📌 ১১ দলীয় ঐক্য জোট গণভোটে জনগণের দেওয়া ম্যান্ডেটকে পাশ কাটিয়ে সাংসদীয় বিশেষ কমিটির মাধ্যমে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগকে নাকচ করে দিয়েছে। তারা দাবি করেছে, গণভোটে অনুমোদিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করা উচিত ছিল
১১ দলীয় ঐক্য জোট গণভোটে জনগণের সরাসরি দেওয়া ম্যান্ডেটকে পাশ কাটিয়ে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগকে তীব্রভাবে নিন্দা করেছে। তারা দাবি করেছে, সংবিধান সংশোধনের জন্য সাংসদীয় বিশেষ কমিটি গঠন করা হচ্ছে না বরং গণভোটে অনুমোদিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করা উচিত ছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০ সেপ্টেম্বর ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবে ১১ দলীয় ঐক্য সংবাদ সম্মেলনে গণভোটের ম্যান্ডেটকে পাশ কাটিয়ে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগকে নাকচ করে দিয়েছে।
- 📌 গণভোটে ৬৮.৫৯ শতাংশ ‘হ্যাঁ’ ভোট পাওয়ার পরও সরকার সংবিধান সংশোধন বিশেষ কমিটি গঠন করেছে, যা জনগণের সরাসরি অনুমোদিত প্রক্রিয়া নয় বলে দাবি করেছে জোটটি।
- 📌 জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের লিখিত বক্তব্যে বলা হয়েছে, গণভোটে জনগণ শুধু সংস্কার প্রস্তাবের সমর্থন জানাননি, বরং সংস্কার বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া ও প্রতিষ্ঠানকেও অনুমোদন দিয়েছেন।
- 📌 জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে সাংসদীয় বিশেষ কমিটির মাধ্যমে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগকে জনগণের ম্যান্ডেটের বিরুদ্ধে বলে অভিযোগ করেছে জোট।
- 📌 সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে সংসদকে সংবিধান সংশোধনের ক্ষমতা থাকলেও, মৌলিক কাঠামো পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ আদালতের রায় বিবেচনা করতে হবে বলে দাবি করেছে জোট।
- 📌 জোটের দাবি, সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করে গণভোটে অনুমোদিত সংস্কার বাস্তবায়ন করা উচিত ছিল।
📰 বিস্তারিত
২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোটে জনগণ জুলাই জাতীয় সনদে অন্তর্ভুক্ত সাংবিধানিক সংস্কার প্রস্তাবের সমর্থন জানিয়েছিলেন। গণভোটে ৬৮.৫৯ শতাংশ ‘হ্যাঁ’ ভোট পাওয়ার পরও সরকার সংবিধান সংশোধন বিশেষ কমিটি গঠন করেছে। তবে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের নেতারা বলেছেন, গণভোটের মাধ্যমে জনগণ শুধু সংস্কার প্রস্তাবের সমর্থন জানাননি, বরং সংস্কার বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া ও প্রতিষ্ঠানকেও অনুমোদন দিয়েছেন।
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের লিখিত বক্তব্যে বলা হয়েছে, সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে সাংসদীয় বিশেষ কমিটির মাধ্যমে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এতে জনগণের সরাসরি দেওয়া ম্যান্ডেটকে পাশ কাটানো হচ্ছে বলে দাবি করেছে জোট। তারা আরও বলেছেন, সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে সংসদকে সংবিধান সংশোধনের ক্ষমতা থাকলেও, মৌলিক কাঠামো পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ আদালতের রায় বিবেচনা করতে হবে।
জোটের দাবি, সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করে গণভোটে অনুমোদিত সংস্কার বাস্তবায়ন করা উচিত ছিল। তারা দাবি করেছেন, নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করা উচিত ছিল। জোটের পক্ষ থেকে গণভোটে জনগণের দেওয়া রায় যথাযথভাবে বাস্তবায়ন এবং গণভোটে অনুমোদিত প্রক্রিয়াকে পাশ কাটিয়ে সাংসদীয় বিশেষ কমিটির মাধ্যমে মৌলিক সাংবিধানিক সংস্কারের উদ্যোগ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
"গণভোটের মাধ্যমে জনগণ শুধু সংস্কার প্রস্তাবের সমর্থন জানাননি; বরং সংস্কার বাস্তবায়নের জন্য নির্ধারিত প্রক্রিয়া ও প্রতিষ্ঠানকেও অনুমোদন দিয়েছেন। জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে সাংসদীয় বিশেষ কমিটির মাধ্যমে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে জনগণের সরাসরি দেওয়া সাংবিধানিক ম্যান্ডেটকে পাশ কাটানো হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, জাতীয় প্রেসক্লাব
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিয়া গোলাম পরওয়ার (জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল), ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ (জামায়াত সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল), ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান (বাংলাদেশ লেবার পার্টি চেয়ারম্যান), রাশেদ প্রধান (জাগপা মুখপাত্র)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ দলীয় ঐক্য, ২০ সেপ্টেম্বর, ১২ ফেব্রুয়ারি, ৬৮.৫৯ শতাংশ ‘হ্যাঁ’ ভোট, ১৪২ অনুচ্ছেদ, ১০০ সদস্যের উচ্চকক্ষ, ১৪ সদস্যের প্রস্তুতি কমিটি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!