📌 যুক্তরাষ্ট্র কানাডার মদ, দুগ্ধজাত পণ্য ও মোটরসাইকেলসহ ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করবে। ট্রাম্পের দাবি, কানাডা বৈষম্যমূলক বাণিজ্য নীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ে বাধা সৃষ্টি করছে। বাণিজ্য যুদ্ধের ফলে পণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে
যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে বাণিজ্য যুদ্ধ আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্র কানাডার মদ, দুগ্ধজাত পণ্য, মোটরসাইকেলসহ একাধিক পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। মঙ্গলবার একগুচ্ছ নির্বাহী আদেশে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করছে। এর জবাবে আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র কানাডার মদ, দুগ্ধজাত পণ্য (হুই, আখের গুড়), অ্যালকোহলমুক্ত বিয়ার, ওয়াইন, রাম ও মোটরসাইকেলসহ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে
- 📌 কানাডার পনির, প্রক্রিয়াজাত চামড়া, কাগজ, আসবাবপত্র, ধাতু, মোটরবোট, গলফ কার্ট ও মাছ ধরার যন্ত্রাংশে ৫০% শুল্ক আরোপ করা হয়েছে
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের ফলে কানাডার ২০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ করা হয়েছে, যা আসবাবপত্র ও ক্রীড়া সরঞ্জাম শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত করেছে
- 📌 কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে অন্যদিকে ঝুঁকে পড়ার ‘মূল্য দিতে হবে’
- 📌 ট্রাম্পের সতর্কবার্তা: কানাডার বিমান প্রস্তুতকারক সংস্থা বম্বার্ডিয়ারের উৎপাদন কারখানা যুক্তরাষ্ট্রে স্থানান্তর না করলে তারা মার্কিন বাজারে পণ্য বিক্রি করতে পারবে না
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে বাণিজ্য যুদ্ধের সর্বশেষ পদক্ষেপ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র কানাডার ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে মদ, দুগ্ধজাত পণ্য, মোটরসাইকেলসহ ১ বিলিয়ন ডলারের পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। হোয়াইট হাউসের তথ্য অনুযায়ী, নিষিদ্ধ পণ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে হুই (দুগ্ধজাত ছানার পানি), আখের গুড়, অ্যালকোহলমুক্ত বিয়ার, ওয়াইন, রাম ও ভদকার, বার্লি বা মল্ট থেকে তৈরি বিয়ার এবং মপেডসহ নানা ধরনের মোটরসাইকেল। অন্যদিকে, পনির, প্রক্রিয়াজাত চামড়া, কাগজ, আসবাবপত্র, তোশক, অ্যালুমিনিয়াম ও লোহাসহ কিছু ধাতু, মোটরবোট, গলফ কার্ট, মাছ ধরার যন্ত্রাংশ ও সুইচবোর্ডসহ পণ্যগুলোর ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।
বিবিসির প্রতিবেদনে জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার কর্মকর্তারা নতুন বাণিজ্য চুক্তিতে পৌঁছানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তবে আগস্টের শেষের দিকে আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর থেকে নতুন আলোচনার কোনো দিনক্ষণ ঠিক হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের ফলে কানাডার আসবাবপত্র ও ওয়াইন শিল্পের পাশাপাশি ক্রীড়া ও মাছ ধরার সরঞ্জাম তৈরির কারখানাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর জবাবে কানাডাও মার্কিন ইস্পাত, পোশাক ও আসবাবপত্রের ওপর সমান অনুপাতে পাল্টা শুল্ক আরোপ করেছে।
মঙ্গলবার নতুন আমদানি বিধিনিষেধের ঘোষণাকালে হোয়াইট হাউস জানায়, কানাডা অন্য দেশের পণ্যে ছাড় দিয়ে মার্কিন পণ্যে কড়াকড়ি আরোপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ে বৈষম্যমূলক আচরণ করছে। ট্রাম্পের দাবি, কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ে বাধা সৃষ্টি করছে। তিনি আরও সতর্কবার্তা দিয়েছেন, কানাডার বিমান প্রস্তুতকারক সংস্থা বম্বার্ডিয়ারের উৎপাদন কারখানা যুক্তরাষ্ট্রে স্থানান্তর না করলে তারা মার্কিন বাজারে পণ্য বিক্রি করতে পারবে না।
"বৈষম্যমূলক আচরণ করছে কানাডা। যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ে বাধা সৃষ্টি করছে তারা"
— ডোনাল্ড ট্রাম্প, মার্কিন প্রেসিডেন্ট
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, মার্ক কার্নি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯ সেপ্টেম্বর (নিষেধাজ্ঞা কার্যকর), ২০ বিলিয়ন ডলার (শুল্কের প্রভাবিত পণ্য), ৫০ শতাংশ (শুল্ক হার), ১ বিলিয়ন ডলার (প্রভাবিত পণ্য)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!