বর্তমানে খাদ্যশস্যের কোনো ঘাটতি নেই। সরকারি খাদ্য গুদামগুলোতে নির্ধারিত নিরাপত্তা মজুতের তুলনায় বেশি পরিমাণে খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম জানান, সরকারি গুদামে ২৪ লাখ ৩৭ হাজার ৮০৭ টন খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে
- 📌 স্বাভাবিক সময়ে সরকারি খাদ্যশস্যের নিরাপত্তা মজুত নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪ লাখ টন এবং সংকটকালে ১৫ লাখ টন
- 📌 ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশে চালের চাহিদা ছিল ৪ কোটি ২৩ লাখ টন, সরবরাহ ছিল ৪ কোটি ৩৬ লাখ ৫২ হাজার টন
- 📌 একই অর্থবছরে গমের চাহিদা ছিল ৮২ লাখ টন, সরবরাহ ছিল ৮৩ লাখ ৬৭ হাজার টন
📰 বিস্তারিত
খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্য মো. মশিউর রহমান খানের লিখিত প্রশ্নের উত্তরে জানান, দেশে খাদ্যশস্যের কোনো ঘাটতি নেই। সরকারি খাদ্য গুদামগুলোতে নির্ধারিত নিরাপত্তা মজুতের তুলনায় বেশি পরিমাণে খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন।
তিনি জানান, ৩০ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত সরকারি খাদ্য গুদামগুলোতে মোট ২৪ লাখ ৩৭ হাজার ৮০৭ টন খাদ্যশস্য মজুত ছিল। গত ৬ আগস্ট অনুষ্ঠিত খাদ্য পরিকল্পনা ও পর্যবেক্ষণ কমিটির (এফপিএমসি) সভায় স্বাভাবিক সময়ে সরকারি খাদ্যশস্যের নিরাপত্তা মজুত ১৪ লাখ টন এবং সংকটকালে ১৫ লাখ টন নির্ধারণ করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
খাদ্যমন্ত্রী আরও জানান, সরকারি গুদামে মজুতের পরিমাণ নির্ধারিত নিরাপত্তা মজুতের চেয়ে বেশি হওয়ায় দেশে চাল ও গম/আটার ঘাটতির কোনো সুযোগ নেই। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) ‘ফুড আউটলুক’-এর তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশে চালের চাহিদা বা ভোগের পরিমাণ ছিল ৪ কোটি ২৩ লাখ টন। বিপরীতে মোট সরবরাহ ছিল ৪ কোটি ৩৬ লাখ ৫২ হাজার টন। মোট চাল সরবরাহের মধ্যে ৪ কোটি ২৪ লাখ ৬৭ হাজার টন এসেছে দেশীয় উৎপাদন থেকে এবং ১২ লাখ ৮৫ হাজার টন এসেছে আমদানির মাধ্যমে।
একই অর্থবছরে দেশে গমের চাহিদা বা ভোগের পরিমাণ ছিল ৮২ লাখ টন। বিপরীতে মোট সরবরাহ ছিল ৮৩ লাখ ৬৭ হাজার টন। এর মধ্যে দেশীয় উৎপাদন ছিল ১০ লাখ ২৯ হাজার টন এবং আমদানির পরিমাণ ছিল ৭৩ লাখ ৩৮ হাজার টন।
খাদ্যমন্ত্রী জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এফএওর ‘ফুড আউটলুক’ অনুযায়ী দেশে চালের চাহিদা বা ভোগের পরিমাণ ৪ কোটি ২৬ লাখ টন এবং গমের চাহিদা ৮৩ লাখ টন হতে পারে। তিনি আরও বলেন, চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার ও বেসরকারি উভয় খাতই চাল ও গম আমদানি করে থাকে।
"সরকারি খাদ্য গুদামগুলোতে নির্ধারিত নিরাপত্তা মজুতের তুলনায় বেশি পরিমাণে খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে। ফলে দেশে চাল ও গম/আটার ঘাটতির কোনো সুযোগ নেই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতীয় সংসদ, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আফরোজা খানম (খাদ্যমন্ত্রী), মো. মশিউর রহমান খান (বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্য), হাফিজ উদ্দিন আহমদ (স্পিকার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ লাখ ৩৭ হাজার ৮০৭ টন (খাদ্যশস্য মজুত), ১৪ লাখ টন (স্বাভাবিক নিরাপত্তা মজুত), ১৫ লাখ টন (সংকটকালীন নিরাপত্তা মজুত), ৪ কোটি ২৩ লাখ টন (চালের চাহিদা), ৪ কোটি ৩৬ লাখ ৫২ হাজার টন (চালের সরবরাহ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!