📌 নীলফামারী সৈয়দপুরে নিষিদ্ধ কীটনাশক চুরির মামলায় সাতজন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছে সৈয়দপুর থানার ওসি রেজাউল ইসলাম রেজা, কীটনাশক ব্যবসায়ী মনোয়ার হোসেন ও বিসিক কর্মকর্তা মশিউর রহমান। অভিযুক্তরা আদালতে হাজির না হওয়ায় বিচারিক প্রক্রিয়া বিলম্বিত হচ্ছে।
নীলফামারী সৈয়দপুরে সিলমোহরকৃত গুদাম থেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত কীটনাশক চুরির ঘটনায় সাতজন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নীলফামারীর স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক বরাবর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছে সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি রেজাউল ইসলাম রেজা, কীটনাশক ব্যবসায়ী মনোয়ার হোসেন, কৃষিবিদ মোসলেহ উদ্দিন, তামজিদ হোসেন, সৈয়দপুর থানার উপপরিদর্শক ঋষিকেশ, সৈয়দপুর বিসিক শিল্পনগরীর কর্মকর্তা মশিউর রহমান এবং গুদামমালিক সাঈদ আহমেদ সানি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নীলফামারী সৈয়দপুরে ৯৩ হাজার প্যাকেট নিষিদ্ধ কীটনাশক চুরির মামলায় ৭ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল
- 📌 অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছে ওসি রেজাউল ইসলাম রেজা, কীটনাশক ব্যবসায়ী মনোয়ার হোসেন ও বিসিক কর্মকর্তা মশিউর রহমান
- 📌 ২০২৪ সালের ২৫ জুন জব্দকৃত ৫জি কার্বোফুরান জাতীয় কীটনাশক চুরি করা হয়েছিল
- 📌 অভিযুক্তরা আদালতে হাজির না হওয়ায় বিচারিক প্রক্রিয়া বিলম্বিত হচ্ছে
- 📌 তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন নীলফামারীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এনামুল হক বসুনিয়া
📰 বিস্তারিত
নিষিদ্ধ ঘোষিত ব্রিফার ৫জি (কার্বোফুরান জাতীয় দানাদার কীটনাশক) চুরির ঘটনায় নীলফামারীর স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক বরাবর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। দাখিলকৃত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ৯৩ হাজার প্যাকেট কীটনাশক জব্দ করে সৈয়দপুর বিসিক শিল্পনগরীর সাঈদ আহমেদ সানির গুদামে রাখা হয়েছিল। মালামালের দেখভালের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল বিসিক কর্মকর্তা মশিউর রহমানকে।
২০২৪ সালের ২৫ জুন মনোয়ার হোসেনের গুদাম থেকে জব্দকৃত এই নিষিদ্ধ কীটনাশক পরবর্তীতে রাতের আঁধারে বিক্রি করা হয়েছিল। ঘটনা ফাঁস হলে মামলা নম্বর ৪/২০২৫ দায়ের করা হয়। তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছিলেন নীলফামারীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এনামুল হক বসুনিয়া। তিনি দীর্ঘদিন গোপনে তদন্ত করে অভিযুক্তদের দায়ী করে প্রতিবেদন দাখিল করেন।
অভিযুক্তদের মধ্যে সৈয়দপুর থানার ওসি রেজাউল ইসলাম রেজা বলেছেন, তিনি ওই মালামাল জব্দের প্রায় দুই বছর আগে থানায় যোগদান করেছিলেন। তিনি নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি করেছেন। তবে অভিযুক্তরা আদালতে হাজির না হওয়ায় বিচারিক প্রক্রিয়া বিলম্বিত হচ্ছে।
"আমি সৈয়দপুর থানায় যোগদানের প্রায় দুই বছর আগে ওইসব মালামাল জব্দ করা হয়। তারপরেও আমাকে জড়িয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। আমি নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি করছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সৈয়দপুর, নীলফামারী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রেজাউল ইসলাম রেজা (ওসি), মনোয়ার হোসেন, মশিউর রহমান, এনামুল হক বসুনিয়া (ম্যাজিস্ট্রেট)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ জন অভিযুক্ত, ৯৩ হাজার প্যাকেট কীটনাশক, ৫জি কার্বোফুরান জাতীয় কীটনাশক
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!