📅 ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নারীর সম্পত্তিতে সমান অধিকার প্রতিষ্ঠায় সিডও ধারা প্রত্যাহারের দাবি উঠল রাজধানীতে

নারীর সম্পত্তিতে সমান অধিকার প্রতিষ্ঠায় সিডও ধারা প্রত্যাহারের দাবি উঠল রাজধানীতে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নারীর সম্পত্তিতে সমান অধিকার প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের সিডও সনদের দুটি ধারার সংরক্ষণ প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে। রাজধানীতে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় বক্তারা অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেন। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামও অংশগ্রহণ করেন

নারীর প্রতি বৈষম্য দূর করতে জাতিসংঘের সিডও সনদের ধারা-২ এবং ধারা-১৬(১)(গ) থেকে বাংলাদেশের সংরক্ষণ প্রত্যাহার করে সম্পত্তিতে নারীর সমান অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছেন নারী অধিকারকর্মী ও বিশিষ্টজনরা। তাঁরা বলেন, অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী না হলে নারীর পূর্ণাঙ্গ নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জাতিসংঘের সিডও সনদের ধারা-২ ও ধারা-১৬(১)(গ) থেকে বাংলাদেশ ৪২ বছর ধরে সংরক্ষণ রেখেছে
  • 📌 সম্পত্তিতে নারীর সমান অধিকার প্রতিষ্ঠায় রাজধানীতে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় দাবি উঠেছে
  • 📌 অর্থনীতিতে নারীর অবদান থাকলেও উত্তরাধিকার ও পারিবারিক সম্পত্তি বণ্টনে বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন তাঁরা
  • 📌 মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম

📰 বিস্তারিত

নারীর প্রতি বৈষম্য দূর করতে জাতিসংঘের সিডও সনদের দুটি ধারার সংরক্ষণ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন নারী অধিকারকর্মী ও বিশিষ্টজনরা। তাঁরা বলেন, অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী না হলে নারীর পূর্ণাঙ্গ নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা কঠিন। সিডও দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এ দাবি উঠে আসে। সভার শিরোনাম ছিল, ‘সিডও সনদের ধারা-২ এবং ধারা-১৬, ১(গ) থেকে সংরক্ষণ প্রত্যাহার কর; নারীর নাগরিক অধিকার সুরক্ষায় সম্পদ-সম্পত্তিতে সমান অধিকার নিশ্চিত কর’।

সভায় বক্তারা জানান, সিডও সনদের ২ নম্বর ধারায় নারীর প্রতি বৈষম্য দূর করতে আইন ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে ১৬(১)(গ) ধারায় বিয়ে ও বিবাহবিচ্ছেদের ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের সমান অধিকার ও দায়িত্বের কথা উল্লেখ রয়েছে। বাংলাদেশ ৪২ বছর ধরে এ দুটি ধারায় সংরক্ষণ রেখে দিয়েছে।

মূল প্রবন্ধে বলা হয়, অর্থনীতিতে নারীর বড় অবদান থাকলেও উত্তরাধিকার ও পারিবারিক সম্পত্তি বণ্টনে তাঁরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। সম্পত্তিতে অধিকার নারীর অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও সামাজিক মর্যাদা বাড়ায় বলে উল্লেখ করেন বক্তারা।

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেন, সরকার ও নাগরিক সমাজের গঠনমূলক অংশীদারত্ব সিডও বাস্তবায়নকে শক্তিশালী করতে পারে। নারীর উন্নয়ন তখনই অর্থবহ হবে, যখন তাঁরা নিরাপদে বাঁচতে ও দ্রুত বিচার পেতে পারবেন।

অনুষ্ঠানে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, শুধু সিডওর ধারার পক্ষে-বিপক্ষে অবস্থান নিলে হবে না। ভিন্নমতের মানুষের সঙ্গে সংলাপ জরুরি। নারী সংস্কার কমিশনের অনেক সুপারিশও শেষ পর্যন্ত এগোয়নি।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে মহিলা পরিষদের সভাপতি ফওজিয়া মোসলেম বলেন, জাতীয় সংসদে বৈষম্যবিরোধী আইন পাস হলে সিডওর ওই দুই ধারায় সংরক্ষণ রাখার প্রয়োজন থাকবে না। সভায় নারী অধিকারকর্মীরা রাজনৈতিক সদিচ্ছা, আইনি সুরক্ষা ও বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন।

"সরকার ও নাগরিক সমাজের গঠনমূলক অংশীদারত্ব সিডও বাস্তবায়নকে শক্তিশালী করতে পারে। নারীর উন্নয়ন তখনই অর্থবহ হবে, যখন তাঁরা নিরাপদে বাঁচতে ও দ্রুত বিচার পেতে পারবেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তন, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শামা ওবায়েদ ইসলাম, ফওজিয়া মোসলেম, দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২, ১৬(১)(গ), ৪২

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖