📌 ভোলা খেয়াঘাট থেকে যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল স্থগিত হওয়ায় শতাধিক শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। ব্রিটিশ আমলের ঐতিহ্যবাহী এই ঘাট এখন নিস্তব্ধ। বিআইডব্লিউটিএর কাছে ইজারাদারের আবেদনসহ যাত্রীসংকটের কারণে লোকসানের মুখে মালিকপক্ষ
ভোলা সদর উপজেলার চরসামাইয়া ইউনিয়নের তেঁতুলিয়া নদীসংলগ্ন ভোলা খেয়াঘাট থেকে যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল স্থগিত থাকায় শতাধিক শ্রমিক ও ব্যবসায়ী কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। ব্রিটিশ আমল থেকে পরিচিত এই ঘাট এখন সম্পূর্ণ নিস্তব্ধ। একসময় ভোলা-ঢাকাগামী আটটি লঞ্চ নিয়মিত চলাচল করলেও যাত্রীসংকটের কারণে গত ৫ জুলাই থেকে তা বন্ধ করে দেয় মালিকপক্ষ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভোলা খেয়াঘাট থেকে ভোলা-ঢাকাগামী দুটি লঞ্চ চলাচল করলেও যাত্রীসংকটের কারণে গত ৫ জুলাই থেকে তা স্থগিত করা হয়
- 📌 ব্রিটিশ আমলের ঐতিহ্যবাহী ভোলা খেয়াঘাট এখন সম্পূর্ণ নিস্তব্ধ ও জনশূন্য
- 📌 লঞ্চ চলাচল বন্ধ হওয়ায় শতাধিক শ্রমিক ও ব্যবসায়ী কর্মহীন হয়ে পড়েছেন
- 📌 ভোলা খেয়াঘাট ইজারাদার মো. জাহাঙ্গীর আলম ও তাঁর ভাই খোকন চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে আগামী বছরের ৩০ জুলাই পর্যন্ত ৫২ লাখ ৫৫ হাজার টাকায় ইজারা নিয়েছেন
- 📌 ইজারাদার বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান বরাবর ইজারার টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য আবেদন করেছেন
📰 বিস্তারিত
ভোলা জেলার ঐতিহ্যবাহী ভোলা খেয়াঘাট থেকে যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল স্থগিত থাকায় শতাধিক শ্রমিক ও ব্যবসায়ী কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। ব্রিটিশ আমল থেকে পরিচিত এই ঘাট একসময় জেলার একমাত্র লঞ্চঘাট হিসেবে পরিচিত ছিল। তবে যাত্রীসংকটের কারণে গত ৫ জুলাই থেকে ভোলা-ঢাকাগামী দুটি লঞ্চের চলাচল স্থগিত করে দেয় মালিকপক্ষ। ফলে পুরো এলাকা এখন নিস্তব্ধ ও জনশূন্য হয়ে পড়েছে।
ভোলা খেয়াঘাট লেবার হ্যান্ডেলিংয়ের ইজারাদার মো. জাহাঙ্গীর আলম ও তাঁর ভাই খোকন জানান, তাঁরা চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে আগামী বছরের ৩০ জুলাই পর্যন্ত এক বছরের জন্য বিআইডব্লিউটিএ থেকে ৫২ লাখ ৫৫ হাজার টাকায় ইজারা নিয়েছেন। তবে ইজারা নেওয়ার পর মাত্র পাঁচ দিন ভোলা-ঢাকা রুটে যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল করলেও বর্ষার অজুহাতে তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে তাঁরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন।
ইজারাদার জানান, তাঁরা বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান বরাবর ইজারার টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য গত ১৭ জুলাই একটি আবেদন করেছেন। অন্যদিকে কর্ণফুলী-৯ লঞ্চের ভোলার ব্যবস্থাপক মো. আলাউদ্দিন জানান, যাত্রীসংকটের কারণে তাঁদের লোকসান হচ্ছে বলে আপাতত ভোলা খেয়াঘাট থেকে ঢাকায় লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে।
‘লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকায় এখানকার শতাধিক শ্রমিক ও ব্যবসায়ী কাজের সন্ধানে বিভিন্ন এলাকায় চলে গেছেন।’ — মো. জসিম, ঘাটশ্রমিক
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভোলা সদর উপজেলার চরসামাইয়া ইউনিয়নের তেঁতুলিয়া নদীসংলগ্ন এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. জাহাঙ্গীর আলম (ইজারাদার), খোকন (ভাই), মো. জসিম (ঘাটশ্রমিক), মো. আলাউদ্দিন (লঞ্চ ব্যবস্থাপক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫২ লাখ ৫৫ হাজার টাকা (ইজারা মূল্য), ৫ জুলাই (লঞ্চ চলাচল স্থগিত), ১৭ জুলাই (আবেদনের তারিখ), ১ জুলাই থেকে ৩০ জুলাই (ইজারার মেয়াদ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!