📅 ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:৫৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ডিআরইউর ৩১তম বার্ষিকীতে তথ্যমন্ত্রী: স্বাধীন সাংবাদিকতার পক্ষে সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ নেই

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: রুহুল কবীর রিজভী রুহুল কবীর রিজভী
ডিআরইউর ৩১তম বার্ষিকীতে তথ্যমন্ত্রী: স্বাধীন সাংবাদিকতার পক্ষে সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ নেই

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান ডিআরইউর ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ঘোষণা করেন, বর্তমান সরকার মুক্ত ও স্বাধীন সাংবাদিকতার পক্ষে কোনো হস্তক্ষেপ করবে না। বিএনপির মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী গণতন্ত্রের আলো জ্বালিয়ে রাখার সাংবাদিকদের ভূমিকা তুলে ধরেন

ঢাকার সেগুনবাগিচায় অনুষ্ঠিত ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান ঘোষণা করেন, বর্তমান সরকার মুক্ত ও স্বাধীন সাংবাদিকতার চর্চায় কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করবে না। তিনি বলেন, গণমাধ্যমের শক্তিশালী অবদানের কারণে দেশে গণতন্ত্রের বিকাশ সম্ভব হয়েছে এবং সরকারের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের পেশাগত কাজে কোনো বাধা দেওয়ার ইচ্ছা নেই।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 তথ্যমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান ডিআরইউর ৩১তম বার্ষিকীতে ঘোষণা: "স্বাধীন সাংবাদিকতার পক্ষে সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ নেই"
  • 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিশ্বাস: "স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে"
  • 📌 বিএনপির মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী: "গত ১৭ বছরে গণতন্ত্রের আলো জ্বালিয়ে রাখার জন্য সাংবাদিকদের অবদান অপরিসীম"
  • 📌 জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসান মাহবুব জুবায়ের: "ডিআরইউ সদস্যরা পেশাদারিত্ব ধরে রেখেছেন"
  • 📌 স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা: "সংসদে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়েছে"

📰 বিস্তারিত

ডিআরইউর ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের প্রধান আকর্ষণ ছিল তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমানের বক্তব্য। তিনি বলেন, “সংবাদমাধ্যমের কারণে আমরা আজ গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে পারছি। বর্তমান সরকারের মেয়াদে আপনারা সম্পূর্ণ স্বাধীন গণমাধ্যম পাবেন। সরকারের পক্ষ থেকে কোনো হস্তক্ষেপের ইচ্ছা নেই।” তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নাম উল্লেখ করে বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন যে সবাই একসাথে কাজ করলে স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী গণতন্ত্রের আলো জ্বালিয়ে রাখার সাংবাদিকদের ভূমিকা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “গত ১৭ বছরে গণতন্ত্রের আলো জ্বালিয়ে রাখার জন্য সাংবাদিকদের অবদান অপরিসীম। মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকেরা গণতন্ত্রের আলো কিছুটা জ্বালিয়ে রেখেছিলেন। জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থান না হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতো।” তিনি ডিআরইউকে আশ্রয় হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, “যখন কোনো আশ্রয় ছিল না, তখন ডিআরইউ আমার আশ্রয় ছিল।”

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও প্রচার বিভাগের প্রধান এহসান মাহবুব জুবায়ের বলেন, “ডিআরইউ সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে আসছেন। তারা কোনোদিকে হেলে পড়েননি। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বাধা-প্রতিবন্ধকতা ছিল, কিন্তু সব সময় পেশাদারত্ব ধরে রেখেছেন।”

অনুষ্ঠানে রেলপথ, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকেরা বক্তব্য দেন। সভাপতিত্ব করেন ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল।

"সংবাদমাধ্যম আছে বলেই আমরা আজ এই জায়গায় আসতে পেরেছি। দেশে গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষা ও সার্বিক অর্জনে গণমাধ্যম সমান অংশীদার। ইনশা আল্লাহ, বর্তমান সরকারের মেয়াদে আপনারা সম্পূর্ণ স্বাধীন গণমাধ্যম পাবেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, সেগুনবাগিচা, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) কার্যালয়
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান, বিএনপির মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসান মাহবুব জুবায়ের, স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, ১৭ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖