📅 ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিমানবন্দরে আটকে যাচ্ছে হাজারো বাংলাদেশি: জাল ভিসা থেকে মানবপাচার পর্যন্ত নানা কারণে বিদেশযাত্রা বাতিল

বিমানবন্দরে আটকে যাচ্ছে হাজারো বাংলাদেশি: জাল ভিসা থেকে মানবপাচার পর্যন্ত নানা কারণে বিদেশযাত্রা বাতিল

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিমানবন্দরে জাল ভিসা, অসংগতি ও মানবপাচারের আশঙ্কায় হাজারো বাংলাদেশির বিদেশযাত্রা বাতিল হচ্ছে। ২০২১-২০২৬ পর্যন্ত ৮১ হাজার ৫০০ যাত্রীর যাত্রা বাতিল হয়েছে। ইমিগ্রেশন পুলিশ ডিজিটাল তথ্য যাচাই করে জালিয়াতি ও অবৈধ অভিবাসন রোধ করছে।

বাংলাদেশের বিমানবন্দরে বিদেশযাত্রার প্রস্তুতি শেষ করে পৌঁছেও গন্তব্যে যেতে পারছেন না হাজারো বাংলাদেশি। জাল ভিসা, নথিপত্রের অসংগতি, মানবপাচারের আশঙ্কা এবং ইমিগ্রেশনে তথ্যের গরমিলের কারণে তাদের বিদেশযাত্রা বাতিল হচ্ছে। ইমিগ্রেশন পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সাল থেকে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত ৮১ হাজার ৫০০ যাত্রীর বিদেশযাত্রা বাতিল করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০২১-২০২৬ পর্যন্ত ৮১ হাজার ৫০০ যাত্রীর বিদেশযাত্রা বাতিল; ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে ৭ হাজার ৮১৯ জন ফেরত পাঠানো হয়েছে
  • 📌 জাল ভিসা, অবৈধ অভিবাসন ও মানবপাচারের আশঙ্কায় ২৩টি দেশের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে, যার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ফ্রান্স, সৌদি আরবসহ
  • 📌 হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে ওমানগামী এক নারীকে জাল বিয়ের ছবি ও অসংগত বক্তব্যের কারণে আটকে দেওয়া হয়
  • 📌 পেজ সাবস্টিটিউশন পদ্ধতিতে ভিসা জালিয়াতির ঘটনা ধরা পড়েছে; সুইস পাসপোর্টও জাল বলে সন্দেহ
  • 📌 নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরের তরুণরা ব্রাজিল-মেক্সিকো রুটে যুক্তরাষ্ট্র যাওয়ার চেষ্টা করছেন, প্রতি যাত্রী ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ করছেন

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশের বিমানবন্দরে বিদেশযাত্রার প্রস্তুতি শেষ করে পৌঁছেও গন্তব্যে যেতে পারছেন না হাজারো বাংলাদেশি। ভিসা ও কর্মসংস্থান ব্যুরোর (বিএমইটি) ছাড়পত্রে অসংগতি, জাল কাগজপত্র, ভিসার শর্ত লঙ্ঘন এবং মানব পাচারের আশঙ্কাসহ নানা কারণে তাদের বিদেশযাত্রা বাতিল হচ্ছে। ইমিগ্রেশন পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) জানিয়েছে, ২০২১ সাল থেকে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত ৮১ হাজার ৫০০ যাত্রীর বিদেশযাত্রা বাতিল করা হয়েছে। এ সময়ে বিভিন্ন ধরনের ভিসায় দুই কোটি ৯১ লাখের বেশি বাংলাদেশি বিদেশে গেছেন।

চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ২৬ লাখ ২২ হাজার ৭১১ বাংলাদেশি বিদেশে গেছেন, কিন্তু ৭ হাজার ৮১৯ জনকে বিমানবন্দর থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। ২০২৫ সালে বিদেশে যান ৫৭ লাখ ৮ হাজার ১৩২ বাংলাদেশি, ওই বছর ১৫ হাজার ৫১৬ জনকে ফেরত পাঠানো হয়। ২০২৪ সালে ৬৪ লাখ ২৮ হাজার ৯৩ জন বিদেশ গেলেও ১৮ হাজার ৯ জনের যাত্রা বাতিল হয়। ২০২৩ সালে ৬৯ লাখ ৯২ হাজার ২৫৩ জনের বিপরীতে ৯ হাজার ৮৭২ জন ফেরত পাঠানো হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ওমানগামী এক নারীকে আটকে দেওয়া হয়। তাসলিমা বেগম (ছদ্মনাম) নামের নারী স্বামীর কাছে যাওয়ার কথা বলে বিএমইটির ছাড়পত্র নিয়ে বিমানবন্দরে পৌঁছেছিলেন। ইমিগ্রেশনে জিজ্ঞাসাবাদের সময় তার বক্তব্যে অসংগতি ধরা পড়ে। তিনি জানান, ওমানে থাকা স্বামীর সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছে মোবাইল ফোনে। তবে বিয়ের বৈধ কোনো নথি দেখাতে না পারায় কর্মকর্তাদের সন্দেহ হয়। পরে তার দেখানো বিয়ের ছবিও পরীক্ষা করে জাল বলে সন্দেহ করা হয়। ডিজিটাল রেকর্ড যাচাই করে ইমিগ্রেশন পুলিশ দেখতে পায়, একই স্পাউস ভিসার অনুমোদনপত্র ব্যবহার করে ভিন্ন সময়ে আলাদা পাসপোর্টে পাঁচ নারীকে ওমানে পাঠানোর তথ্য রয়েছে। এরপর ওই নারীর বিদেশযাত্রা বাতিল করা হয়।

ইমিগ্রেশন-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ভিসা জালিয়াতি, অবৈধ অভিবাসন ও বন্ধ বা সীমিত শ্রমবাজারে প্রবেশের চেষ্টা ঠেকাতে কাগজপত্রের পাশাপাশি ডিজিটাল তথ্যও যাচাই করা হচ্ছে। সরকারি সিল, স্বাক্ষর ও অনুমোদনপত্র নকল করে তৈরি করা নথিও ধরা পড়ছে। ইমিগ্রেশন পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ভিসা জালিয়াতি ও অবৈধ অভিবাসনের ঘটনায় অন্তত ২৩টি দেশের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। এর মধ্যে রয়েছে ইতালি, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, চীন, তুরস্ক, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা, লিবিয়া, মেক্সিকো ও ব্রাজিল।

ইতালির পারিবারিক ভিসা ঘিরে সংঘবদ্ধ জালিয়াতির তথ্যও পেয়েছে ইমিগ্রেশন পুলিশ। পুলিশ সূত্রের ভাষ্য, ‘পেজ সাবস্টিটিউশন’ পদ্ধতিতে প্রকৃত ভিসাগ্রহীতার পাসপোর্ট থেকে ভিসার পৃষ্ঠা, বাংলাদেশের বহির্গমন সিল ও ইতালির প্রবেশ সিল নকল করে অন্য ব্যক্তির পাসপোর্টে যুক্ত করা হচ্ছে। এ ছাড়া দীর্ঘদিন ফ্রান্সে বসবাস করা এক বাংলাদেশি প্রায় ১০ হাজার ইউরো খরচ করে তৈরি করা ভুয়া সুইস পাসপোর্ট নিয়ে দেশে ফেরার পর সেটিও বিমানবন্দরে ধরা পড়ে। পাসপোর্টের আকারে অসংগতি এবং স্ক্যানিংয়ের সময় বায়োমেট্রিক চিপের সংকেত না পাওয়ায় জালিয়াতি শনাক্ত হয়।

পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরের কিছু তরুণ ব্রাজিল ও মেক্সিকো হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। এ পথে জনপ্রতি ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচের তথ্য পাওয়া গেছে। তাই এসব রুটে যাত্রীদের বিষয়ে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। তবে বিমানবন্দর থেকে ফেরত পাঠানোর সব ঘটনাই জালিয়াতি বা অবৈধ অভিবাসনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়। বৈধ কাগজপত্র থাকার পরও ইমিগ্রেশনে হয়রানির অভিযোগ করেছেন কয়েকজন যাত্রী।

"পেজ সাবস্টিটিউশন পদ্ধতিতে প্রকৃত ভিসাগ্রহীতার পাসপোর্ট থেকে ভিসার পৃষ্ঠা নকল করে অন্য ব্যক্তির পাসপোর্টে যুক্ত করা হচ্ছে"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তাসলিমা বেগম (ছদ্মনাম), পুলিশ কর্মকর্তা, ইমিগ্রেশন পুলিশের সূত্র
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮১ হাজার ৫০০ (বাতিল যাত্রা), ২৩টি দেশ (সংশ্লিষ্টতা), ৫০ লাখ টাকা (ব্রাজিল-মেক্সিকো রুটের খরচ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖