📌 এনসিপির কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ ভারত ও নেপালের প্রবাসী ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির শিক্ষা নিতে বাংলাদেশের পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি ঘুষভিত্তিক বিএমইটি কার্ড প্রথা বন্ধ ও ডিজিটাল নিবন্ধন সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন
বাংলাদেশের প্রবাসী কর্মীদের নিরাপত্তা ও খরচ কমাতে ভারত ও নেপালের প্রবাসী ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির শিক্ষা নিতে বাংলাদেশের পরামর্শ দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। ঢাকার কুমিল্লা-৪ আসনের এই আইনপ্রণেতা বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বিশেষ বার্তা প্রকাশ করে এই দাবি উত্থাপন করেন। তিনি ঘুষভিত্তিক বিএমইটি কার্ড বরাদ্দ প্রথা ও ফালতু ডিজিটাল নিবন্ধনের নামে জনগণের হয়রানি বন্ধের দাবি জানিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, ভারত ও নেপালের প্রবাসী ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি থেকে বাংলাদেশ শিক্ষা নিতে পারে
- 📌 বিএমইটি কার্ড বরাদ্দ বর্তমানে বন্ধ থাকলেও পেছনের দরজায় ঘুষের প্রথা অব্যাহত
- 📌 ৪ লাখ ১৭ হাজার টাকা খরচ হয় মধ্যপ্রাচ্য অভিবাসনে — দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বোচ্চ
- 📌 ডিজিটাল নিবন্ধন সংস্কার ও প্লাস্টিক কার্ড প্রথা বন্ধের দাবি
- 📌 অনলাইন যাচাই প্রক্রিয়া চালু করে শিক্ষা সনদ, কর্ম দক্ষতা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা নিশ্চিত করতে হবে
📰 বিস্তারিত
কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, বর্তমান সরকারের আমলে দুর্নীতি ও ঘুষের প্রতিযোগিতা অব্যাহত থাকায় সাধারণ প্রবাসী ক্লিয়ারেন্স কার্ড পাচ্ছে না। তিনি উল্লেখ করেছেন, বিএমইটি কার্ড বরাদ্দ গত এক সপ্তাহ ধরে বন্ধ থাকলেও পেছনের দরজায় বেশি টাকায় সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এই ধরনের ভোগান্তি থেকে প্রবাসীদের মুক্তি দিতে তিনি প্লাস্টিক কার্ড নির্ভর ব্যবসায়িক প্রথা বন্ধ করে সার্বিক ডেটাবেজ গড়ে তোলার পরামর্শ দিয়েছেন।
তিনি জাতীয় পরিচয়পত্র ও পাসপোর্টের তথ্য আধুনিক প্রযুক্তির সাথে যুক্ত করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তথ্য যাচাই করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি কর্মীদের সঠিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শিক্ষা সনদ, কর্ম দক্ষতা, স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও ভিসা প্রক্রিয়ার সম্পূর্ণ অনলাইন যাচাই দরকার বলে তিনি বলেছেন। শিক্ষা বোর্ডের ডেটা, টিটিসি সার্টিফিকেট ও মেডিকেল রিপোর্ট সরাসরি অনলাইনের মাধ্যমে যাচাই করা গেলে কোনো হার্ডকপি সনদের প্রয়োজন পড়বে না।
দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের উদাহরণ টেনে তিনি উল্লেখ করেছেন, ভারতে দশম শ্রেণি পার করা নাগরিকদের জন্য কোনো বাড়তি ইমিগ্রেশন ছাড়পত্রের দরকার পড়ে না। একইভাবে নেপাল ২০১৫ সাল থেকে প্রবাসীদের জন্য বিনা খরচে ভিসা ও টিকিটের সুবিধা নিশ্চিত করেছে। পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অভিবাসনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশী কর্মীদের গড়ে চার লাখ ১৭ হাজার টাকা খরচ হয় — যা দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বোচ্চ।
"বিমানবন্দরে প্রবাসীদের দীর্ঘদিনের এই ভোগান্তি দূর করতে অবিলম্বে বিএমইটিকে কেবল সাধারণ নিবন্ধক সংস্থা হিসেবে গড়ে তোলা দরকার"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, কুমিল্লা-৪ আসন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হাসনাত আবদুল্লাহ (এনসিপি সংসদ সদস্য)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ লাখ ১৭ হাজার টাকা (অভিবাসন খরচ), ১৭ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!