📌 'প্রবাস' সংস্থা স্মারকলিপি জমা দিয়ে দাবি করেছে, সৌদি আরবে নির্যাতনের শিকার ৯৮০ নারী কর্মীকে দেশে ফিরিয়ে আনা এবং তাদের ক্ষতিপূরণ ও শিশুদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া। সংগঠনটি নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে
সৌদি আরবে নির্যাতনের শিকার ৯৮০ নারী প্রবাসী কর্মীকে দেশে ফিরিয়ে আনা এবং তাদের অধিকার নিশ্চিত করার দাবিতে ‘প্রবাস’ সংস্থা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি জমা দিয়েছে। সংগঠনটি দাবি করেছে, নির্যাতনের শিকার হয়ে গত নয় মাসে ৯৮০ জন নারী কর্মী দেশে ফিরেছেন, যার মধ্যে অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় ফিরে আসা কর্মীদেরও রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সৌদি আরবে নির্যাতনের শিকার ৯৮০ নারী কর্মীকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছে ‘প্রবাস’ সংস্থা
- 📌 দাবি করা হয়েছে, নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য রাষ্ট্রীয় ক্ষতিপূরণ এবং তাদের সন্তানদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি
- 📌 বিদেশে বাংলাদেশি শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি
- 📌 মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়
- 📌 স্মারকলিপি দেওয়ার পাশাপাশি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়েও জমা দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে
📰 বিস্তারিত
‘প্রবাস’ সংস্থা আজ রোববার দুপুর সাড়ে ১২টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন করে। এরপর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়। সংগঠনের সদস্য সচিব ও অ্যাক্টিভিস্ট আনন্দ কুটুম দাবি করেছেন, সৌদি আরবে নির্যাতনের শিকার হয়ে গত নয় মাসে ৯৮০ জন নারী কর্মী দেশে ফিরেছেন। তিনি আরও বলেছেন, এই কর্মীদের মধ্যে অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় ফিরে আসা কর্মীদেরও রয়েছে।
আনন্দ কুটুম দাবি করেছেন, এই নারী কর্মীদের জন্য রাষ্ট্রীয়ভাবে ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা এবং তাদের সন্তানদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া প্রয়োজন। তিনি আন্তর্জাতিক ফোরামে আলোচনার মাধ্যমে স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। সংগঠনটির আহ্বায়ক মোস্তফা মনন বলেছেন, বিদেশে বিচারাধীন বাংলাদেশি শ্রমিকদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সরকারকে নিশ্চিত হতে হবে।
‘প্রবাস’-এর সমন্বয়ক ও চিকিৎসক তৃণা ইসলাম জানিয়েছেন, বিদেশে বাংলাদেশিদের অধিকার রক্ষায় দূতাবাসগুলো যথাযথ ভূমিকা পালন করছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। সংগঠনটির গণমাধ্যম সমন্বয়ক ও সাংবাদিক হাসনাত কাদীর বলেছেন, প্রবাসীদের কষ্টার্জিত অর্থ দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। তাই দেশের ভেতরে ও বাইরে থাকা সব নাগরিকের অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
"বিদেশে বাংলাদেশি শ্রমিকদের ওপর নির্যাতন ও হয়রানির অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং অধিকার লঙ্ঘনের প্রতিকার নিশ্চিত করতে হবে। বিদেশে কোনো বাংলাদেশি নাগরিক বিপদে পড়লে তাঁকে প্রয়োজনীয় আইনি ও কনস্যুলার সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি পরিস্থিতি অনুযায়ী কূটনৈতিক উদ্যোগ নিতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (জাতীয় প্রেস ক্লাব, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আনন্দ কুটুম, মোস্তফা মনন, তৃণা ইসলাম, হাসনাত কাদীর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯৮০ নারী কর্মী, ৯ মাস
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!