📌 খুলনায় আয়োজিত জামায়াতে ইসলামীর সীরাতুন্নবী (সা.) সিম্পোজিয়ামে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার রাষ্ট্রীয় শক্তি ও নৈতিক শিক্ষার মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্রের মৌলিক নীতি রক্ষায় শক্তির প্রয়োগ অপরিহার্য
খুলনার আল ফারুক সোসাইটি মিলনায়তনে রোববার (৩০ আগস্ট) আয়োজিত জামায়াতে ইসলামীর খুলনা মহানগরী শাখার সীরাতুন্নবী (সা.) সিম্পোজিয়ামে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার রাষ্ট্রীয় শক্তি ও নৈতিক শিক্ষার মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার উপর গুরুত্বারোপ করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাষ্ট্রীয় শক্তি ব্যতীত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াত নেতা মিয়া গোলাম পরওয়ার
- 📌 আদম (আ.) থেকে মুহাম্মদ (সা.) পর্যন্ত সকল নবী-রাসূলদের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল মানবজাতিকে সুবিচার ও ইনসাফের উপর প্রতিষ্ঠিত করা
- 📌 রাষ্ট্রের মৌলিক নীতি রক্ষায় প্রয়োজনে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন তিনি
- 📌 রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে ত্যাগ ও সংগ্রামের কথা তুলে ধরেন পরওয়ার
- 📌 বছরের প্রতিটি মাসেই রাসূলের জীবনাদর্শ নিয়ে আলোচনার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন তিনি
📰 বিস্তারিত
খুলনার আল ফারুক সোসাইটি মিলনায়তনে আয়োজিত জামায়াতে ইসলামীর খুলনা মহানগরী শাখার উদ্যোগে রোববার (৩০ আগস্ট) সীরাতুন্নবী (সা.) সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার রাষ্ট্রীয় শক্তি ও নৈতিক শিক্ষার মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, মানবজাতির হেদায়েতের জন্য আল্লাহ তাআলা অসংখ্য নবী-রাসূল প্রেরণ করেছেন এবং তাদের কাছে সুস্পষ্ট বয়ান, কিতাব ও মিজান প্রদান করেছেন।
মিয়া গোলাম পরওয়ার উল্লেখ করেন, মিজান অর্থ মানদণ্ড, যা ভালো-মন্দ, হালাল-হারাম, ইনসাফ-জুলুম, ন্যায়-অন্যায় এবং সত্য-মিথ্যা নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়। এই মানদণ্ডের চূড়ান্ত রূপ হলো আল কোরআন। তিনি বলেন, শুধুমাত্র রবিউল আউয়াল মাসেই সীরাত আলোচনা যথেষ্ট নয়; বরং বছরের প্রতিটি মাসেই রাসূলের জীবনাদর্শ নিয়ে আলোচনা হওয়া প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় শক্তি ব্যতীত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। লোহা শক্তির প্রতীক উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাষ্ট্রকে প্রয়োজনে কঠোর হতে হবে এবং মানুষের কল্যাণও নিশ্চিত করতে হবে। রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে ত্যাগ ও সংগ্রামের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, মক্কায় ১৩ বছর এবং মদিনায় ১০ বছরসহ মোট ৬৩ বছরের জীবনে রাসূলের সংগ্রাম ছিল ত্যাগ ও পরীক্ষায় পূর্ণ।
"আদম (আ.) থেকে শুরু করে শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) পর্যন্ত অসংখ্য নবী-রাসূলকে আল্লাহ তাআলা মানুষের হেদায়েতের জন্য পাঠিয়েছেন। তাদের কাছে সুস্পষ্ট বয়ান বা বাইয়্যিনাহ, কিতাব ও মিজান দেয়া হয়েছিল। মিজান অর্থ মানদণ্ড। সাধারণভাবে এর বাংলা অর্থ দাঁড়িপাল্লা করা হলেও এখানে ভালো-মন্দ, হালাল-হারাম, ইনসাফ-জুলুম, ন্যায়-অন্যায় এবং সত্য-মিথ্যা নির্ধারণের মানদণ্ড বোঝানো হয়েছে। এই মানদণ্ডের চূড়ান্ত রূপ হলো আল কোরআন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খুলনা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিয়া গোলাম পরওয়ার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ আগস্ট, ১২ মাস, ৪০ বছর, ১৩ বছর, ১০ বছর, ৬৩ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!