📌 ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) এমআরটি লাইন-১ নির্মাণে চারটি প্যাকেজের চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। জাপানের সহযোগিতায় প্রায় ৯.৬৩ কিলোমিটার পাতাল রেলপথ ও স্টেশন নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মোহাম্মদ জিয়াউল হক বলেছেন, প্রকল্পের মাধ্যমে রাজধানীর যানজট নিরসন ও আধুনিক গণপরিবহন সেবা নিশ্চিত হবে
ঢাকার প্রথম পাতাল রেল এমআরটি লাইন-১ নির্মাণে বাংলাদেশ সরকার ও জাপানের যৌথ সহযোগিতায় চারটি প্যাকেজের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) আজ বুধবার রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ীতে মেট্রোরেল ভবনে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে এ চুক্তিগুলো স্বাক্ষর করেছে। এই প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৯ দশমিক ৬৩ কিলোমিটার পাতাল রেলপথ ও স্টেশন নির্মাণের পাশাপাশি ট্র্যাক, বিদ্যুৎ, সংকেত ও টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন করা হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 এমআরটি লাইন-১ নির্মাণে চারটি প্যাকেজের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে — সিপি-৪, সিপি-৬, সিপি-৯ ও সিপি-১০
- 📌 সিপি-৪ প্যাকেজে রামপুরা থেকে নতুন বাজার পর্যন্ত ৪ দশমিক ৪৪৭ কিলোমিটার পাতাল রেলপথ নির্মাণের কাজ শুরু
- 📌 সিপি-৬ প্যাকেজে নদ্দা থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত ৫ দশমিক ১৮২ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণের কাজ চলমান
- 📌 সিপি-৯ প্যাকেজে রেললাইন, টার্নআউটসহ ট্র্যাক ও বৈদ্যুতিক অবকাঠামো স্থাপনের কাজ অন্তর্ভুক্ত
- 📌 সিপি-১০ প্যাকেজে স্বয়ংক্রিয় ট্রেন নিয়ন্ত্রণ, সংকেত ও টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপনের চুক্তি স্বাক্ষরিত
- 📌 সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মোহাম্মদ জিয়াউল হক বলেছেন, প্রকল্পের মাধ্যমে রাজধানীর যানজট নিরসন ও আধুনিক গণপরিবহন সেবা নিশ্চিত হবে
- 📌 জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনইচি বাংলাদেশ সরকারের প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ সরকার ও জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) যৌথ অর্থায়নে এমআরটি লাইন-১ প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক বলেন, রাজধানীর যানজট নিরসন এবং নাগরিকদের আধুনিক গণপরিবহন সেবা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। তিনি নির্মাণকাজে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও গুণগত মান নিশ্চিত করে নির্ধারিত সময়ে প্রকল্পের কাজ শেষ করার নির্দেশনা দেন। তিনি আরও বলেন, নির্মাণকাজের কারণে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি দীর্ঘায়িত না করা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং প্রকল্প এলাকার আশপাশের বাসিন্দাদের কল্যাণে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনইচি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে বলেন, বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নে জাপানের সহযোগিতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। তিনি এমআরটি প্রকল্পের বাস্তবায়ন কার্যক্রম পুনরায় শুরু ও গতিশীল করার উদ্যোগের জন্য বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানান। জাইকা বাংলাদেশ অফিসের চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ তাকাহাশি জুনকো ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
চুক্তি অনুযায়ী, সিপি-৪ প্যাকেজের আওতায় রামপুরা আন্ডারগ্রাউন্ড স্টেশনের উত্তর প্রান্ত থেকে নতুন বাজার স্টেশন পর্যন্ত ৪ দশমিক ৪৪৭ কিলোমিটার পাতাল রেলপথ নির্মাণ করা হবে। অন্যদিকে, সিপি-৬ প্যাকেজে নদ্দা স্টেশনের উত্তর প্রান্ত থেকে বিমানবন্দর স্টেশন পর্যন্ত ৫ দশমিক ১৮২ কিলোমিটার পাতাল রেলপথ নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। সিপি-৯ প্যাকেজের আওতায় রেললাইন, টার্নআউটসহ ট্র্যাক ও বৈদ্যুতিক অবকাঠামো স্থাপনের কাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সিপি-১০ প্যাকেজের কাজের মধ্যে রয়েছে স্বয়ংক্রিয় ট্রেন নিয়ন্ত্রণ, সংকেত ও টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা, প্ল্যাটফর্ম স্ক্রিন ডোর এবং এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট ব্যবস্থা স্থাপন।
"রাজধানীর যানজট নিরসন এবং নাগরিকদের আধুনিক গণপরিবহন সেবা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। এমআরটি লাইন-১ বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাজধানীর গণপরিবহন ব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (দিয়াবাড়ী, মেট্রোরেল ভবন)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ জিয়াউল হক (সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব), সাইদা শিনইচি (জাপানের রাষ্ট্রদূত)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯.৬৩ কিলোমিটার (মোট পাতাল রেলপথ), ৪টি প্যাকেজের চুক্তি, ৪.৪৪৭ কিলোমিটার (সিপি-৪), ৫.১৮২ কিলোমিটার (সিপি-৬)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!