📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষ্যে ঘোষণা করেছেন, সরকার জনগণের ধর্মীয়, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর। তিনি গণতন্ত্রের মূল দর্শন হিসেবে রাষ্ট্রে মানুষের বাকস্বাধীনতা, সাম্য ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার কথা উল্লেখ করেছেন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে ঘোষণা করেছেন, সরকার জনগণের ধর্মীয়, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় নিশ্চিত। মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেছেন, গণতন্ত্রের মূল দর্শন হলো রাষ্ট্র ও সমাজে মানুষের বাকস্বাধীনতা, ব্যক্তিস্বাধীনতা, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচারের প্রতিষ্ঠা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, গণতন্ত্রের মূল দর্শন হলো রাষ্ট্রে মানুষের বাকস্বাধীনতা, সাম্য ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা
- 📌 সরকার জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে ধর্মীয়, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর
- 📌 আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবসের মূল প্রতিপাদ্য ‘রেইজিং হ্যান্ডস অ্যান্ড ভয়েসেস—ফস্টারিং এজেন্সি অ্যান্ড ওনারশিপ থ্রু ডেলিবারেটিভ ডেমোক্র্যাসি’ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, জনগণের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে তাদের স্বার্থ রক্ষা করতে হবে
- 📌 প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ—সবার জন্য বাংলাদেশ’ প্রত্যয়ে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে
- 📌 তিনি উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্রের ইতিহাসে বিভিন্ন সময়ে জনগণের অধিকার হরণ ও গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছে
- 📌 শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করেছিলেন
- 📌 প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে ফ্যাসিবাদী শাসন-শোষণ কায়েম করা হয়েছিল, যা আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে অবসান ঘটানো হয়েছে
- 📌 তিনি উল্লেখ করেছেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে জনগণ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার রাতে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, গণতন্ত্রের মূল দর্শন হলো রাষ্ট্র ও সমাজে মানুষের বাকস্বাধীনতা, ব্যক্তিস্বাধীনতা এবং সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচারের প্রতিষ্ঠা। তিনি বলেছেন, গণতান্ত্রিক অধিকারের অর্থ শুধু ভোটের অধিকার নয়। জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা জরুরি। সেই লক্ষ্যে সরকার দেশে জনগণের ধর্মীয়, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর।
আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব গণতন্ত্রকামী জনগণের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘আমি তাদের সকল গণতান্ত্রিক ও মানবিক অধিকারের প্রতি সমর্থন জানাই’। তিনি বলেছেন, জনগণের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে তাদের স্বার্থ রক্ষা করতে হবে এবং একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠা করাই এই মুহূর্তে সরকারের অঙ্গীকার।
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে নিশ্চিত হবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সমৃদ্ধি ও স্বনির্ভরতা, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও উদার রাজনৈতিক পরিবেশ এবং সামাজিক স্থিতি ও ন্যায়পরায়ণতা’। তিনি উল্লেখ করেছেন, স্বাধীনতার পর থেকেই বাংলাদেশে বিভিন্ন সময়ে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করা হয়েছে এবং গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছে।
শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, ‘জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করেছিলেন। মানুষের বাক্, ব্যক্তি ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিয়েছিলেন’। তিনি বলেছেন, বিএনপি সরকারে থাকুক কিংবা বিরোধী দলে—সকল অবস্থান থেকেই বারবার গণতন্ত্রের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘জনগণের সব গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নিয়ে দেশে পুনরায় ফ্যাসিবাদী শাসন-শোষণ কায়েম করা হয়েছিল। দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় বীর ছাত্র-জনতা এক রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশে ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়েছে’। তিনি বলেছেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে জনগণ একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে।
"গণতন্ত্রের মূল দর্শন হচ্ছে রাষ্ট্র ও সমাজে মানুষের বাক্ ও ব্যক্তিস্বাধীনতা এবং সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠা। গণতান্ত্রিক অধিকারের অর্থ শুধু ভোটের অধিকার প্রয়োগের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা জরুরি। সেই লক্ষ্যে সরকার দেশে জনগণের ধর্মীয়, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!