📌 কম্বোডিয়ার বিভিন্ন স্ক্যাম সেন্টার থেকে উদ্ধার হওয়া ৩৮ বাংলাদেশি বৃহস্পতিবার ঢাকায় ফিরেছেন। উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভনে বিদেশে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক অনলাইন প্রতারণায় যুক্ত করা হয়েছিল তাঁদের। ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের সহায়তায় তাঁরা দেশে ফিরেছেন।
কম্বোডিয়ার বিভিন্ন স্ক্যাম সেন্টার থেকে উদ্ধার হওয়া ৩৮ বাংলাদেশি বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে থাই এয়ারওয়েজের টিজি-৩২১ ফ্লাইটে ঢাকায় পৌঁছান। রাজধানীর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁদের স্বাগত জানানো হয়। ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের সহযোগিতায় তাঁদের জরুরি সহায়তা, কাউন্সেলিং এবং নিজ নিজ বাড়িতে পৌঁছাতে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কম্বোডিয়ার স্ক্যাম সেন্টার থেকে উদ্ধার হওয়া ৩৮ বাংলাদেশি বৃহস্পতিবার ঢাকায় প্রত্যাবর্তন করেন
- 📌 উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভনে বিদেশে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক অনলাইন প্রতারণার কাজে বাধ্য করা হয়েছিল তাঁদের
- 📌 ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের সহায়তায় তাঁদের দেশে ফিরতে সহায়তা করা হয়
- 📌 কম্বোডিয়ার সরকার গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে বিদেশিদের স্বেচ্ছায় দেশে ফেরার সুযোগ দেওয়ার পর নতুন করে ৩৮ বাংলাদেশি দেশে ফিরলেন
- 📌 আরও প্রায় ১ হাজার ৮০০ বাংলাদেশি দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন
📰 বিস্তারিত
কম্বোডিয়ার বিভিন্ন স্ক্যাম সেন্টার থেকে উদ্ধার হওয়া ৩৮ বাংলাদেশি বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে থাই এয়ারওয়েজের টিজি-৩২১ ফ্লাইটে ঢাকায় পৌঁছান। রাজধানীর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁদের স্বাগত জানানো হয়। ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম ও ইয়ুথ প্ল্যাটফর্মের সহযোগিতায় তাঁদের জরুরি সহায়তা, কাউন্সেলিং এবং নিজ নিজ বাড়িতে পৌঁছাতে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।
ফেরত আসা বাংলাদেশিরা জানান, উচ্চ বেতনের চাকরির আশ্বাস দিয়ে তাঁদের কম্বোডিয়ায় নেওয়া হলেও সেখানে গিয়ে অনলাইন প্রতারণার কাজে বাধ্য করা হয়। তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত, প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা প্রদান এবং অভিযোগ তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম ও ইয়ুথ প্ল্যাটফর্মের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান বলেন, কম্বোডিয়ার বিভিন্ন স্ক্যাম কম্পাউন্ডে আটকে রেখে এসব বাংলাদেশিকে সাইবার স্ক্যাম কার্যক্রমে যুক্ত হতে বাধ্য করা হয়েছিল। তিনি আরও বলেন, ‘সাইবার স্ক্যাম এখন মানবপাচারের অন্যতম ভয়াবহ রূপ। উন্নত দেশে উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাদেশিদের বিদেশে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক অনলাইন প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করা হয়।’
‘নির্ধারিত টার্গেট পূরণে ব্যর্থ হলে তাঁদের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়।’ — শরিফুল হাসান, সহযোগী পরিচালক, ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শরিফুল হাসান (সহযোগী পরিচালক, ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৮ (বাংলাদেশি), ৫৮৩ (গত জুনে ফেরা ব্যক্তি), ১ হাজার ৮০০ (অপেক্ষায় থাকা ব্যক্তি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!