📌 বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা মির্জা আব্বাস ও অন্যান্য নেতারা সাদেক হোসেন খোকার সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণসভার আয়োজন করে তার স্মৃতিকে সম্মান জানান। খোকাকে রাজপথের খাঁটি যোদ্ধা হিসেবে বর্ণনা করে তারা বলেন, ঢাকা মহানগরীতে বিএনপির সাংগঠনিক ভিত্তি গড়ে তোলায় তার অবদান অপরিসীম
বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা মির্জা আব্বাস ও অন্যান্য নেতারা সাদেক হোসেন খোকার স্মৃতিকে সম্মান জানিয়ে বলেছেন, তিনি ছিলেন রাজপথের একজন খাঁটি যোদ্ধা। বুধবার (৪ নভেম্বর) রাজধানীর গোপীবাগে সাদেক হোসেন খোকা কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত স্মরণসভার মাধ্যমে খোকার সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকীতে এই স্মরণসভার আয়োজন করা হয়। মির্জা আব্বাস বলেছেন, খোকা ছিলেন একজন সহজ-সরল ও বড় মনের মানুষ যিনি কম হাসতেন কিন্তু তার আন্তরিকতা মানুষকে সহজেই কাছে টেনে নিত।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মির্জা আব্বাস বলেছেন, খোকা ছিলেন রাজপথের খাঁটি যোদ্ধা এবং বিএনপির আদর্শের জন্য দীর্ঘদিন কাজ করেছেন।
- 📌 সাদেক হোসেন খোকা ছিলেন ঢাকা মহানগরীতে বিএনপির সাংগঠনিক ভিত্তি গড়ে তোলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী একজন নেতা।
- 📌 মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলো থেকে শুরু করে জনপ্রতিনিধি হিসেবে কাজ করার সময়ে মির্জা আব্বাস ও খোকা একসঙ্গে ছিলেন।
- 📌 বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেছেন, খোকা ঢাকা শহরের মানুষের কাছে জনপ্রিয় ছিলেন এবং তার মৃত্যুর পরও তার জনপ্রিয়তা অব্যাহত রয়েছে।
- 📌 বিএনপি নেতারা স্মরণসভার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, খোকার স্মৃতিকে বড় পরিসরে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে।
📰 বিস্তারিত
সাদেক হোসেন খোকার স্মৃতিকে সম্মান জানিয়ে মির্জা আব্বাস বলেছেন, খোকা ছিলেন একজন খাঁটি রাজনীতিবিদ যিনি কম হাসতেন কিন্তু তার কথাবার্তা ও আন্তরিকতা মানুষকে সহজেই কাছে টেনে নিত। তিনি শাহজাহানপুরের বাসিন্দা ছিলেন এবং গোপীবাগে বসবাস করতেন। মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আমাদের জীবনের নানা ঘটনা নিয়ে যদি লিখতে বসি, তবে একটি বই হয়ে যাবে। রাজনীতিতে আমাদের মতপার্থক্য কিংবা ঝগড়াও হতো, কিন্তু দিনশেষে আমরা বিএনপির আদর্শ ও মানুষের জন্য একসঙ্গে কাজ করেছি।’
মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলো থেকে শুরু করে জনপ্রতিনিধি হিসেবে কাজ করার সময়ে মির্জা আব্বাস ও খোকা একসঙ্গে ছিলেন। মির্জা আব্বাস আরও বলেন, ‘আজ সে আমাদের মাঝে নেই, সে থাকলে হয়তো বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আরও ভালো কিছু হতে পারত।’
স্মরণসভার আয়োজনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেছেন, খোকা ঢাকা মহানগরীতে বিএনপিকে সুসংগঠিত করার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি বলেন, ‘খোকা শুধু ঢাকা মহানগরী নয়, সারা বাংলাদেশের রাজনীতিতে একজন অবিসংবাদিত নেতা ছিলেন। তিনি দেশের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছেন এবং মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানের মধ্য দিয়ে পাওয়া স্বাধীন দেশে ঢাকার অন্যতম মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন খোকা।’
সালাম আরও বলেন, খোকার মৃত্যুর পরও তার জনপ্রিয়তা অব্যাহত রয়েছে। তার মরদেহ ঢাকার বিমানবন্দরে নিয়ে আসার পর বিমানবন্দর থেকে শুরু করে পুরো সড়কজুড়ে মানুষের ঢল নেমেছিল। তিনি বলেন, ‘বিএনপি জনগণের দল। সাম্প্রতিক সময়ে দলের নেতা সালাউদ্দিন আহমেদ এবং তাঁদের থানার নেতা কমিশনার বাদল সরদারের জানাজায় মানুষের উপস্থিতির মধ্য দিয়েও তা প্রমাণিত হয়েছে।’
"খোকা ছিলেন রাজপথের একজন খাঁটি যোদ্ধা। তিনি কম হাসতেন, কিন্তু তার কথাবার্তা ও আন্তরিকতা মানুষকে সহজেই কাছে টেনে নিত। তিনি অত্যন্ত সহজ-সরল ও বড় মনের মানুষ ছিলেন।"
মির্জা আব্বাস বলেছেন, খোকার স্মৃতিকে পরবর্তী সময়ে বড় পরিসরে একটি স্মরণসভার পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে তার রাজনৈতিক অবদান ও জীবনের নানা দিক তুলে ধরা হবে। তিনি সাদেক হোসেন খোকার পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে বলেছেন, ‘আমরা তার রুহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং দোয়া করার আহ্বান জানাচ্ছি।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গোপীবাগ, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মির্জা আব্বাস, সাদেক হোসেন খোকা, মো. আবদুস সালাম, ইশরাক হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ নভেম্বর (স্মরণসভা), ৫ নভেম্বর (মৃত্যুবার্ষিকী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!