📅 ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:১৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গণতন্ত্রের পথিকৃৎ গণমাধ্যম: তথ্যমন্ত্রী ও রাজনৈতিক নেতা ডিআরইউতে স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রতি প্রতিশ্রুতি

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: রুহুল কবীর রিজভী রুহুল কবীর রিজভী
গণতন্ত্রের পথিকৃৎ গণমাধ্যম: তথ্যমন্ত্রী ও রাজনৈতিক নেতা ডিআরইউতে স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রতি প্রতিশ্রুতি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গণতন্ত্রের বিকাশে গণমাধ্যমের অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান ডিআরইউতে ঘোষণা দেন, বর্তমান সরকার কোনো হস্তক্ষেপ ছাড়াই স্বাধীন সাংবাদিকতার পক্ষে দাঁড়িয়ে আছে। বিএনপির রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ছাড়া গণতন্ত্রের বিকাশ সম্ভব নয়।

গণতন্ত্রের বিকাশে গণমাধ্যমের অপরিহার্য ভূমিকাকে স্বীকৃতি দিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান। তিনি বলেছেন, স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রতি সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ থাকবে না। বৃহস্পতিবার ঢাকার সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা বলেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 তথ্যমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান ঘোষণা দেন: বর্তমান সরকার স্বাধীন সাংবাদিকতার পক্ষে দাঁড়িয়ে আছে, কোনো হস্তক্ষেপ করবে না
  • 📌 বিএনপির রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেন: গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের জন্য গণমাধ্যমের স্বাধীনতা অপরিহার্য
  • 📌 রিজভী উল্লেখ করেন: গত ১৭ বছরে মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকরা গণতন্ত্রের আলো জ্বালিয়ে রেখেছিলেন despite নিয়ন্ত্রণ
  • 📌 প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেন: তথ্যপ্রযুক্তির যুগে সঠিক তথ্য পৌঁছানোর দায়িত্ব পেশাদার সাংবাদিকদের

📰 বিস্তারিত

গণমাধ্যমের শক্তিশালী অবদানের কারণে দেশে গণতন্ত্রের বিকাশ সম্ভব হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান। তিনি বলেন, ‘সংবাদমাধ্যমের কারণে আমরা আজ এই জায়গায় উপস্থিত হতে পারছি। গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষায় গণমাধ্যম সমান অংশীদার। বর্তমান সরকারের মেয়াদে আপনারা সম্পূর্ণ স্বাধীন গণমাধ্যম পাবেন। সরকারের পক্ষ থেকে সংবাদমাধ্যম বা সাংবাদিকতার পেশাগত কাজে কোনো হস্তক্ষেপ করার ইচ্ছা নেই।’

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার বিকল্প নেই। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করলে সমাজে সন্ত্রাস ও ঘুষ কমবে এবং সমাজ পরিচ্ছন্ন হবে।’ তিনি উল্লেখ করেন, গত ১৭ বছরে অনেক টেলিভিশন ও পত্রিকা থাকলেও কথা বলার সুযোগ ছিল শুধু একজন ব্যক্তি ও একটি রাজনৈতিক দলের। অন্যরা গুম বা কারাগারে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘মিডিয়া, টকশো ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করা হতো। মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকরা গণতন্ত্রের আলো কিছুটা জ্বালিয়ে রেখেছিলেন।’

সড়ক পরিবহন ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেন, ‘গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধি। তথ্যপ্রযুক্তির যুগে দ্রুত সংবাদ দেওয়ার পাশাপাশি সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়া পেশাদার সাংবাদিকদের বড় দায়িত্ব। গুজব ও অপতথ্য থেকে জনগণকে রক্ষা করা তাদের দায়িত্ব।’

"সংবাদমাধ্যম আছে বলেই আমরা আজ এই জায়গায় আসতে পেরেছি। বর্তমান সরকারের মেয়াদে আপনারা সম্পূর্ণ স্বাধীন গণমাধ্যম পাবেন। সরকারের পক্ষ থেকে সংবাদমাধ্যম বা সাংবাদিকতার পেশাগত কাজে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করার ইচ্ছা নেই।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, সেগুনবাগিচা (ডিআরইউ অনুষ্ঠান)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তথ্যমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান, রুহুল কবির রিজভী, প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, ১৭ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖