📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বছরে দুবার অডিট করার নিয়ম থাকলেও নির্বাচনের দশ মাস পরেও তা কার্যকর হয়নি। উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ জানিয়েছেন, নতুন কার্যক্রম শুরুর পর ছয় মাস সময় লেগেছে। ছাত্র সংগঠনগুলো স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির অভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বছরে দুবার অডিট করার নিয়ম থাকলেও নির্বাচনের দশ মাস পরেও তা কার্যকর হয়নি। অধ্যাদেশের ১২তম অধ্যায়ের ১৫তম অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাকসুর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে বছরে দুবার অডিট বোর্ড গঠনের বিধান রয়েছে। তবে রাকসু নির্বাচনের পর থেকে এখন পর্যন্ত কোনো অডিট কার্যক্রম শুরু হয়নি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বছরে দুবার অডিট করার নিয়ম থাকলেও নির্বাচনের দশ মাস পরেও তা কার্যকর হয়নি।
- 📌 অধ্যাদেশের ১২তম অধ্যায়ের ১৫তম অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাকসুর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে বছরে দুবার অডিট বোর্ড গঠনের বিধান রয়েছে।
- 📌 রাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর।
- 📌 রাকসুর গঠনতন্ত্র অনুযায়ী অডিট বোর্ডে থাকবেন উপাচার্য মনোনীত দুজন শিক্ষক, কোষাধ্যক্ষ ও সাধারণ সম্পাদক।
📰 বিস্তারিত
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বছরে দুবার অডিট করার নিয়ম থাকলেও নির্বাচনের দশ মাস পরেও তা কার্যকর হয়নি। অধ্যাদেশের ১২তম অধ্যায়ের ১৫তম অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাকসুর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে বছরে দুবার অডিট বোর্ড গঠনের বিধান রয়েছে। তবে রাকসু নির্বাচনের পর থেকে এখন পর্যন্ত কোনো অডিট কার্যক্রম শুরু হয়নি।
রাকসুর নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আম্মার জানান, অডিটের বিষয়ে বারবার কোষাধ্যক্ষকে বলা হয়েছে এবং তিনি বছর শেষে অডিট করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে। তবে তিনি জানান, মূলত জানুয়ারির মাঝামাঝি সময় থেকে কার্যক্রম শুরু করতে পেরেছেন। এর আগে অক্টোবর, নভেম্বর ও ডিসেম্বর—এই সময়টায় সংসদ গঠন, ফান্ড উদ্ধার, প্রশাসনিক কার্যক্রমসহ বিভিন্ন বিষয় গুছিয়ে নিতে হয়েছে। ফলে, কার্যকরভাবে কাজ করার সময় প্রত্যাশিত সময়ের চেয়ে অনেক কম পেয়েছেন।
রাকসুর কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সেতাউর রহমান বলেন, গঠনতন্ত্রে বছরে দুবার অডিট করার কথা থাকলেও দীর্ঘদিন রাকসু বন্ধ থাকায় নতুন করে কার্যক্রম শুরু করার পর সবকিছু বুঝে উঠতে এবং বাজেট পেতেই প্রায় ছয় মাস সময় লেগেছে। ফলে, প্রথম ছয় মাসে রাকসুর কার্যক্রম সেভাবে শুরু করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তী ছয় মাসে কার্যক্রমগুলো শুরু হয়েছে।
রাকসুর বর্তমান সভাপতি ও উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম জানান, অডিট না হওয়ার পেছনে বিশেষ কোনো কারণ নেই। তবে মেয়াদ শেষে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নিরপেক্ষ ও শক্তিশালী অডিট টিমের মাধ্যমে পর্যালোচনা করা হবে বলে জানান তিনি।
"গঠনতন্ত্রে বছরে দুবার অডিট করার কথা থাকলেও বাস্তবতা হলো দীর্ঘদিন রাকসু বন্ধ ছিল। আমরা নতুন করে কার্যক্রম শুরু করার পর সবকিছু বুঝে উঠতে এবং বাজেট পেতেই প্রায় ছয় মাস সময় লেগেছে। ফলে, প্রথম ছয় মাসে রাকসুর কার্যক্রম সেভাবে শুরু করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তী ছয় মাসে কার্যক্রমগুলো শুরু হয়েছে। এ কারণে নির্ধারিত সময়ে অডিট করা সম্ভব হয়নি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম (উপাচার্য ও রাকসু সভাপতি), অধ্যাপক সেতাউর রহমান (কোষাধ্যক্ষ), সালাহউদ্দিন আম্মার (রাকসু জিএস)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ মাস, ১৬ অক্টোবর, ৬ মাস
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!