📌 নোয়াখালীর সেনবাগ থানার ওসি মো. আবদুর রহিম সরকার ভূরিভোজে অংশ নেওয়ার অভিযোগে প্রত্যাহার করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ নেতা শাহজাহান খোকনের বাড়িতে অনুষ্ঠিত ভূরিভোজের ঘটনায় ওসিকে প্রত্যাহার করা হয় এবং তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
নোয়াখালী জেলার সেনবাগ থানার ওসি মো. আবদুর রহিম সরকার ভূরিভোজে অংশ নেওয়ার অভিযোগে প্রত্যাহার করা হয়েছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে নিশ্চিত হয় যে, ওসিকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। এই ঘটনায় ওসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, বিশেষ করে আওয়ামী লীগ নেতা শাহজাহান খোকনের বাড়িতে অনুষ্ঠিত ভূরিভোজে তার অংশগ্রহণের অভিযোগের কারণে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নোয়াখালীর সেনবাগ থানার ওসি মো. আবদুর রহিম সরকার ভূরিভোজে অংশ নেওয়ার অভিযোগে প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।
- 📌 ওসির স্থলাভিষিক্ত হন থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হযরত আলী মিলন।
- 📌 গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের নিষিদ্ধ মিছিলের ঘটনায় ওসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
- 📌 বটতলা এলাকায় মামলা করা হয় এবং ছাত্রলীগ ও যুবলীগের পাঁচ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়, অজ্ঞাতনামা ৩০ থেকে ৩৫ জনকে আসামি করা হয়।
- 📌 নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহমেদ পেয়ার বলেছেন, ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
নোয়াখালীর সেনবাগ থানার ওসি মো. আবদুর রহিম সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে, আওয়ামী লীগ নেতা ও চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী শাহজাহান খোকনের বাড়িতে অনুষ্ঠিত ভূরিভোজে ওসির অংশগ্রহণের অভিযোগের কারণে। ওসিকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। ওসির স্থলাভিষিক্ত হন থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হযরত আলী মিলন।
গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতে কাবিলপুর ইউনিয়নের বটতলা বাজার এলাকায় আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মিছিলের ঘটনায় ওসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এছাড়াও, বাতানিয়া গ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা শাহজাহান খোকনের বাড়িতে অনুষ্ঠিত ভূরিভোজে ওসির অংশ নেওয়ার অভিযোগ উঠে। ওসির দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক (তদন্ত) হযরত আলী মিলন জানান, ওসি প্রত্যাহার হওয়ার পর চলে গেছেন, তবে প্রত্যাহারের কারণ জানেন না।
বটতলা এলাকায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মিছিলের ঘটনায় শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়। মামলায় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের পাঁচ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয় এবং অজ্ঞাতনামা ৩০ থেকে ৩৫ জনকে আসামি করা হয়।
"এ ঘটনায় তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। তবে তদন্ত প্রতিবেদন এখনো পাওয়া যায়নি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নোয়াখালী জেলা, সেনবাগ থানা, বটতলা বাজার, কাবিলপুর ইউনিয়ন, বাতানিয়া গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আবদুর রহিম সরকার (ওসি), হযরত আলী মিলন, আহমেদ পেয়ার, শাহজাহান খোকন, পাঁচ নেতাকর্মী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ সেপ্টেম্বর, ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯ সেপ্টেম্বর, ৩০ থেকে ৩৫ জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!