📌 গুমানী নদীর ধামাইচ বাজার ঘাটে সেতু নির্মাণের দাবি দীর্ঘদিনের। স্থানীয়দের দুর্ভোগ লাঘবে এলজিইডির সম্ভাব্যতা যাচাই হলেও এক বছরেও কাজ শুরু হয়নি। সংসদ সদস্য দাবি করেছেন আগামী শুকনো মৌসুমেই টেন্ডার আহ্বান করা হবে
গুমানী নদীর ধামাইচ বাজার ঘাটে সেতু নির্মাণের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষায় রয়েছেন স্থানীয়রা। গুমানী নদীর দুই পারে অবস্থিত ১০টি গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে এলজিইডির সম্ভাব্যতা যাচাই হলেও এক বছর পার হলেও সেতু নির্মাণের অগ্রগতি নেই। ফলে হতাশ হয়ে পড়েছেন এলাকাবাসী।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গুমানী নদীর ধামাইচ বাজার ঘাটে সেতু নির্মাণের দাবি দীর্ঘদিনের
- 📌 এলজিইডির সম্ভাব্যতা যাচাই হলেও এক বছরেও কাজ শুরু হয়নি
- 📌 ১০টি গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে সেতু নির্মাণ জরুরি
- 📌 স্থানীয় সংসদ সদস্য দাবি করেছেন আগামী শুকনো মৌসুমেই টেন্ডার আহ্বান করা হবে
📰 বিস্তারিত
গুমানী নদীর দক্ষিণ পারে অবস্থিত ধামাইচ বাজার গুরুদাসপুর ও তাড়াশ উপজেলার সীমান্তে গড়ে উঠেছে। যোগাযোগব্যবস্থা ও ব্যবসাকেন্দ্র হওয়ায় স্থানীয়রা গুরুদাসপুর উপজেলাকেন্দ্রিক। তবে গুমানী নদীর উত্তর পারে অবস্থিত হেমনগর, নওখাদা, কাটাবাড়ি, বিন্নাবাড়ি ও সবুজপাড়া গ্রামের মানুষকে প্রতিদিন খেয়া পার হয়ে ধামাইচ বাজারে আসতে হয়। ফলে তাদের উৎপাদিত ফসল বিক্রি ও নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনাকাটায় অতিরিক্ত সময় ও ব্যয় করতে হয়।
এছাড়া, গুমানী নদীর উত্তর পারে অবস্থিত গ্রামগুলোর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো দক্ষিণ পারে অবস্থিত হওয়ায় শিক্ষার্থীদেরও দুর্ভোগ পোহাতে হয়। ধামাইচবিলচলন উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মুকুল হোসেন ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা জানান, বর্ষায় নদী উত্তাল থাকায় শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাতায়াত অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। ফলে বর্ষায় শিক্ষার্থী উপস্থিতি কমে যায়।
ধামাইচ বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, সেতু না থাকায় কৃষকের উৎপাদিত পণ্য পরিবহনে অতিরিক্ত খরচ ও সময় ব্যয় হয়। এছাড়া, নদীর উত্তর পারে অবস্থিত গ্রামগুলো অবহেলিত রয়ে গেছে। স্থানীয় স্কুলশিক্ষক আবুল বাসার এনাম জানান, তাড়াশ উপজেলার সগুনা ইউনিয়ন নদীর উত্তর পারের কুন্দইলে অবস্থিত। নাগরিক সেবা নিতে গেলে গুমানী নদী ও চলনবিল পার হয়ে যেতে হয়, যা বর্ষায় অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়ে।
"গুমানী নদীতে সেতু নির্মাণ করা হলে উত্তর ও দক্ষিণ পারের মানুষের যোগাযোগব্যবস্থা সহজ হবে। মানুষের কষ্ট-দুর্ভোগ থাকবে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ধামাইচ বাজার, গুরুদাসপুর, নাটোর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. আয়নুল হক, এলজিইডির প্রকৌশলী মো. ফজলুল হক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০টি গ্রাম, মাসিক ব্যয় ২০ হাজার টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!