📌 মালয়েশিয়ায় কাজের সন্ধানে যাওয়া রংপুরের ২৪ বছর বয়সী মনিরুল ইসলাম (২৪) ফিরে এলেন লাশ হয়ে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সন্তান হিসেবে তাঁর মৃত্যুতে মা-বাবা ও আত্মীয়স্বজন কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। মৃত্যুর কারণ এখনো অজানা
মালয়েশিয়ায় কাজের সন্ধানে পাড়ি জমা দিলে ফিরে এলো লাশ। রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের কুমারগাড়ী গ্রামের এক পরিবার এ দুঃখের মুখে পড়েছে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সন্তান মনিরুল ইসলাম (২৪) ১৫ অক্টোবর মালয়েশিয়ায় মৃত্যুবরণ করলেও তাঁর মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর পর পরিবারের সদস্যরা কান্নায় ভেঙে পড়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মনিরুল ইসলাম (২৪) মালয়েশিয়ায় কাজের সন্ধানে যান ২০২৩ সালের মার্চ মাসে, পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সন্তান ছিলেন তিনি।
- 📌 ১৫ অক্টোবর মালয়েশিয়ায় তাঁর মৃত্যু হয়, কিন্তু মৃত্যুর কারণ এখনো জানা যায়নি।
- 📌 মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর পর মা-বাবা ও আত্মীয়স্বজন কান্নায় ভেঙে পড়েন। বাবা ইয়াসিন আলী বলেন, ‘ছেলেকে পাঠিয়েছিলাম সংসার চালানোর আশায়, এখন কী হবে?’
- 📌 মনিরুলের মা জানান, ‘ছেলে আর ওঠেনি, কী কারণে মারা গেছেন তা জানি না। সংসার কে চালাবে?’
- 📌 জুমার নামাজের পর জানাজা শেষে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করার কথা রয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে চান পরিবার।
📰 বিস্তারিত
রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের কুমারগাড়ী গ্রামের ইয়াসিন আলীর পরিবার এখন দুঃখের গভীরে ডুবে আছে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সন্তান মনিরুল ইসলাম (২৪) মালয়েশিয়ায় কাজের সন্ধানে যান ২০২৩ সালের মার্চ মাসে। তাঁর পাঠানো টাকায় পরিবার চলত। কিন্তু সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলো না। ১৫ অক্টোবর মালয়েশিয়ায় তাঁর মৃত্যু হয়। তবে মৃত্যুর কারণ এখনো জানা যায়নি।
মনিরুলের মা বলেন, ‘যাদের সঙ্গে ছিল, তারা ফোন দিয়ে জানায়, রাতে ঘুমিয়েছে। কিন্তু আমার ছেলে আর ওঠেনি। পরদিন যারা তার সঙ্গে ছিল, তারা হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসক জানান, সে মারা গেছে। কী কারণে মারা গেছে, এখনো কিছুই জানি না। ছেলে নেই, এখন কে আমাকে মা বলে ডাকবে?’
মনিরুলের চাচা আলতাফ হোসেন বলেন, ‘বড় ভাইয়ের ছেলেকে অনেক আশা নিয়ে বিদেশে পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু সে ফিরল লাশ হয়ে। কী হয়েছে, সেটাও আমরা জানি না। গত ১৫ অক্টোবর কীভাবে তার মৃত্যু হলো, তা-ও আমাদের অজানা। আমরা জানতে চাই, আমার ভাতিজার আসলে কী হয়েছিল?’
শুক্রবার সকালে মনিরুলের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছায়। এ সময় তাঁকে শেষবারের মতো দেখতে বাড়িতে ভিড় করেন আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী ও স্থানীয় লোকজন। মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর পর কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। জুমার নামাজের পর জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করার কথা রয়েছে।
"ছেলেকে পাঠিয়েছিলাম সংসারটা ভালোভাবে চালানোর আশায়। আমার এক ছেলে, দুই মেয়ে। ছেলে যে টাকা পাঠাত, তা দিয়ে কোনো রকমে সংসার চলত। এখন আমার কী হবে?" — বাবা ইয়াসিন আলী
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার রায়পুর ইউনিয়ন, কুমারগাড়ী গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মনিরুল ইসলাম (২৪), ইয়াসিন আলী, আলতাফ হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ বছর বয়স, ১৫ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!