📌 বিএনপির প্রেসিডেন্ট ও সাবেক মন্ত্রী কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বলেছেন, বর্তমান সরকার হাসিনার সরকার। ক্ষমতা হারিয়ে বিএনপির কর্মীদের ঘরে ঘরে কান্নার রোল শুরু হয়েছে। ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-রংপুর লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে তিনি এই দাবি তুলেছেন
বিএনপির প্রেসিডেন্ট ও সাবেক মন্ত্রী কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রম বর্তমান সরকারকে ‘হাসিনার সরকার’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তিনি বলেছেন, ক্ষমতা হারিয়ে বিএনপির কর্মীদের ঘরে ঘরে কান্নার রোল শুরু হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-রংপুর লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে তিনি এই মন্তব্য করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বলেছেন, ‘এ সরকার বিএনপির সরকার নয়, হাসিনার সরকার’
- 📌 তিনি দাবি করেছেন, ক্ষমতা হারিয়ে বিএনপির কর্মীদের ঘরে ঘরে কান্নার রোল শুরু হয়েছে
- 📌 ‘চাঁদাবাজি বন্ধ হয়ে যাবে, সন্ত্রাস বন্ধ হয়ে যাবে, মাস্তানি বন্ধ হয়ে যাবে’ — অলি আহমেদ
- 📌 ‘রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ক্রুশ্চেভের মা কান্নাকাটি করেছিল ক্ষমতা হারানোর ভয়ে’ — উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ
- 📌 বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক: ‘গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করলে ইতিহাসে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে চিহ্নিত হবে’
- 📌 জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার: ‘জুলাই সনদ ও গণভোটের প্রতারণা কোটি মানুষের কাছে তুলে ধরতে লংমার্চ চলছে’
- 📌 ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম: ‘বিএনপি সরকার মাত্র সাত মাসে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে’
📰 বিস্তারিত
১৯ সেপ্টেম্বর সকালে ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে অনুষ্ঠিত ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-রংপুর লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রম বলেছেন, বর্তমান সরকারের প্রকৃত পরিচয় হাসিনার সরকার। তিনি বলেছেন, ‘একসময় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ক্রুশ্চেভের মা যখন তার ক্ষমতা হারানোর ভয়ে কান্নাকাটি শুরু করেছিলেন, তখন সবাই জিজ্ঞাসা করেছিল যে, পৃথিবীর এত বড় নেতার মা কেন কাঁদছেন? মা জবাব দিয়েছিলেন, ‘ওর ক্ষমতা চলে গেলে আমাদের কী অবস্থা হবে?’ এই মার্বেলের বাড়ি, বড় বড় গাড়ি আর ভালো খাবার আমরা আর কোথায় পাবো?’ তিনি বলেন, ক্ষমতা হারিয়ে বিএনপির কর্মীদের ঘরে ঘরে কান্নার রোল শুরু হয়েছে।
অলি আহমেদ আরও বলেছেন, ‘চাঁদাবাজি বন্ধ হয়ে যাবে, সন্ত্রাস বন্ধ হয়ে যাবে, মাস্তানি বন্ধ হয়ে যাবে। তারেকের যে সরকার এটা বিএনপির সরকার না, এটা হলো হাসিনার সরকার। তারেককেও সাবধান হতে হবে, দেশবাসীকেও সাবধান হতে হবে।’ তিনি লংমার্চের উদ্দেশ্য হিসেবে বলেছেন, ‘আমরা এই রোড মার্চ করছি শুধু দেশকে সঠিক পথে আনার জন্য, কোনো ক্ষমতার লোভে নয়, ব্যক্তিগত কোনো লোভে নয়।’
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক বলেছেন, ‘গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন করতে হবে। রায় বাস্তবায়ন না করলে ইতিহাসে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে চিহ্নিত হবে।’ তিনি বলেন, ‘আমরা বর্তমান সরকারকে সতর্ক করার জন্য এই কর্মসূচিতে নাম নেয়েছি। আমাদের আন্দোলনের দ্বিতীয় পর্ব চলছে।’
জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে যে প্রতারণা ও বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, তা কোটি কোটি মানুষের কাছে তুলে ধরতেই তারা এই লংমার্চ করছেন।’
ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম বলেছেন, ‘বিএনপি সরকার মাত্র সাত মাসের ব্যবধানে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সরকার জুলাই সনদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। ক্যাম্পাসগুলো অস্থিতিশীল করছে।’
"এ সরকার বিএনপির সরকার না, হাসিনার সরকার। আমরা দেশকে সঠিক পথে আনার জন্যই লংমার্চ করছি। কোনো মুনাফেকের কথায় আপনারা বিপথগামী হবেন না।"
"গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন করতে হবে। রায় বাস্তবায়ন না করলে ইতিহাসে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে চিহ্নিত হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ), রংপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রম, মামুনুল হক, মিয়া গোলাম পরওয়ার, নুরুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ দলীয়, ১৯ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!