📌 বঙ্গবন্ধু ট্রাস্টের নামে ২৭৬ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা ও এক্সিম ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলা দায়ের। ৪১ ব্যাংকের সিএসআর ফান্ড থেকে অবৈধভাবে অর্থ উত্তোলনের অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে।
ঢাকা, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬: বঙ্গবন্ধু ট্রাস্টের নামে ২৭৬ কোটি টাকার অধিক অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা এবং এক্সিম ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলা দায়ের করা হয়েছে। দুদকের সচিব মো. সাইদুর রহমান খান বৃহস্পতিবার সংস্থার কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বঙ্গবন্ধু ট্রাস্ট গঠনে শেখ হাসিনাকে আজীবন সভাপতি এবং শেখ রেহানাকে সহসভাপতি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়
- 📌 ৪১টি তফসিলি ব্যাংকের সিএসআর ফান্ড থেকে অবৈধভাবে ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা উত্তোলনের অভিযোগ
- 📌 এক্সিম ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার বিএবির নির্বাহী কমিটির বৈঠকে বিষয়টি উত্থাপন করে অর্থ আদায়ে চাপ সৃষ্টি করেন
- 📌 আসামিরা কোনো সামাজিক কর্মসূচি পরিচালনা না করেই অর্থ আত্মসাৎ করেন বলে দুদকের অভিযোগ
📰 বিস্তারিত
বঙ্গবন্ধু ট্রাস্টের নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা এবং এক্সিম ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদারের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা দায়ের করা হয়েছে। দুদকের সচিব মো. সাইদুর রহমান খান জানান, ট্রাস্টটি মোহাম্মদপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের ৩০৪১ নম্বর দলিলের মাধ্যমে গঠিত হয়। দলিল অনুযায়ী, ট্রাস্টটির আজীবন সভাপতি হিসেবে শেখ হাসিনাকে এবং তার অনুপস্থিতিতে সহসভাপতি শেখ রেহানাকে সভাপতির দায়িত্ব পালনের বিধান রাখা হয়।
তবে অনুসন্ধানে উঠে আসে যে, ট্রাস্টটির কোনো অনুমোদন না থাকা সত্ত্বেও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ৪১টি তফসিলি ব্যাংকের সিএসআর ফান্ড থেকে অবৈধভাবে ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। দুদক জানায়, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) নির্বাহী কমিটির বৈঠকে বিষয়টি আলোচ্যসূচিতে না থাকা সত্ত্বেও নজরুল ইসলাম মজুমদার বিষয়টি উত্থাপন করেন এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন ব্যাংকে চিঠি পাঠিয়ে অর্থ প্রদানে চাপ সৃষ্টি করেন।
দুদকের অভিযোগ, আসামিরা পরস্পরের যোগসাজশে এবং অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে কোনো সামাজিক বা প্রতিশ্রুতিশীল কার্যক্রম পরিচালনা না করেই এ অর্থ সংগ্রহ করেন। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯ ও ১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
"ট্রাস্ট গঠনের ক্ষেত্রে কোনো অনুমোদন ছিল না। ক্ষমতার অপব্যবহার করে ব্যাংকগুলো থেকে অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। আসামিরা সামাজিক কর্মসূচি পরিচালনা না করেই অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা, নজরুল ইসলাম মজুমদার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা, ৪১টি ব্যাংক
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!