📅 ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:২০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চট্টগ্রাম নগরে পুলিশ কর্মকর্তা ১৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রত্যাহার, ব্যবসায়ীকে জাল পুলিশ পরিচয়ে ধরে নিয়ে টাকা চুরি

চট্টগ্রাম নগরে পুলিশ কর্মকর্তা ১৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রত্যাহার, ব্যবসায়ীকে জাল পুলিশ পরিচয়ে ধরে নিয়ে টাকা চুরি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চট্টগ্রাম নগরে এক ব্যবসায়ী ও তার বন্ধুকে জাল পুলিশ পরিচয়ে ধরে নিয়ে ১৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে পুলিশের একজন এসিসহ দুই এএসআইকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। নগর পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন

চট্টগ্রাম নগরে পুলিশের একজন সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসিসহ) এবং দুই সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই)কে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তারা এক ব্যবসায়ী ও তার বন্ধুকে জাল পুলিশ পরিচয়ে ধরে নিয়ে ১৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দায়ী। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) নগর পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী প্রত্যাহারের আদেশ দেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চট্টগ্রাম নগরে পুলিশের এসিসহ শরীফুল আলম চৌধুরী ও দুই এএসআই (বশির উদ্দিন ও মো. সুফিয়ান)কে ১৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রত্যাহার করা হয়েছে
  • 📌 ৪ সেপ্টেম্বর ব্যবসায়ী আখতারুজ্জামান শাকিল ও তার বন্ধু মো. মনসুরকে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ধরে নিয়ে এলআইসি শাখায় নিয়ে যাওয়া হয়
  • 📌 অভিযোগে, শাকিলের মুঠোফোনে থাকা সাড়ে ১২ হাজার বাইন্যান্স ডলার ও ১০ লাখ টাকা দাবি করে মামলা মীমাংসা করা হয়
  • 📌 শাকিলের মুঠোফোন থেকে ১০ হাজার ডলার তিনবার স্থানান্তর করা হয়, এছাড়া ৬ লাখ টাকা বাইন্যান্সে রূপান্তর ও ৮০ হাজার টাকা অ্যাপের মাধ্যমে আত্মসাত করা হয়
  • 📌 শাকিলের ১৪টি মুঠোফোন ফেরত পাওয়ার শর্তে আইফোন দাবি করা হয়, না হলে ছবি-ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়

📰 বিস্তারিত

চট্টগ্রাম নগর পুলিশের এলআইসি শাখার এসিসহ শরীফুল আলম চৌধুরী, এএসআই বশির উদ্দিন এবং রেশন শাখার এএসআই মো. সুফিয়ানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এসিসহ শরীফুলকে নগর পুলিশের সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে, আর দুই এএসআইকে দামপাড়া পুলিশ লাইনে স্থানান্তর করা হয়েছে। নগর পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী গতকাল প্রথম আলোকে জানান, ঘটনার তদন্তে উপকমিশনার (পিএমও) মো. বদরুজ্জামানকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

৪ সেপ্টেম্বর হালিশহর থানার কে-ব্লক এলাকায় ব্যবসায়ী আখতারুজ্জামান শাকিল ও তার বন্ধু মো. মনসুরকে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ধরে নিয়ে এলআইসি শাখায় নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শাকিল অনলাইন জুয়ার এজেন্ট এবং তার মুঠোফোনে বিপুল পরিমাণ ক্রিপ্টোকারেন্সি বা বাইন্যান্স ডলার ছিল। অভিযোগে, শাকিলের সিএমপি কার্যালয়ের নিচতলায় অবস্থিত এলআইসি শাখায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে এসিসহ শরীফুল আলম চৌধুরী তাঁদের কাছে প্রথমে এক কোটি টাকা দাবি করেন। পরে দর-কষাকষির পর শাকিলের মুঠোফোনে থাকা সাড়ে ১২ হাজার বাইন্যান্স ডলার ও ১০ লাখ টাকা দাবি করে বিষয়টি মীমাংসা করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

শাকিলের অভিযোগ, শুরুতেই তাঁর বাইন্যান্স অ্যাকাউন্ট থেকে তিন দফায় সাড়ে ১০ হাজার ডলার অন্যত্র স্থানান্তর করা হয়। পরে সিটি ব্যাংক থেকে ৬ লাখ টাকা বাইন্যান্সের মাধ্যমে ডলারে রূপান্তর করে নেওয়া হয়। এছাড়া দামপাড়া পুলিশ লাইনের পাশে ব্র্যাক ব্যাংকের এটিএম বুথে নিয়ে তাঁকে দিয়ে আরও টাকা তোলানো হয়। আর্থিক মুঠোফোন সেবাদাতা অ্যাপের মাধ্যমে ৮০ হাজার টাকা আত্মসাত করা হয়। শাকিলের ভাষ্য, পরদিন আরও পাঁচ লাখ টাকা দেওয়ার শর্তে তাঁর গাড়ি হস্তান্তর করা হয়। তবে তাঁর ১৪টি মুঠোফোন ফেরত পাওয়ার জন্য একটি আইফোন দেওয়ার দাবি করা হয়।

শাকিল বলেন, গেম খেলাকে জুয়া হিসেবে উল্লেখ করে ভয়ভীতি দেখানো এবং মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়ায় তিনি টাকা দিতে বাধ্য হয়েছেন। মুঠোফোনে ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও থাকায় তিনি আরও বেশি আতঙ্কিত ছিলেন। মুঠোফোনগুলো ফেরত পাওয়ার জন্য একটি আইফোন দেওয়ার দাবি করা হয়। তা না হলে ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

"গেম খেলাকে জুয়া হিসেবে উল্লেখ করে ভয়ভীতি দেখানো এবং মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়ায় আমি টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি। মুঠোফোনে ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও থাকায় আমি আরও বেশি আতঙ্কিত ছিলেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চট্টগ্রাম নগর, হালিশহর থানা (কে-ব্লক), সিএমপি কার্যালয়ের নিচতলা (এলআইসি শাখা), দামপাড়া পুলিশ লাইন, ব্র্যাক ব্যাংকের এটিএম বুথ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আখতারুজ্জামান শাকিল, এসিসহ শরীফুল আলম চৌধুরী, এএসআই বশির উদ্দিন, এএসআই মো. সুফিয়ান, নগর পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী, উপকমিশনার মো. বদরুজ্জামান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ লাখ টাকা (আত্মসাত), ৪ সেপ্টেম্বর, ১২ হাজার বাইন্যান্স ডলার, ১০ লাখ টাকা, ১০ হাজার ডলার (৩ দফা), ৬ লাখ টাকা, ৮০ হাজার টাকা, ১৪টি মুঠোফোন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖