📌 বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সাংস্কৃতিক বাহিনী ছাড়া কোনো আন্দোলন সফল হতে পারে না। তিনি নজরুলের জাতীয়তাবাদী গান ও শিল্পীদের ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং শেখ হাসিনা-সমর্থক শিল্পীদের সমালোচনা করেন
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী সাংস্কৃতিক বাহিনীর গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং বলেন, কোনো আন্দোলন সফল হওয়ার জন্য সাংস্কৃতিক কর্মীদের সমর্থন অবশ্যই প্রয়োজন। তিনি ঢাকার শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত ‘একজন নেতার কথা বলছি’ শীর্ষক গানের সিডির মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সাংস্কৃতিক কর্মীদের সমর্থন ছাড়া কোনো আন্দোলন সফল হতে পারে না — রিজভীর দাবি
- 📌 ‘বিচারপতি তোমার বিচার করবে যারা’ ও ‘দেশটা তোমার বাপের নাকি’-এর মতো গান ও স্লোগান আন্দোলনে বিপুল প্রভাব ফেলে
- 📌 শিল্পী হলেই মানবতাবাদী নয় — রিজভী শেখ হাসিনা-সমর্থক শিল্পীদের সমালোচনা করেন
- 📌 নজরুলের ‘গাহি সাম্যের গান’-এর মতো জাতীয়তাবাদী গানের গুরুত্ব তুলে ধরেন রিজভী
- 📌 ফ্যাসিস্টদেরও সাংস্কৃতিক কর্মীদের সমর্থন ছিল — রিজভী উদাহরণ দেন হিটলার ও মুসোলিনির
📰 বিস্তারিত
১৪ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত ‘একজন নেতার কথা বলছি’ শীর্ষক গানের সিডির মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে রিজভী বলেন, সাংস্কৃতিক কর্মীদের যে রাজনৈতিক দল বা আন্দোলনে থাকবে না, সেই আন্দোলন কখনোই সফল হবে না। তিনি উল্লেখ করেন, প্রতিটি বৃহত্তর স্বাধীনতা সংগ্রাম ও গণতান্ত্রিক বিপ্লবে সাংস্কৃতিক বাহিনীই মূল সৈনিক।
রিজভী বলেন, একটি গান বা শিল্পীর শক্তি কয়েকটি এটম বোমার চেয়েও বেশি ভয়াবহ হতে পারে। তিনি ‘বিচারপতি তোমার বিচার করবে যারা’ ও ‘দেশটা তোমার বাপের নাকি’-এর মতো গান ও স্লোগানের উদাহরণ দিয়ে বলেন, এ ধরনের গান স্বৈরতন্ত্রকে নাড়িয়ে দিতে পারে।
তিনি শেখ হাসিনা-সমর্থক শিল্পীদের সমালোচনা করে বলেন, ‘আজকে রোকেয়া প্রাচীরা শেখ হাসিনার গুণগান গাইছে এবং বহু চক্রান্তের মধ্যে তারা জড়িত হচ্ছে। ইতিমধ্যে আপনারা দেখেছেন, হুমায়ূন আহমেদের ছোট স্ত্রী কী ধরনের ভূমিকা পালন করেছে?’ তিনি বলেন, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হলেই তার মন উদার ও মানবতাবাদী হবে না। প্রকৃত সাংস্কৃতিক ব্যক্তি হলেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের মতো যিনি ‘গাহি সাম্যের গান, মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাহি মহীয়ান’-এর মতো দর্শনকে প্রতিফলিত করেছেন।
রিজভী আরও বলেন, ফ্যাসিস্টদেরও সাংস্কৃতিক কর্মীদের সমর্থন ছিল। তিনি উদাহরণ দেন হিটলারের নাৎসি বাহিনী ও মুসোলিনির ফ্যাসিস্ট শাসকদের সঙ্গে যুক্ত সাংস্কৃতিক কর্মীদের। তিনি বলেন, শিল্পী হলেই মানবতাবাদী হবে না। অনেক শিল্পীর মধ্যে নজরুলের মতো গুণাবলি না থাকলে তারা ফ্যাসিস্টদের দোসর হতে পারে। তিনি আহনাফ, মুগ্ধ ও আবু সাঈদের মহিমান্বিত আত্মদান ও তাদের রক্তাক্ত সাদা শার্টের দৃশ্য উল্লেখ করে বলেন, ‘ওরা কত বদ্ধ ও কত সঙ্কীর্ণ যে, একই দেশের মানুষ হয়ে তারা একটা ভয়ঙ্কর ফ্যাসিস্টকে সহযোগিতা করেছে।’
"সাংস্কৃতিক কর্মীদের যে রাজনৈতিক দল বা আন্দোলনে থাকবে না, সেই আন্দোলন কখনোই সফল হবে না। প্রতিটি বৃহত্তর স্বাধীনতার সংগ্রাম এবং গণতান্ত্রিক বিপ্লবে মূল সৈনিক হচ্ছে সাংস্কৃতিক বাহিনী।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, শিল্পকলা একাডেমি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রুহুল কবির রিজভী (বিএনপি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!