📌 একুশ শতকের এই পৃথিবীতে মানবিকতা ধ্বংসের মুখে। হত্যা ও নৃশংসতার শাসন, কবিতা ও ভালোবাসা যৌনতার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। কীভাবে এই হত্যার উল্লাস থেকে বাঁচতে পারব আমরা?
একুশ শতকের এই পৃথিবীতে মানবিকতা ধ্বংসের মুখে পড়েছে। কবিতা ও ভালোবাসা যৌনতার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে, সততা দুর্গন্ধময় হয়ে অভিধানে ঢুকে পড়েছে। শাহবাগের কবিতার গলা চেপে শাসন করছে ‘অন্য কোথাও চলে যা’—এই ভয়ঙ্কর বাক্যটি। মানুষের হাতপাখা নিচে বসে, যাত্রাপালা ধরে ঢুকে যাব বিশাল বাংলায়, কিন্তু প্রতিবারই বলা হয়: ‘অন্য কোথাও চলে যা’। কোথায় যাব, যখন সবখানে হত্যার উল্লাস, মানুষ মরছে, আলপনার ভেতর কি যাওয়া যাবে?
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 "শাহবাগ থেকে অন্য কোথাও চলে যা" — এই ভয়ঙ্কর শাসনামলে কবিতা ও মানবিকতা হারিয়ে যাচ্ছে
- 📌 হত্যার ওপর খুন পড়ে স্তূপ হয়ে গেছে, মানুষ শুধু হাত জোড় করে প্রার্থনা করছে
- 📌 ভালোবাসা যৌনতার ভাগাড়ে, সততা দুর্গন্ধময় হয়ে অভিধানে ঢুকে পড়েছে
- 📌 "তুমি একুশ শতক হয়েছ" — গিরগিটি হার মানিয়ে বদল হয়ে গেছে এই শতাব্দী
- 📌 মানুষ নিজের সংস্কৃতি, ভাষা, ইতিহাস ভুলে যেতে বাধ্য হচ্ছে
📰 বিস্তারিত
আমাদের পৃথিবী আর রূপকথার সঙ্গে নদী দেখে না। বিহ্বলতা নিয়ে অরণ্যে মুগ্ধ হওয়ার জায়গা নেই। ভাষা ভালোবাসার গলি থেকে বেরিয়ে হত্যার মাঠে এসে দাঁড়িয়েছে। কোমল মানবিক বৃক্ষগুলো কাটা পড়ে যাচ্ছে রক্ষাকবচের অভাবে। খুন আর নৃশংসতা জয়ী হয়ে ঘোষণা করেছে, পৃথিবীকে তারা শাসন করবে। টি-শার্ট কবিতাকে গলা চেপে শাসাল— ‘শাহবাগ থেকে অন্য কোথাও চলে যা’। আমরা প্রতারণার খাবার খেয়ে কীটের মতো ক্ষমতার পায়ের কাছে বসে থাকব অনন্তকাল। কবিতা চলে যেতে হবে, ভালোবাসা যৌনতার ভাগাড়ে দাঁড়াবে। সুর অবদমনের বগলে চাপা পড়ে সুর করে চাঁদা চাইবে গলিতে গলিতে।
এই হত্যার উল্লাসে মানুষ মরছে। আলপনার ভেতর কি যাওয়া যাবে, বা কিচ্ছার স্বপ্নভূমি, পরাবাস্তব পৃথিবী সেখানে কি আমাদের লুকানো যাবে? যেখানে অশোকা জন্মাচ্ছে, সেখানে অগণন বছর ধরে অশোকাই জন্ম নিচ্ছে। প্রকৃতির চোখ ভালোবাসায় জ্বলজ্বল করলেও মানুষ অন্যের বাস্তু জ্বালাতে পুড়িয়ে ফেলছে নিজের সংস্কৃতি। নিজের ভাষার গলায় ছুরি বসিয়ে বলছে, ‘তোর ইতিহাস, ভূগোল, অক্ষর এমনকি তোর জন্মদাগ ভুলে যাবি’।
এভাবে একটা দিনের ওপর আরেকটা দিন ঝরে পড়ে স্তূপ হয়ে গেছে। খুনের ওপর খুন পড়ে স্তূপ হয়ে গেছে। আমরা শুধু হাত জোড় করে প্রার্থনা করছি, বলছি, ‘আমরা এখানেই থাকতে চাই’। কিন্তু বলছে, ‘অন্য কোথাও চলে যা, না-হয় তোর মুখ ডেউয়া ফলের মতো ভচকে দেব’। গিরগিটি হার মানিয়ে একুশ শতক হয়েছে। কোথায় যাব, ঢেউয়ে আর সময়ে, নক্ষত্রেরা ডাকে?
"তুমি একুশ শতক হয়েছ, একটু কথা বলো, আগের মতো, প্লিজ"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শাহবাগ (সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক প্রতীক)
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: "আমরা" (মানুষ, সমাজ)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: অগণন বছর (অশোকার জন্মের ধারা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!