📌 জামায়াতের নেতৃত্বে ১১ দলের লংমার্চের উদ্দেশ্য নিয়ে বিএনপি প্রশ্ন তুলেছে। তারা গণতান্ত্রিক অধিকার হিসেবে দেখলেও সরকারি প্রতিক্রিয়া কমে গেছে। বিরোধী দলের কর্মসূচিকে উপেক্ষা করার প্রশ্ন উঠেছে রাজনৈতিক মহলে
বিএনপি বিরোধী দলের ১১-দলীয় লংমার্চের উদ্দেশ্য ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তারা গণতান্ত্রিক অধিকার হিসেবে এই কর্মসূচিকে দেখলেও সরকারি প্রতিক্রিয়া কমে গেছে বলে মনে করছে। জামায়াতের নেতৃত্বে শুরু হওয়া এই লংমার্চের প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি সংসদ ও রাজনৈতিক বক্তব্যে সীমিত থাকলেও বিরোধী দলের কর্মসূচিকে উপেক্ষা করার প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলে উঠেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিএনপি লংমার্চকে গণতান্ত্রিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে, কিন্তু সরকারি প্রতিক্রিয়া নেই বলে প্রশ্ন তুলেছে
- 📌 জামায়াতের নেতৃত্বে ১১ দলের লংমার্চের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রশ্ন তুলেছেন
- 📌 জ্বালানি সংকট, বিদ্যুৎ ঘাটতি ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির দাবিতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত লংমার্চ শুরু হয়েছিল
- 📌 বিএনপির মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, লংমার্চের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়
- 📌 জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন, সরকারি দলের পাল্টা কর্মসূচির ক্যাপাসিটি নেই
📰 বিস্তারিত
জামায়াতের নেতৃত্বে ১১ দলের ঐক্য জোটের লংমার্চের উদ্দেশ্য নিয়ে বিএনপি প্রশ্ন তুলেছে। বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতারা প্রথম আলোকে বলেছেন, তারা বিরোধী দলের এই কর্মসূচিকে বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন না। তবে সরকারের মনোযোগ দরকার এমন সমস্যার সমাধানে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত বলে তারা মনে করছেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘আমরা বিরোধী দলের লংমার্চ কর্মসূচিকে গণতান্ত্রিক চর্চার অংশ হিসেবে দেখছি। রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করার অধিকার সবার আছে। আমরা এটাকে সেভাবেই দেখছি, এর বেশি কিছু না।’ তবে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ বিএনপির এই অবস্থানকে সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘বিরোধী দলের কর্মসূচিকে গুরুত্ব না দিলে কি সংসদে প্রতিক্রিয়া দেয়? আমরা মনে করি, সরকারি দলের পাল্টা কর্মসূচি দেওয়ার ক্যাপাসিটি নেই, বিএনপির আগের সেই নৈতিক অবস্থানও নেই।’
৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত লংমার্চ শুরু হয়েছিল। আজ রংপুর অভিমুখে লংমার্চ চলছে। পর্যায়ক্রমে খুলনা ও সিলেটসহ অন্যান্য বিভাগীয় শহরেও এই কর্মসূচি করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। জ্বালানি তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের সমাধান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি ছিল লংমার্চের মূল উদ্দেশ্য।
বিরোধীদের পথসভায় জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান বলেছিলেন, ‘দেশে বিদ্যুৎ নেই, গ্যাস নেই, জ্বালানি তেল নেই। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। চারদিকে নাই আর নাই শব্দ। আমরা কারও চোখ রাঙানি সহ্য করব না। আমরা যেখানে বাধা পাব, সেখানে প্রতিরোধ গড়ে তুলব।’
"আমরা বিরোধী দলের লংমার্চ কর্মসূচিকে গণতান্ত্রিক চর্চার একটা অংশ হিসেবে দেখছি। রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করার অধিকার সবার আছে। আমরা এটাকে সেভাবেই দেখছি, এর বেশি কিছু না।"
"বিরোধী দলের কর্মসূচিকে গুরুত্ব না দিলে কি সংসদে প্রতিক্রিয়া দেয়? আমরা মনে করি, সরকারি দলের পাল্টা কর্মসূচি দেওয়ার ক্যাপাসিটি নেই, বিএনপির আগের সেই নৈতিক অবস্থানও নেই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম, রংপুর, খুলনা, সিলেট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রুহুল কবির রিজভী, হামিদুর রহমান আযাদ, শফিকুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ দল, ৫ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!