📅 ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৬:৩৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বাংলাদেশের সংবিধান: স্বপ্নের দর্শন ও বাস্তবের কেন্দ্রীভূত ক্ষমতা

বাংলাদেশের সংবিধান: স্বপ্নের দর্শন ও বাস্তবের কেন্দ্রীভূত ক্ষমতা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশের সংবিধান মুক্তিযুদ্ধের ফলস্বরূপ ১৯৭২ সালে গৃহীত হলেও এর দর্শন ও কার্যপ্রক্রণায় বিরোধপূর্ণ বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা যায়। একদিকে এটি মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষা ও দর্শনকে প্রতিফলিত করে, অন্যদিকে ক্ষমতা এক ব্যক্তির হাতে কেন্দ্রীভূত করে জনগণকে ক্ষমতাহীন করে তোলে। সংবিধান প্রণয়নের সময় এই বিরোধের কথা উঠেছিল। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে সংস্কারের মৌসুম চলছে, বাংলাদেশের মতো নেপাল ও শ্রীলঙ্কা সরকারও পরিবর্তিত হয়েছে

বাংলাদেশের সংবিধান মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক ফলস্বরূপ ১৯৭২ সালে গৃহীত হলেও এর মধ্যে দর্শন ও কার্যপ্রক্রণায় একটি গভীর বিরোধপূর্ণ দ্বন্দ্ব লুকিয়ে আছে। একদিকে এটি মুক্তিযুদ্ধের প্রতিফলন হিসেবে গণ্য হয়, অন্যদিকে এটি জনগণের ক্ষমতাকে কেন্দ্রীভূত করে এক ব্যক্তির হাতে সীমাবদ্ধ করে রাখে। এই দ্বন্দ্বের কথা সংবিধান প্রণয়নের সময়ই উঠেছিল এবং বর্তমানে রাজনৈতিক মাঠে এটি প্রধান প্রশ্ন হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বাংলাদেশের সংবিধান মুক্তিযুদ্ধের ফলস্বরূপ ১৯৬০-এর দশকের রাজনৈতিক সংগ্রামের প্রতিফলন বহন করে, কিন্তু এর কার্যপ্রক্রণায় জনগণকে ক্ষমতাহীন করে এক ব্যক্তির হাতে ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করেছে
  • 📌 গণপরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশের ১৯৭২ সালের সংবিধান পাকিস্তানের ১৯৬২ সালের সংবিধানের মতোই প্রধানমন্ত্রীকে কেন্দ্র করে রচিত হয়েছে, যেখানে ক্ষমতা এক ব্যক্তির হাতে কেন্দ্রীভূত
  • 📌 সংবিধান প্রণয়নের সময় গণপরিষদের সদস্য মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা বলেছিলেন, ‘এক হাতে অধিকার দেওয়া হয়েছে এবং অন্য হাতে সেটা কেড়ে নেওয়া হয়েছে’
  • 📌 বর্তমানে বিশ্বজুড়েই সংস্কারের মৌসুম চলছে — শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশের মতো নেপালেও সরকার পরিবর্তিত হয়েছে, ভারতের তরুণরা রাজপথে নেমেছে, ইউরোপ জুড়ে বিক্ষোভ চলছে

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশের সংবিধান মুক্তিযুদ্ধের ফলস্বরূপ ১৯৭২ সালে গৃহীত হলেও এর মধ্যে একটি বিরোধপূর্ণ দ্বন্দ্ব লুকিয়ে আছে। একদিকে এটি মুক্তিযুদ্ধের দর্শন ও আকাঙ্ক্ষাকে প্রতিফলিত করে, অন্যদিকে কার্যপ্রক্রণায় জনগণকে ক্ষমতাহীন করে এক ব্যক্তির হাতে ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করেছে। এই দ্বন্দ্বের কথা সংবিধান প্রণয়নের সময়ই উঠেছিল। গণপরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত উল্লেখ করেছেন যে, বাংলাদেশের সংবিধান পাকিস্তানের ১৯৬২ সালের সংবিধানের মতোই রচিত হয়েছে, যেখানে ক্ষমতা এক ব্যক্তির হাতে কেন্দ্রীভূত। তিনি বলেছিলেন, ‘পাকিস্তানের ১৯৬২ সালের সংবিধানে আইয়ুব খানকে কেন্দ্র করে যেভাবে যা রচিত হয়েছিল, ঠিক আজকে আমাদের ১৯৭২ সালের বাংলাদেশের সংবিধানে প্রধানমন্ত্রীকে কেন্দ্র করে সেইভাবে তাই রচনা করা হয়েছে’।

সংবিধান প্রণয়নের সময় গণপরিষদের সদস্য মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা এই দ্বন্দ্বের কথা তুলে ধরেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘এক হাতে অধিকার দেওয়া হয়েছে এবং অন্য হাতে সেটা কেড়ে নেওয়া হয়েছে’। এই বিরোধের কথা বহু দশক পর বর্তমান রাজনৈতিক মাঠে প্রধান প্রশ্ন হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। বর্তমানে বিশ্বজুড়েই সংস্কারের মৌসুম চলছে। শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশের মতো নেপালেও সরকার পরিবর্তিত হয়েছে। ভারতের তরুণেরা বহু দশক পর রাজপথে নেমে বিক্ষোভ করেছে। এরপর ইউরোপ জুড়ে বিক্ষোভের ঢেউ উঠেছে।

বিশ্বজুড়ে এই সংস্কারের মৌসুমে বাংলাদেশের সংবিধানের এই দ্বন্দ্বের কথা আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। সংবিধানের দর্শন ও কার্যপ্রক্রণার মধ্যে এই বিরোধ কীভাবে সমাধান করা যায়, তা বর্তমানে রাজনৈতিক আলোচনার প্রধান বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

“পাকিস্তানের ১৯৬২ সালের সংবিধানে আইয়ুব খানকে কেন্দ্র করে যেভাবে যা রচিত হয়েছিল, ঠিক আজকে আমাদের ১৯৭২ সালের বাংলাদেশের সংবিধানে প্রধানমন্ত্রীকে কেন্দ্র করে সেইভাবে তাই রচনা করা হয়েছে।”

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভারত, ইউরোপ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গণপরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ (পৃথিবীজুড়েই সংস্কারের মৌসুম চলছে)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖