📌 জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলের ঐক্য সংবিধান সংশোধন বিশেষ কমিটির উদ্যোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি তুলে ধরেছেন এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছেন
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলের ঐক্য সরকারের সংবিধান সংশোধন বিশেষ কমিটির উদ্যোগকে প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি তুলে ধরেছেন এবং সংবিধানের মৌলিক কাঠামো পরিবর্তনের উদ্যোগকে আইনত অপ্রবল ঘোষণা করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলের ঐক্য সংবিধান সংশোধন বিশেষ কমিটির উদ্যোগ প্রত্যাখ্যান করেছে এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি তুলে ধরেছে
- 📌 জুলাই সনদে সই করা ২৬টি দলের মধ্যে ১১ দলের ঐক্য সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে এমপিদের শপথ নেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার দাবি জানিয়েছে
- 📌 জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, সংবিধানের মৌলিক কাঠামো পরিবর্তন সাধারণ সংশোধনী-ক্ষমতার মাধ্যমে করা যায় না
- 📌 সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়া এমপিরা সংসদ সদস্যের শপথের থেকে আলাদা আইনগত পরিচয় ও দায়িত্ব বহন করে
- 📌 ১১ দলের ঐক্য সরকারকে একতরফাভাবে সংবিধানের মৌলিক কাঠামো পরিবর্তন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে
📰 বিস্তারিত
রোববার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এই অবস্থান ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, বিএনপি কর্তৃক গণভোটের গণরায় উপেক্ষা করে সংসদে গঠিত সংবিধান সংশোধন বিশেষ কমিটির কার্যক্রম প্রত্যাখ্যান করেছে ১১ দলের ঐক্য।
মিয়া গোলাম পরওয়ার জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা, জুলাই জাতীয় সনদ এবং গণভোটে প্রকাশিত জনগণের রায়ের প্রতি সম্মান দেখানোই বর্তমান সাংবিধানিক মতপার্থক্য নিরসনের গণতান্ত্রিক পথ। তিনি বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের দুটি শপথ নেওয়ার কথা ছিল। এমপি হিসেবে এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে। কিন্তু নির্বাচনের পর বিরোধী দলের এমপিরা দুটি শপথ নিয়েছেন, কিন্তু বিএনপির এমপিরা শুধু সংসদ সদস্যের শপথ নিয়েছেন।
মিয়া গোলাম পরওয়ার সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদের উল্লেখ করে বলেন, জাতীয় সংসদকে সংবিধান সংশোধনের ক্ষমতা দিলেও তা সীমাহীন নয়। সর্বোচ্চ আদালতের বিভিন্ন রায় অনুযায়ী সংবিধানের মৌলিক কাঠামো পরিবর্তন সাধারণ সংশোধনী-ক্ষমতার মাধ্যমে করা যায় না। তিনি বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠতা দ্বারা সংশোধনী আনা হয়েছে কি না, সেটি মৌলিক প্রশ্ন নয়। প্রশ্ন হলো, যে ক্ষমতা প্রয়োগ করা হচ্ছে, সেই ক্ষমতার উৎস কী এবং জনগণ কোন প্রক্রিয়ায় সেই ম্যান্ডেট দিয়েছে।
১১ দলের ঐক্য তিনটি দাবি জানিয়েছে: গণভোটের রায় যথাযথভাবে বাস্তবায়ন, জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটে অনুমোদিত সাংবিধানিক সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্ধারিত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পরিষদ কার্যকর করা।
"সংবিধানের মৌলিক কাঠামো পরিবর্তন সাধারণ সংশোধনী-ক্ষমতার মাধ্যমে করা যায় না। জনগণের গাঠনিক ক্ষমতা ছাড়া সংবিধানের মৌলিক কাঠামো পরিবর্তনের এখতিয়ার নেই।"
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের ঐক্যের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব জালালুদ্দিন আহমদ এবং লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বিল্লাল হোসেন মিয়াজি।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিয়া গোলাম পরওয়ার (জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ দলের ঐক্য, ২৬টি দল ও জোট, সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!