📌 আমেরিকায় থাকা বাংলাদেশিরা দেশে ফিরে আসার আগে আত্মীয়দের জন্য রহস্যময় উপহার নিয়ে আসতে চান। কিন্তু ওজন সীমার কারণে অনেকেই জায়গা সংকটে পড়ে। এয়ারপোর্টে লাগেজের ওজন কমাতে পোশাক পরতে হয়।
আমেরিকায় থেকে বাংলাদেশে ফিরে আসার আগে আত্মীয়-পরিজনদের জন্য উপহার নিয়ে আসা একটি সাধারণ অভ্যাস। কিন্তু এই উপহারসমূহের ওজন সীমা অতিক্রম করলে যাত্রীদের জন্য বড় সমস্যা সৃষ্টি হয়। বাংলাদেশিদের স্বভাবের কারণে এই বিষয়টি অনেকেই শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত গোপন রাখতে চান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আমেরিকায় থাকা বাংলাদেশিরা দেশে ফিরে আসার আগে আত্মীয়দের জন্য উপহার নিয়ে আসতে চান, কিন্তু ওজন সীমা অতিক্রম করলে সমস্যা হয়
- 📌 প্লেনে এক যাত্রীকে সর্বোচ্চ এক শ পাউন্ড ওজনের মালামাল নিয়ে যেতে দেওয়া হয়, কিন্তু উপহারসমূহের ওজন সাধারণত সাত থেকে দশ পাউন্ড হয়ে থাকে
- 📌 এয়ারপোর্টে লাগেজের ওজন বেশি হলে এক শ ডলার জরিমানা দিতে হয়, তাই অনেকেই ভারী পোশাক গায়ে চাপিয়ে প্লেনে চড়ে
- 📌 নাবিলা নামের একজন বাংলাদেশি আমেরিকায় থাকা অবস্থায় তার বাড়িতে উপহার নিয়ে আসার জন্য কুরিয়ার অফিস হয়ে গিয়েছিল
- 📌 রাইসা নামের একজন মহিলা তার বাবার জন্য কেনা সোয়েটার, মায়ের জন্য পারফিউম এবং ভাইয়ের জন্য ঘড়ি নিয়ে আসতে চেয়েছিলেন, কিন্তু নিজে সঙ্গে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন
📰 বিস্তারিত
আমেরিকায় থেকে বাংলাদেশে ফিরে আসার আগে আত্মীয়-পরিজনদের জন্য উপহার নিয়ে আসা একটি সাধারণ অভ্যাস। কিন্তু এই উপহারসমূহের ওজন সীমা অতিক্রম করলে যাত্রীদের জন্য বড় সমস্যা সৃষ্টি হয়। বাংলাদেশিদের স্বভাবের কারণে এই বিষয়টি অনেকেই শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত গোপন রাখতে চান।
আমেরিকায় থাকা বাংলাদেশিরা দেশে ফিরে আসার আগে আত্মীয়দের জন্য উপহার নিয়ে আসতে চান। কিন্তু এই উপহারসমূহের ওজন সাধারণত সাত থেকে দশ পাউন্ড হয়ে থাকে। প্লেনে এক যাত্রীকে সর্বোচ্চ এক শ পাউন্ড ওজনের মালামাল নিয়ে যেতে দেওয়া হয়। যে দেশে যাচ্ছে, সে নিজের জামাকাপড় ও আত্মীয়দের জন্য উপহার নিতে গিয়ে ওজন মেলাতে হিমশিম খাচ্ছে। এর ওপর বাড়তি মাল ধরিয়ে দিলে যে ওকে এয়ারপোর্টে বিড়ম্বনায় পড়তে হয়, সেটা ইচ্ছা করেই কেউ বুঝতে চান না।
এই অহেতুক বিব্রতকর পরিস্থিতি এড়াতে অনেকেই দেশে যাওয়ার খবর একদম শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত জানাতে চান না। নাবিলা নামের একজন বাংলাদেশি আমেরিকায় থাকা অবস্থায় তার বাড়িতে উপহার নিয়ে আসার জন্য কুরিয়ার অফিস হয়ে গিয়েছিল। সন্ধ্যায় তার সঙ্গে দেখা করতে গেলে তার বাড়ি ছোটখাটো কুরিয়ার অফিসে পরিণত হয়েছিল। তার বাড়িতে উপহার নিয়ে আসার জন্য অনেকেই হাজির হয়েছিল।
রাইসা নামের একজন মহিলা তার বাবার জন্য কেনা ধূসর রঙের সোয়েটার, মায়ের জন্য একটি ছোট পারফিউম এবং ভাইয়ের জন্য একটি ঘড়ি নিয়ে আসতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি নিজে সঙ্গে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘নিজে সঙ্গে করে নিয়ে গেলে উপহারগুলোর মর্যাদা থাকবে। উপহার পাওয়ার সময়ে মা-বাবা, ভাইয়ের চোখমুখের অভিব্যক্তি দেখতে চাই।’
"অসুবিধা নাই। জায়গা প্রচুর আছে। তুমি কিছু পাঠাতে চাইলে নিয়ে এসো।"
এয়ারপোর্টে গিয়ে লাগেজের ওজন বেশি হলে এক শ ডলার জরিমানা দিতে হয়। সামান্য কয়েক কেজির জন্য এত টাকা কে দেয়? হয় টাকা দিতে হবে, না হলে জিনিস ফেলে দিতে হবে। যাত্রীরা তখন বুদ্ধি করে ব্যাগ থেকে সোয়েটার/জ্যাকেট জাতীয় ভারী পোশাক বের করে গায়ে চাপিয়ে প্লেনের দিকে হাঁটা দেয়।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আমেরিকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাবিলা, রাইসা, আদনান, আরিশ, রায়হান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০০ পাউন্ড (১ শ পাউন্ড), ৭-১০ পাউন্ড, ১০০০ ডলার (১ শ ডলার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!