📌 নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় কওমি মাদ্রাসার এক শিক্ষককে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত শিক্ষক রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী ছাত্রের মা। ঘটনায় উত্তেজিত জনতা শিক্ষককে মারধর করলে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় অবস্থিত একটি কওমি মাদ্রাসার ১৭ বছর বয়সী এক ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার রাতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ভুক্তভোগীর মায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম রফিকুল ইসলাম (২৮), যার বাড়ি মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলায়। তিনি ফতুল্লার ওই মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করতেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফতুল্লার কওমি মাদ্রাসায় ১৭ বছর বয়সী এক ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার
- 📌 ভুক্তভোগীর মা মামলা করার পর পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করে
- 📌 ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা শিক্ষককে মারধর করলে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে ৯৯৯ নম্বরে কলের মাধ্যমে
- 📌 অভিযুক্ত শিক্ষক এর আগেও ওই ছাত্রকে যৌন নিপীড়ন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে
📰 বিস্তারিত
গত ৩১ আগস্ট রাতে মাদ্রাসার শৌচাগারে আটকে রেখে গামছা দিয়ে মুখ বেঁধে ওই ছাত্রকে ধর্ষণ করা হয়। এরপর অসুস্থ হয়ে পড়লে অভিভাবকেরা তাকে বাড়িতে নিয়ে যান। ছেলের অসুস্থতার কারণ জানতে চাইলে সে তার মাকে যৌন নিপীড়নের ঘটনা জানায়। ঘটনার পর মাদ্রাসার সামনে ভুক্তভোগী ছাত্রের পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী বিক্ষোভ শুরু করেন। উত্তেজিত জনতা অভিযুক্ত শিক্ষককে মারধর করলে তারা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল দেন। ফতুল্লা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে শিক্ষককে উদ্ধার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
মামলার এজাহারের বরাত দিয়ে ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন জানান, এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে যে অভিযুক্ত শিক্ষক এর আগেও ওই ছাত্রকে যৌন নিপীড়ন করেছেন। তিনি আরও বলেন, আগামী শনিবার ভুক্তভোগী ছাত্রকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হবে। ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মফিজুর রহমান জানান, অভিযুক্ত শিক্ষককে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
"মামলার তদন্ত চলছে। ভুক্তভোগী ছাত্রের শারীরিক পরীক্ষা করা হবে। অভিযুক্ত শিক্ষককে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রফিকুল ইসলাম (অভিযুক্ত শিক্ষক), ভুক্তভোগী ছাত্র
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ (ছাত্রের বয়স), ২৮ (অভিযুক্ত শিক্ষকের বয়স), ৩১ (আগস্ট), ৯৯৯ (জরুরি সেবা নম্বর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!