📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:০৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিএনপির সরোয়ারের সংসদ সদস্য হিসেবে কাজ চালিয়ে যেতে বাধা নেই: আপিল বিভাগ জামায়াতের সিএমপি বাদ — প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী

বিএনপির সরোয়ারের সংসদ সদস্য হিসেবে কাজ চালিয়ে যেতে বাধা নেই: আপিল বিভাগ জামায়াতের সিএমপি বাদ — প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী

📷 ছবি: দেশজোগ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 আপিল বিভাগ (CJ জুবায়ের রহমান চৌধুরী) জামায়াতের নুরুল আমিনের সিএমপি কার্যতালিকা থেকে বাদ — সরোয়ারের আইনজীবী আহসানুল করিম, জামায়াতের শিশির মনির/আজিম পাটোয়ারী, এজি রুহুল কুদ্দুস কাজল। সময়রেখা: ২ জান মনোনয়ন → ১৮ জান ইসি বাতিল → ২৭ জান হাইকোর্ট রুল → ৩ ফেব আপিল লিভ → ১২ ফেব নির্বাচন → ৯ জুলাই হাইকোর্ট রায় + গেজেট + শপথ → ১২ জুলাই আপিলে আবেদন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার রায় স্থগিত চেয়ে করা আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন আপিল বিভাগ — প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগ বুধবার এ আদেশ দেন। একই আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিনের করা এই আবেদনে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে যোগ দেওয়া থেকে সরোয়ারকে বিরত রাখার আরজিও ছিল — আদেশের ফলে সংসদ সদস্য হিসেবে সরোয়ারের কাজ চালিয়ে যেতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তাঁর জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম।

🔴 মূল পয়েন্ত

  • আদেশ: আপিল বিভাগ (প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন ৪ সদস্যের বেঞ্চ) — জামায়াতের প্রার্থী নুরুল আমিনের সিএমপি (স্থগিতাদেশ চেয়ে আবেদন) কার্যতালিকা থেকে বাদ।
  • সরোয়ারের আইনজীবী আহসানুল করিম: "হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়েছে — সিএমপি থাকতে পারে না, আবেদন বাদ দেওয়া হয়েছে; অ্যাডভার্স কোনো আদেশ নেই, তাই সংসদ সদস্য হিসেবে কাজ চালিয়ে যেতে বাধা নেই।"
  • নুরুলের আইনজীবী আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী: হাইকোর্টের রায়ের প্রত্যয়িত অনুলিপির জন্য আবেদন করা হয়েছে — রায় পাওয়ার সাথে সাথে নিয়মিত লিভ টু আপিল দায়ের করা হবে।
  • সময়রেখা: ২ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র গ্রহণ → ১৮ জানুয়ারি ইসি প্রার্থিতা বাতিল (ঋণখেলাপি অভিযোগ) → ২৭ জানুয়ারি হাইকোর্ট রুল + নির্বাচনে অংশগ্রহণের অনুমতি → ৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ লিভ টু আপিল মঞ্জুর → ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন → ৯ জুলাই হাইকোর্ট রায় (ইসির সিদ্ধান্ত অবৈধ) → ৯ জুলাই গেজেট + শপথ → ১২ জুলাই আপিল বিভাগে আবেদন।
  • আদালতে উপস্থিত: জামায়াতের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির ও আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী; সরোয়ারের পক্ষে আহসানুল করিম ও এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন; অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার রায় স্থগিত চেয়ে করা আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন আপিল বিভাগ — প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগ আজ বুধবার এ আদেশ দেন। একই আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিনের করা এই আবেদনে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে যোগ দেওয়া থেকে সরোয়ারকে বিরত রাখার আরজিও ছিল। আপিল বিভাগের আদেশের ফলে সংসদ সদস্য হিসেবে সরোয়ারের কাজ চালিয়ে যেতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তাঁর জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম — তিনি প্রথম আলোকে বলেন, "হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়েছে তাই সিএমপি থাকতে পারে না — আবেদনটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন আদালত। আবেদনকারী চাইলে লিভ টু আপিল করতে পারেন — যেহেতু অ্যাডভার্স কোনো আদেশ নেই, তাই সংসদ সদস্য হিসেবে সরোয়ারের কাজ চালিয়ে যেতে বাধা নেই।"

তবে জামায়াতের প্রার্থী নুরুলের অন্যতম আইনজীবী আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী প্রথম আলোকে বলেন, হাইকোর্টের রায়ের প্রত্যয়িত অনুলিপির জন্য আবেদন করা হয়েছে — রায় পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিয়মিত লিভ টু আপিল দায়ের করা হবে। আদালতে জামায়াতের প্রার্থীর পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির ও আইনজীবী আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী এবং সরোয়ারের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম ও এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন — উপস্থিত ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।

নথিপত্র থেকে জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী সরোয়ারের দাখিল করা মনোনয়নপত্র গত ২ জানুয়ারি রিটার্নিং কর্মকর্তা গ্রহণ করেন — এ নিয়ে ইসিতে আপিল করেন আসনটির জামায়াতের প্রার্থী নুরুল, ঋণখেলাপির অভিযোগ এনে তিনি এ আপিল করেন। আপিল মঞ্জুর করে সরোয়ারের মনোনয়নপত্র গ্রহণের রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্ত বাতিল করে গত ১৮ জানুয়ারি রায় দেয় ইসি — অর্থাৎ নির্বাচন কমিশনে চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী সারোয়ারের প্রার্থিতা বাতিল হয়। এ নিয়ে নির্বাচনের আগে হাইকোর্টে রিট করেন সরোয়ার — প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত ২৭ জানুয়ারি হাইকোর্ট রুল দিয়ে সরোয়ারকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের অনুমতি দিতে এবং 'ধানের শীষ' প্রতীক বরাদ্দ দিতে নির্দেশ দেন। হাইকোর্টের এই আদেশের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেন জামায়াতের প্রার্থী নুরুল — লিভ টু আপিল মঞ্জুর করে গত ৩ ফেব্রুয়ারি আদেশ দেন আপিল বিভাগ। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় গত ১২ ফেব্রুয়ারি — নির্বাচনে তাঁর ফলাফল প্রকাশ সর্বোচ্চ আদালতের সিদ্ধান্তে স্থগিত ছিল। সরোয়ারের করা রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে ৯ জুলাই রায় দেন হাইকোর্ট — রায়ে তাঁর প্রার্থিতা বাতিলের ইসির সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষিত হয় এবং হাইকোর্টের রায়ের পর চট্টগ্রাম-২ আসনে সরোয়ারকে বিজয়ী ঘোষণা করে ৯ জুলাই গেজেট প্রকাশ করে ইসি সচিবালয় — সেদিন সন্ধ্যায় সরোয়ার সংসদ সদস্যের শপথ নেন। এ অবস্থায় হাইকোর্টের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে জামায়াতের প্রার্থী নুরুল ১২ জুলাই আপিল বিভাগে আবেদন করেন — চেম্বার আদালত হয়ে আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে আবেদনটি শুনানির জন্য ওঠে।

যাচাই অবস্থা: ✓ যাচাইকৃত (নির্ভরতা স্কোর: 90%)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖