📅 ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:৪২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

২০২৬ এসএসসি পরীক্ষায় পুনরায় মূল্যায়নের আবেদন কেনো আর করা যাবে না? শিক্ষা বোর্ডের সত্যিকারের ব্যাখ্যা

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: আ ন ম এহছানুল হক মিলন আ ন ম এহছানুল হক মিলন
২০২৬ এসএসসি পরীক্ষায় পুনরায় মূল্যায়নের আবেদন কেনো আর করা যাবে না? শিক্ষা বোর্ডের সত্যিকারের ব্যাখ্যা

📷 ছবি: বিবিসি বাংলা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বিবিসি বাংলা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় পুনরায় মূল্যায়নের ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীদের আর কোনো আবেদন করার সুযোগ নেই। শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, চার ধাপের পরীক্ষা পেরিয়ে গেলে আর পুনঃনিরীক্ষা করা সম্ভব নয়। শিক্ষামন্ত্রীও ভবিষ্যতে নীতিমালা তৈরির কথা বলেছেন

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পুনরায় মূল্যায়নের ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীদের আর কোনো আবেদন করার সুযোগ নেই। শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, চার ধাপের পরীক্ষা পেরিয়ে গেলে আর পুনঃনিরীক্ষা করা সম্ভব নয়। এই বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন, যার মধ্যে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন পাস করেছেন। তবে পুনরায় মূল্যায়নের আবেদন করেছিল মোট চার লাখ দুই হাজার ৫১ জন শিক্ষার্থী।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় পুনরায় মূল্যায়নের ফল প্রকাশের পর আর কোনো শিক্ষার্থী আবেদন করতে পারবেন না — শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন।
  • 📌 চার ধাপের পরীক্ষা পেরিয়ে গেলে আর পুনঃনিরীক্ষা করার সুযোগ নেই — প্রথমে পরীক্ষক, পরে প্রধান পরীক্ষক, তারপর নিরীক্ষক এবং শেষে পুনরায় মূল্যায়নকারী পরীক্ষক।
  • 📌 ১২ লাখেরও বেশি আবেদন পাওয়ায় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ভবিষ্যতে নীতিমালা তৈরির কথা বলেছেন — শুধুমাত্র সিভিয়ারলি প্রবলেমযুক্ত খাতাগুলোই পুনরায় মূল্যায়নের জন্য বিবেচনা করা হবে।
  • 📌 ৩০ হাজার শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন পুনরায় মূল্যায়নের ফলাফলে, আর চার হাজার ৫৮৫ জন শিক্ষার্থী পাস করেছেন।

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ড বৃহস্পতিবার (৯ আগস্ট ২০২৬) পুনরায় মূল্যায়নের ফল প্রকাশ করে। এর আগে ১০ই আগস্ট মূল ফল প্রকাশিত হয়েছিল। ১৭ই আগস্ট পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করতে পারতেন। এবারের আবেদন ছিল রেকর্ডসংখ্যক — মোট ১২ লাখ ৮৭ হাজার ৯২৬টি আবেদন পেয়েছিল বোর্ড। এর মধ্যে ১০ লাখ ৫৬ হাজার ৪৫৫টি ছিল লিখিত পরীক্ষার এবং ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭১টি ব্যবহারিক পরীক্ষার উত্তরপত্র।

ঢাকার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক জেসমিন তাসলিমা বানূ বিবিসি বাংলাকে বলেন, “বোর্ডের একটা নীতিমালা আছে, আমি সেই নীতিমালার বাইরে যেতে পারবো না। এখন এরপরও যদি কেউ সন্তুষ্ট না হয়, তাহলে তাকে আদালতেই যেতে হবে।” একই কথা জানিয়েছেন বরিশালের শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক শরীফ মোর্শেদ রেজা। তিনি বলেন, “এখন একটাই সুযোগ আছে, কোর্ট। কোর্টে গিয়ে যদি কেউ রিট করে যে আমার খাতাটায় আমি সন্তুষ্ট না, আমি আবার এটা দেখতে চাই, আর কোর্ট যদি আমাদের আদেশ দেয়, আমরা তখন সেটাই করতে বাধ্য।”

অধ্যাপক রেজা আরও ব্যাখ্যা করেন, “একটি উত্তরপত্র এরই মধ্যে চারটি ধাপ পেরিয়ে আসে। প্রথমে পরীক্ষক উত্তরপত্র মূল্যায়ন করেন। এরপর প্রধান পরীক্ষক সেটি দেখেন। পরে নিরীক্ষক নম্বরের হিসাব ঠিক আছে কি না যাচাই করেন। আর পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করা হলে আরেকজন পরীক্ষক দিয়ে উত্তরপত্রটি পুনর্মূল্যায়ন করা হয়। চারটা ধাপ হয়ে গেছে। এর পরে আমাদের কিছু করার নাই,” বলেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, এবারের অভিজ্ঞতা থেকে ভবিষ্যতে উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য একটি নীতিমালা তৈরি করা হবে। তিনি বলেন, “যে ১২ লাখের বেশি আবেদন হয়েছে, সেটি রিচেক করে তারপর কলেজে অ্যাডমিশন দিতে হবে। এটা একটা দীর্ঘ সময়ের ব্যাপার। ফলে উত্তরপত্র মূল্যায়নের আবেদন করতে হলে কোন বিয়ষগুলো বিবেচনায় রাখতে হবে সেটি নীতিমালায় উল্লেখ থাকবে। ‘কোন ধরনের খাতাগুলো রিএক্সামিন হতে পারে। আমরা ওই খাতাগুলোকেই অ্যাড্রেস করবো যেগুলোতে সিভিয়ারলি প্রবলেম,’ বলেন তিনি।

"বোর্ডের একটা নীতিমালা আছে, আমি সেই নীতিমালার বাইরে যেতে পারবো না। এখন এরপরও যদি কেউ সন্তুষ্ট না হয়, তাহলে তাকে আদালতেই যেতে হবে,
"চারটা ধাপ হয়ে গেছে। এর পরে আমাদের কিছু করার নাই,"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, বরিশাল, বাংলাদেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ড
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেসমিন তাসলিমা বানূ, শরীফ মোর্শেদ রেজা, ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন পরীক্ষার্থী, ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন পাস, ৪ লাখ ২ হাজার ৫১ জন পুনরায় মূল্যায়নের আবেদন, ৩০ হাজার+ জিপিএ-৫ পেয়েছেন, ১২ লাখ ৮৭ হাজার ৯২৬টি আবেদন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖