📌 বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ পেপারবিহীন ও প্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রমের লক্ষ্যে ই-পার্লামেন্ট সিস্টেম বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিচ্ছে। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ই-পার্লামেন্টের প্রস্তাবনা ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎ করেন
বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ পেপারবিহীন ও আধুনিক সংসদ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ই-পার্লামেন্ট সিস্টেম চালু করার উদ্যোগ নিচ্ছে। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও সংসদের লাইব্রেরি কমিটির সভাপতি ও ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের নেতৃত্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে সাংসদীয় কার্যক্রমকে আরও দক্ষ ও প্রযুক্তিনির্ভর করার জন্য ই-পার্লামেন্ট সিস্টেমের প্রয়োজনীয়তা আলোচিত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ই-পার্লামেন্ট সিস্টেম চালু করার উদ্যোগ নেয় সংসদ — বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় নথি ব্যবস্থাপনা সহজ হবে
- 📌 স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ নির্দেশ দেন ডেপুটি স্পিকারকে ই-পার্লামেন্ট কমিটি গঠনের জন্য
- 📌 সেপ্টেম্বর মাসের শেষে ই-পার্লামেন্টের প্রেজেন্টেশন উপস্থাপনের পরিকল্পনা
- 📌 ইউএনডিপি ও দাতা সংস্থাসমূহের সহযোগিতা নিশ্চিত করতে সিদ্ধান্ত
- 📌 ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জিডি না নিলে নিখোঁজ শিশুদের ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা কমে যায় — জিরো মিসিং চিলড্রেন ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি শফিকুল ইসলামের সতর্কবার্তা
📰 বিস্তারিত
সাংসদীয় কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করার লক্ষ্যে ই-পার্লামেন্ট সিস্টেম বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সাক্ষাৎকালে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও লাইব্রেরি কমিটির সদস্য নায়াব ইউসুফ আহমেদ ও এ বি এম মোশাররফ হোসেন ই-পার্লামেন্টের প্রয়োজনীয়তা ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন। প্রস্তাবিত সিস্টেমে বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় নথি ব্যবস্থাপনা, তথ্য সংরক্ষণ ও আদান-প্রদান সহজতর হবে।
স্পিকার নির্দেশনা দেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে ই-পার্লামেন্ট সিস্টেমের কাঠামো, প্রযুক্তিগত অবকাঠামো ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে একটি কমিটি গঠনের জন্য। কমিটি সেপ্টেম্বর মাসের শেষের দিকে একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করবে, যেখানে সিস্টেমের কার্যপদ্ধতি, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা তুলে ধরা হবে।
এই প্রকল্পের মাধ্যমে সংসদের বিভিন্ন কার্যক্রম ও নথি ডিজিটাল ব্যবস্থায় পরিচালিত হবে। ফলে কাগজের ব্যবহার কমার পাশাপাশি সময় ও প্রশাসনিক ব্যয় সাশ্রয় হবে। সাংসদীয় কার্যক্রমে গতি, দক্ষতা ও সমন্বয় বৃদ্ধি পাবে। প্রকল্প বাস্তবায়নে ইউএনডিপি, দাতা দেশ ও দাতা সংস্থাসমূহের সহযোগিতা নিশ্চিত করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।
"কোনো শিশু নিখোঁজ হওয়ার ২৪ ঘণ্টা পরও পুলিশ জিডি নিতে চায় না। যত দ্রুত জিডি নিয়ে অনুসন্ধান করা হবে, তত বেশি শিশুকে ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। তাই নিখোঁজ শিশুদের বিষয়ে সরকারকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।"
জিরো মিসিং চিলড্রেন ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি শফিকুল ইসলামের এই সতর্কবার্তা সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া হয়।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, নায়াব ইউসুফ আহমেদ, এ বি এম মোশাররফ হোসেন, শফিকুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ ঘণ্টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!