📌 ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে মিলাদুন্নবী অনুষ্ঠানে বলেছেন, পৃথিবীর কোনো জ্যোতিষী বা গোয়েন্দা সংস্থাও আওয়ামী লীগের অদ্ভুত বিদায়ের কথা ভাবেনি। তিনি ১৯৭৫ সালের ঘটনাটি তুলে ধরেন এবং আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসের গুরুত্ব জোরালোভাবে বলেন
ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) মিলাদুন্নবী অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের অদ্ভুত বিদায়ের বিষয়ে একটি অপ্রত্যাশিত মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, পৃথিবীর কোনো জ্যোতিষী বা গোয়েন্দা সংস্থাও এই ঘটনার পূর্বাভাস দিতে পারেনি। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ধর্মমন্ত্রী বলেন, ‘পৃথিবীর কোনো জ্যোতিষী বা গোয়েন্দা সংস্থাও আওয়ামী লীগের অদ্ভুত বিদায়ের কথা ভাবেনি’
- 📌 তিনি ১৯৭৫ সালের ঘটনাটি তুলে ধরেন এবং বলেন, ‘মাত্র কয়েকজন কর্মকর্তা বিশাল ঘটনা ঘটিয়েছিল, কিন্তু রক্ষীবাহিনী কোনো প্রতিক্রিয়া দেখায়নি’
- 📌 ধর্মমন্ত্রী বলেন, ‘আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস থাকতে হবে, আল্লাহর হুকুম মেনে চললে জীবনে কোনো অসুবিধা হবে না’
- 📌 মিলাদুন্নবীর গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) আমাদের জন্য উত্তম আদর্শ’
- 📌 জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. রইছ উদ্দীন বলেন, ‘শতকরা ৯০ ভাগ মুসলমানের দেশে মিলাদুন্নবীর দিন সবচেয়ে বড় রহমত ও আনন্দের দিন’
📰 বিস্তারিত
ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট্রাল অডিটোরিয়ামে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, ‘পৃথিবীর কোনো জ্যোতিষী, পৃথিবীর কোনো গোয়েন্দা সংস্থাও চিন্তা করেনি আওয়ামী লীগ এভাবে পালিয়ে বিদায় নেবে।’ তিনি ১৯৭৫ সালের ঘটনাটি তুলে ধরেন এবং বলেন, ‘মাত্র কয়েকজন কর্মকর্তা একটা বিশাল ঘটনা ঘটিয়েছিল। সেদিন কিন্তু বিশাল রক্ষীবাহিনী শেখ মুজিবকে, তার পরিবারকে এবং আওয়ামী লীগকে রক্ষা করার জন্য অপেক্ষা করছিল। সেই রক্ষীবাহিনী কিন্তু টুঁ শব্দও করেনি।’
ধর্মমন্ত্রী বলেন, ‘আমি একটা কথা আপনাদের যারা মুরুব্বি তাদের বলতে চাই— আল্লাহ যা চান তাই হয়। আল্লাহর প্রতি মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস থাকতে হবে।’ তিনি মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং বলেন, ‘আমরা বড় সৌভাগ্যবান উম্মত। তার জীবনের প্রতিটি দিক ও অধ্যায় আমাদের জন্য আলোকবর্তিকা।’
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত বাংলাদেশ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক মুফতি মোহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী বলেন, ‘মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) শুধু মুসলমানদের নয়, শিক্ষকদের জন্যও আদর্শ।’ তিনি জ্ঞানের সংজ্ঞা পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘আপনার কাছে একজন অমুসলিম ব্যক্তি যদি নিরাপদ থাকে, তাহলে মনে করতে হবে আপনি রাসূলের খাঁটি উম্মত।’
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন বলেন, ‘মিলাদুন্নবী নিয়ে অনেক বিতর্ক হয়। কিন্তু মিলাদুন্নবী অর্থ নবীর জন্মগ্রহণ। সূরা আল ইমরানে আছে, মহানবী প্রতি সোমবার রোজা রাখতেন। ফলে নবীর আগমন উপলক্ষে আমাদেরও মিলাদুন্নবী পালন করা উচিত। শতকরা ৯০ ভাগ মুসলমানের দেশে মিলাদুন্নবীর দিন সবচেয়ে বড় রহমত ও আনন্দের দিন।’
"আমি একটা কথা আপনাদের যারা মুরুব্বি তাদের বলতে চাই— মাত্র কয়েকজন কর্মকর্তা একটা বিশাল ঘটনা ঘটিয়েছিল। সেদিন কিন্তু বিশাল রক্ষীবাহিনী শেখ মুজিবকে, তার পরিবারকে এবং আওয়ামী লীগকে রক্ষা করার জন্য অপেক্ষা করছিল। সেই রক্ষীবাহিনী কিন্তু টুঁ শব্দও করেনি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, মুফতি মোহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী, জবি উপাচার্য ড. মো. রইছ উদ্দীন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৫, ৯০%
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!