📌 বিয়ের ক্ষেত্রে প্রতারণা প্রতিরোধে কাবিননামায় বর-কনের আগের বিবাহ, বিদ্যমান বিবাহ, সন্তান ও জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান এই রিট আবেদন করেন
বিয়ের ক্ষেত্রে তথ্য গোপন ও প্রতারণা রোধে কাবিননামায় বর-কনের আগের বিবাহ, বিদ্যমান বিবাহ, সন্তান এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য বাধ্যতামূলকভাবে উল্লেখ করার নির্দেশনা চেয়ে রিট দায়ের করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান আজ মঙ্গলবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট আবেদন করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কাবিননামায় বর-কনের আগের ও বিদ্যমান সব বিবাহের তথ্য, সন্তানের বিবরণ ও জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
- 📌 বর্তমান কাবিননামা ফরমে বিদ্যমান স্ত্রী ও সালিসি পরিষদের অনুমতির তথ্য থাকলেও আগের বিবাহ ও সন্তানের সম্পূর্ণ তথ্য উল্লেখ করার বাধ্যবাধকতা নেই।
- 📌 তথ্য গোপনের কারণে পরবর্তী বিবাহে প্রতারণা ও পারিবারিক বিরোধ সৃষ্টি হচ্ছে বলে রিটে উল্লেখ করা হয়েছে।
- 📌 রিটে আইন মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব ও নিবন্ধন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শককে বিবাদী করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
বিয়ের ক্ষেত্রে তথ্য গোপন ও প্রতারণা রোধে কাবিননামায় বর-কনের আগের বিবাহ, বিদ্যমান বিবাহ, সন্তান এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য বাধ্যতামূলকভাবে উল্লেখ করার নির্দেশনা চেয়ে রিট দায়ের করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান আজ মঙ্গলবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট আবেদন করেন। রিটে কাবিননামা সংশোধন করে বর-কনে উভয়ের আগের ও বিদ্যমান সব বিবাহের তথ্য, আগের বা বিদ্যমান সন্তানের তথ্য, চলমান ভরণপোষণ, অভিভাবকত্ব ও অন্যান্য আইনগত দায় এবং জন্মনিবন্ধন, জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা পাসপোর্ট নম্বর অন্তর্ভুক্ত ও যাচাইযোগ্য করার জন্য নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
বর্তমান বাংলাদেশ ফরম নম্বর ১৬০১ বা ‘ফরম ঘ’—কাবিননামায় বর-কনের আগের ও বিদ্যমান বিবাহ, সাবেক স্বামী-স্ত্রী, বিবাহ-তালাক নিবন্ধনের তথ্য, সন্তান ও আগের সম্পর্ক থেকে উদ্ভূত ভরণপোষণ, অভিভাবকত্বসহ চলমান আইনগত দায়দায়িত্ব সমভাবে প্রকাশ ও যাচাইয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেই বলে রিটে উল্লেখ করা হয়েছে। বর্তমান কাবিননামায় বরের বিদ্যমান স্ত্রী এবং সালিসি পরিষদের অনুমতির বিষয়ে কিছু তথ্য চাওয়া হলেও আগের বিবাহ, তালাক, সাবেক স্ত্রী ও সন্তানদের পূর্ণাঙ্গ তথ্য উল্লেখ করার বাধ্যবাধকতা নেই। একইভাবে কনের ক্ষেত্রেও পূর্ববর্তী বৈবাহিক ইতিহাস যাচাইয়ে সমতাভিত্তিক ব্যবস্থা অনুপস্থিত।
এসব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করে পরবর্তী বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার সুযোগ থাকায় প্রতারণা ও পারিবারিক বিরোধ সৃষ্টি হচ্ছে বলে রিটে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বিবাহের সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী ব্যক্তির স্বাধীন ও পূর্ণাঙ্গ তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার পাশাপাশি বিদ্যমান স্বামী-স্ত্রী ও সন্তানদের অধিকারও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে দাবি করা হয়েছে।
"বর্তমান কাবিননামায় বরের বিদ্যমান স্ত্রী এবং সালিসি পরিষদের অনুমতির বিষয়ে কিছু তথ্য চাওয়া হলেও আগের বিবাহ, তালাক, সাবেক স্ত্রী ও সন্তানদের পূর্ণাঙ্গ তথ্য উল্লেখ করার বাধ্যবাধকতা নেই। একইভাবে কনের ক্ষেত্রেও পূর্ববর্তী বৈবাহিক ইতিহাস যাচাইয়ে সমতাভিত্তিক ব্যবস্থা অনুপস্থিত।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইশরাত হাসান (আইনজীবী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ফরম নম্বর ১৬০১
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!