📌 মেহেরপুরের চার বাংলাদেশি ২০১২ সালে মালয়েশিয়া যাত্রা করে ১৪ বছর ধরে নিখোঁজ। তাদের পরিবার দালালদের কাছে কোনো খোঁজখবর পায়নি এবং এখনো স্বামী-সন্তানদের ফিরে আসার আশা করে চলেছে
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার চার পরিবার ১৪ বছর ধরে তাদের স্বামী-সন্তানদের ফিরে আসার অপেক্ষায় রয়েছে। ২০১২ সালে মালয়েশিয়া যাত্রা করার পর থেকে তাদের কোনো খোঁজ নেই। স্থানীয়রা জানান, দালালদের মাধ্যমে অবৈধভাবে সাগরপথে রওনা হওয়া এই চারজন এখনো নিখোঁজ। পরিবারগুলো দাবি করে, তাদের উপার্জনক্ষম সদস্যকে হারিয়ে এত বছর ধরে অভাব-অনটনে দিন কাটাচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার রুইয়েরকান্দি গ্রামের বাবলু হোসেন, গঞ্জের আলী, আহাদ আলী ও রিফাজুল ইসলাম ২০১২ সালে মালয়েশিয়া যাত্রা করে ১৪ বছর ধরে নিখোঁজ
- 📌 চারজনের পরিবার দাবি করে, দালালরা তাদের কোনো খোঁজখবর দেননি এবং ঢাকায় পালিয়ে গেছে বলে জানা যায়
- 📌 নিখোঁজদের স্ত্রীদের বিশ্বাস, স্বামীরা বেঁচে আছেন এবং কখনো ফিরে আসবেন
- 📌 বাবলুর স্ত্রী রেহেনা খাতুন বলেন, দালালদের মাধ্যমে স্বামী মালয়েশিয়া যাত্রা করেছিলেন
- 📌 রিফাজুল ইসলামের স্ত্রী সোফিয়া খাতুন বলেন, কেউ বলে স্বামী বেঁচে আছে, কেউ বলে মারা গেছে
- 📌 গঞ্জের আলীর স্ত্রী জালিয়া খাতুন বলেন, এক ছেলে মালয়েশিয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মারা গেছে
📰 বিস্তারিত
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ষোলটাকা ইউনিয়নের রুইয়েরকান্দি গ্রামের বাবলু হোসেনের স্ত্রী রেহেনা খাতুন বলেছেন, স্বামী ২০১২ সালে মালয়েশিয়া যাত্রা করার পর থেকে তাঁদের কোনো খোঁজ নেই। তিনি বলেন, ‘আমার স্বামী ১৪ বছর আগে মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য বেরিয়েছিলেন। তখন আমার ছেলের বয়স ছিল সাড়ে তিন বছর আর তিন মাসের গর্ভে ছিল ছোট মেয়ে। এর পর থেকে আজ অবধি স্বামীর খোঁজ পাচ্ছি না। আমি আর আমার বাচ্চারা এখনো তার জন্য পথ চেয়ে থাকি।’
চারজন নিখোঁজের মধ্যে বাবলু হোসেন, গঞ্জের আলী, আহাদ আলী ও রিফাজুল ইসলামের পরিবারগুলো জানায়, তাদের স্বামী-সন্তানদের নিয়ে দালালরা কোনো খোঁজখবর দেননি। স্থানীয়রা জানান, গাংনী উপজেলার হেমায়েতপুর গ্রামের আবুল কাশেম এবং চুয়াডাঙ্গার হাঁটুভাঙ্গা গ্রামের আকিম উদ্দিনের মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় যাওয়ার জন্য অবৈধভাবে সাগরপথে রওনা হয়েছিলেন তারা।
রিফাজুল ইসলামের স্ত্রী সোফিয়া খাতুন বলেন, ‘কেউ বলে আমার স্বামী বেঁচে আছে, কেউ বলে মারা গেছে। যত দিন বাঁচব, তার পথ চেয়ে থাকব।’ অন্যদিকে, গঞ্জের আলীর স্ত্রী জালিয়া খাতুন বলেন, ‘দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে আমার স্বামী নিখোঁজ রয়েছে। দালালেরাও খোঁজখবর দেয় না। একটা ছেলে ছিল সেও মালয়েশিয়ায় গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মারা গেছে। খেয়ে না খেয়ে জীবন পার করছি।’
"আকিম উদ্দিন ও আবুল কাশেম নামের দুজন দালালের মাধ্যমে আমার স্বামী ঘর ছেড়েছিল, তাদেরও কোনো হদিস নেই। তারা ঢাকায় পালিয়ে গেছে বলে শুনেছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা, রুইয়েরকান্দি গ্রাম, ষোলটাকা ইউনিয়ন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রেহেনা খাতুন, সোফিয়া খাতুন, জালিয়া খাতুন, শরিফা খাতুন, আবুল কাশেম, আকিম উদ্দিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!