📅 ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৫৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিএনপি নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ: সরকারের অধীনে মন খারাপ করার অধিকারও নেই, কথা বললে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাবে আইজিপি

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: তারেক রহমান তারেক রহমান
বিএনপি নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ: সরকারের অধীনে মন খারাপ করার অধিকারও নেই, কথা বললে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাবে আইজিপি

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, বর্তমান সরকারের অধীনে মন খারাপ করার অধিকারও নেই। তিনি উল্লেখ করেছেন, সরকারের সমালোচনা বা নিজের মত প্রকাশের জন্য মামলা, গ্রেফতার বা ক্রসফায়ারের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাজধানীর জিরো পয়েন্টে বিক্ষোভ সমাবেশের প্রস্তুতিতে লিফলেট বিতরণকালে সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, বর্তমান সরকারের অধীনে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে মন খারাপ করার অধিকারও নেই। পকেটে টাকা না থাকলেও মন খারাপ হওয়া কথা বললে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, সরকারের সমালোচনা বা নিজের মত প্রকাশের জন্য মামলা, গ্রেফতার বা ক্রসফায়ারের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
  • 📌 তিনি উল্লেখ করেছেন, তারেক রহমান নির্বাচনের আগে দ্বিমত প্রকাশের স্বাধীনতা প্রমোট করার কথা বলেছিলেন, কিন্তু বর্তমানে সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিলে মামলা, গ্রেফতার বা ক্রসফায়ারের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
  • 📌 আইজিপি আলী হোসেন ফকিরকে সমালোচনা করে হাসনাত বলেছেন, তিনি বিদেশ থেকে ফিরে এসেছেন এবং ক্ষমতার দ্বন্দ্বের কারণে সরকারের পক্ষপাতিত্ব করছেন।
  • 📌 তিনি পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের কর্মীদেরকে সতর্ক করেছেন, তাদের চাকরি সরকারের পক্ষপাতিত্বের উপর নির্ভর করে না, বরং সংবিধান ও বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তাদের দায়িত্ব রয়েছে।
  • 📌 ৩০ অক্টোবর তারিখে আইনশৃঙ্খলার অবনতি, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশের আহ্বান জানান হাসনাত।

📰 বিস্তারিত

হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, “এখন বক্তব্য কী দেব? বক্তব্য তো প্রত্যেক দিনই দিচ্ছি। এখন বক্তব্য দিলে মানুষ নিজের ওপর রাগ করলেও পুলিশ এসে ধরে নিয়ে যায়। মন খারাপ করার অধিকারও আপনার নেই। পকেটে টাকা নেই, মন খারাপ হয়েছে, এটাও আপনি বলতে পারবেন না। বললেও বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাবে।” তিনি উত্তর কোরিয়ার ভোটিং প্রক্রিয়া তুলে ধরেন এবং বলেন, “উত্তর কোরিয়ায় নিয়ম আছে, ভোট কাকে দেবেন? দাঁড়াবেন একজন, ভোট তাকেই দিতে হবে। ভোট দেওয়ার পরে এসে আবার হাততালি দিতে হবে এবং খুশি দেখাতে হবে। বলতে হবে, আমি অনেক খুশি। এখন পরিস্থিতি এমন তৈরি হচ্ছে আমাদের এই সরকারের আমলে, বিএনপি সরকারের আমলে, যে মন খারাপ করার অধিকারও আপনার নেই। পকেটে টাকা নেই, মন খারাপ হয়েছে, এটাও আপনি বলতে পারবেন না। বললেও বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাবে।”

তিনি সরকারের সমালোচনা ও মামলা দানের বিষয়ে বলেন, “এই সরকার এই আট মাসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকারের সমালোচনা করা এবং নিজের মত প্রকাশের জন্য মোট ৩০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে। অথচ তারেক রহমান নির্বাচনের আগে বলেছিলেন, তিনি দ্বিমত প্রকাশের স্বাধীনতাকে প্রমোট করেন। এটা মূলত ভোট আকর্ষণ করার কৌশল ছিল। কিন্তু আজ তিনি প্রমাণ করে দিচ্ছেন, তার মতের বিরুদ্ধে কেউ অবস্থান নিলে তাকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে মামলা দেওয়া হবে, জেলে ঢোকানো হবে। মামলা দিতে না পারলে আইজিপিকে দিয়ে ক্রসফায়ারের হুমকি দেওয়া হবে।”

আইজিপি আলী হোসেন ফকিরের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “আমরা যখন এর প্রতিবাদ করব, তখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসে বলবেন, আইজিপি কিছু বোঝেন না, সরল মানুষ। সরল বিশ্বাসে ভুল করে কথা বলে ফেলেছেন। কয়েক দিন পর তিনি ভুলে আরেকজনকে হত্যা করে ফেলবেন। তখন আবার বলা হবে, আইজিপি বুঝতে পারেননি, সরল বিশ্বাসে ভুল করে হত্যা করে ফেলেছেন। এখন এই সরল বিশ্বাসের লোককে নিয়ে আমরা কী করব? এই সরল বিশ্বাসের আইজিপি তো আমরা চাইনি।”

তিনি পুলিশের অবস্থান নিয়ে বলেন, “আমরা চেয়েছিলাম এমন একটি পুলিশ বাহিনী, যারা জনগণের পুলিশ হবে, আইনের ধারক হবে এবং আইন বাস্তবায়ন করবে। আওয়ামী লীগের আমলে দীর্ঘ সময় পুলিশকে লাঠিয়াল বাহিনী হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্তও পুলিশকে ব্যবহার করে বাহিনীটির মনোবল ভেঙে ফেলা হয়েছে। আমরা সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন চেয়েছিলাম। অথচ আজও সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি।”

পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের কর্মীদেরকে সতর্ক করে তিনি বলেন, “আপনাদের শিক্ষা হওয়া উচিত। দিন শেষে আপনারা কী পান? জুনিয়র অফিসার, কনস্টেবলরা কী পান? আপনাদের ব্যবহার করে কিছু কর্মকর্তা ক্ষমতা ও রাজনৈতিক সুবিধা ভোগ করেন। বেনজীর ও হারুনের মতো কর্মকর্তারা আপনাদের ব্যবহার করেছেন। রাজনৈতিক সংকট তৈরি হলে আপনাদেরই বিপদে পড়তে হবে। কনস্টেবল, এসআই ও জুনিয়র অফিসাররা, আপনারা দেশ থেকে পালাতে পারবেন না। যারা আপনাদের ব্যবহার করছেন, তারা পালিয়ে যেতে পারেন। আমরা শুনতে পাচ্ছি, আলী হোসেন ফকির অস্ট্রেলিয়ায় বাড়ি কেনা শুরু করেছেন। বিষয়টি তদন্ত হওয়া উচিত। আপনাদের চাকরি কোনো আইজিপির বক্তব্যের ওপর নির্ভর করে না। আপনাদের দায়িত্ব আরও মহান। সংবিধান, বাংলাদেশের মাটি, মানুষ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা আপনাদের কাজ। জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়ালে দিন শেষে বাংলাদেশে থাকা যায় না।”

"এখন বক্তব্য কী দেব? বক্তব্য তো প্রত্যেক দিনই দিচ্ছি। এখন বক্তব্য দিলে মানুষ নিজের ওপর রাগ করলেও পুলিশ এসে ধরে নিয়ে যায়। মন খারাপ করার অধিকারও আপনার নেই। পকেটে টাকা নেই, মন খারাপ হয়েছে, এটাও আপনি বলতে পারবেন না। বললেও বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জিরো পয়েন্ট, রাজধানী ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হাসনাত আব্দুল্লাহ (এনসিপি সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ জন (মামলা দেয়া), ৩০ অক্টোবর (বিক্ষোভ সমাবেশ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖