📌 ইসলামি উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী সম্পত্তি বণ্টনে ভাতিজাদের বঞ্চিত করে মেয়েকে সব সম্পদ লিখে দেওয়া জায়েজ নয় বলে জানিয়েছেন শায়খ আহমাদুল্লাহ। তিনি বলেন, জীবদ্দশায় সম্পদ দান করা গেলেও অন্যকে ঠকানোর উদ্দেশ্য অবৈধ
ইসলামি উত্তরাধিকার আইনের বিধান অনুযায়ী সম্পত্তি বণ্টনে ভাতিজাদের বঞ্চিত করে মেয়েকে সব সম্পদ লিখে দেওয়া বৈধ নয় বলে মত দিয়েছেন প্রখ্যাত ইসলামি আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ। সম্প্রতি এক ব্যক্তির প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জীবদ্দশায় কোনো ব্যক্তি তার একমাত্র মেয়ে বা দুই মেয়েকে সব সম্পদ লিখে দিলেও তা অন্যায় হবে, যদি উদ্দেশ্য থাকে ভাতিজাদের সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইসলামি উত্তরাধিকার আইনে ছেলে সন্তান না থাকলে সম্পদের বণ্টন অনুপাত পরিবর্তিত হয়
- 📌 ভাতিজাদের সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার উদ্দেশ্যে মেয়েকে সব সম্পদ লিখে দেওয়া জায়েজ নয়
- 📌 জীবদ্দশায় সম্পদ দান করা বৈধ হলেও অন্যকে ঠকানোর উদ্দেশ্য অবৈধ
- 📌 পবিত্র কুরআনের নির্দেশনা অনুযায়ী ওয়ারিসদের মধ্যে সুবিচার করা আবশ্যক
📰 বিস্তারিত
ইসলামি উত্তরাধিকার আইনের বিধান অনুসারে সম্পত্তি বণ্টনে ভাতিজাদের বঞ্চিত করে মেয়েকে সব সম্পদ লিখে দেওয়া বৈধ নয় বলে জানিয়েছেন প্রখ্যাত ইসলামি আলোচক ও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠাতা শায়খ আহমাদুল্লাহ। সম্প্রতি তাকে এক ব্যক্তি প্রশ্ন করেন, যাদের ছেলে সন্তান নেই কিন্তু মেয়ে রয়েছে, তাদের বাবা মৃত্যুর আগে সম্পত্তি মেয়েদের নামে লিখে দিয়ে যান যাতে ভাতিজারা সম্পত্তি না পায়। এমন কাজ ইসলামি বিধান অনুযায়ী কতটুকু গ্রহণযোগ্য?
প্রশ্নের উত্তরে শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, কোনো ব্যক্তি জীবদ্দশায় তার একমাত্র মেয়ে বা দুই মেয়েকে সব সম্পদ লিখে দিয়ে যান যাতে ভাতিজারা সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হন—এমন কাজ সম্পূর্ণ অবৈধ। তিনি বলেন, এটি করা অনুচিত, কারণ কোনো ওয়ারিসকে তার প্রাপ্য সম্পদ থেকে বঞ্চিত করার ইচ্ছা করা ইসলামি বিধান বিরোধী। এমন কাজ করা হলে তা জুলুম হিসেবে গণ্য হবে এবং তা জায়েজ নয়।
তিনি আরও বলেন, জীবদ্দশায় সম্পদ দান করা বৈধ হলেও যদি উদ্দেশ্য থাকে অন্যকে ঠকানো, তাহলে তা গুনাহের কাজ হবে। তবে জীবদ্দশায় মেয়েদের মধ্যে সমান হারে সম্পদ দান করা যেতে পারে। মৃত্যুর পরে সম্পত্তির যথাযথ বণ্টন করতে হবে। তিনি বলেন, পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, তোমাদের ওয়ারিসদের মধ্যে কে বেশি উপকারে আসবে তা তোমরা জানো না। তাই আল্লাহ নির্ধারিত বিধান অনুসারে সম্পত্তি বণ্টন করা উচিত।
"কোনো মানুষ জীবদ্দশায় একটা মেয়ে আছে, সব সম্পদ তাকে লিখে দিয়েছে, অথবা দুইটা মেয়ে আছে, সব সম্পদ তাদেরকে দিয়ে গেছেন। ভাতিজারা যেন না পায় বা হকদাররা যেন না পায়। এই কাজ করা অনুচিত। যদি দিয়ে যায়, মেয়েদের জন্য সেটা হালাল হবে। এটি করা অনুচিত, কারণ কোনো ওয়ারিসকে বা আপনার সম্পদ কেউ পেতে পারে তাকে আপনি বঞ্চিত করার ইচ্ছা করলেন, এটা হলো তার প্রতি এক রকমের অবিচার ও জুলুম, এটা জায়েজ না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইসলামি বিধান আলোচনা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শায়খ আহমাদুল্লাহ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: একমাত্র মেয়ে/দুই মেয়ে সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হতে পারে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!