📅 ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ঢাকা বিভাগে ট্রাকশন মোটরের মারাত্মক ঘাটতি নিয়ে বিপর্যয়ের মুখে রেল ইঞ্জিন

ঢাকা বিভাগে ট্রাকশন মোটরের মারাত্মক ঘাটতি নিয়ে বিপর্যয়ের মুখে রেল ইঞ্জিন

📷 ছবি: শেয়ার বিজ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Share Biz ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকা বিভাগে রেল ইঞ্জিন পরিচালনায় বিপজ্জনক সংকট দেখা দিয়েছে। প্রয়োজনীয় ৪৬টি ট্রাকশন মোটরের ঘাটতিতে লোকোমোটিভগুলো অতিরিক্ত চাপে থাকায় যেকোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত রেল ব্যবস্থাপনার কারণে সেবা ব্যাহত হচ্ছে

ঢাকা বিভাগে রেল ইঞ্জিন পরিচালনায় মারাত্মক যান্ত্রিক সংকট দেখা দিয়েছে। প্রয়োজনীয় ৪৬টি ট্রাকশন মোটরের ঘাটতিতে লোকোমোটিভগুলো অতিরিক্ত চাপে থাকায় যেকোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞরা। এ বিষয়ে একাধিকবার লিখিত আবেদন জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর সমাধান মেলেনি বলে জানা গেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ঢাকা বিভাগে লোকোমোটিভ পরিচালনায় ট্রাকশন মোটরের ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৪৬টি
  • 📌 ২৩টি লোকোমোটিভের কোনোটিতে কোনো মোটরই কার্যকর নয়
  • 📌 অতিরিক্ত চাপে লোকোমোটিভের যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে রাজস্ব ব্যয় বাড়ছে
  • 📌 চলন্ত অবস্থায় ট্রাকশন মোটর বিকল হলে ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে

📰 বিস্তারিত

ঢাকা বিভাগে রেল ইঞ্জিন পরিচালনায় মারাত্মক যান্ত্রিক সংকট দেখা দিয়েছে। প্রয়োজনীয় ৪৬টি ট্রাকশন মোটরের ঘাটতিতে লোকোমোটিভগুলো অতিরিক্ত চাপে থাকায় যেকোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞরা। এ বিষয়ে একাধিকবার লিখিত আবেদন জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর সমাধান মেলেনি বলে জানা গেছে।

রেল বিশেষজ্ঞরা জানান, চলন্ত অবস্থায় হুট করে ট্রাকশন মোটর বিকল হলে বা চাকা লক হয়ে গেলে ট্রেন লাইনচ্যুত হয়ে বড় ধরনের প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া মোটরের ওপর অতিরিক্ত চাপ অব্যাহত থাকলে লোকোমোটিভের মূল্যবান যন্ত্রাংশ চিরতরে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং মেরামতেও বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ব্যয় বাড়ছে।

রেলের এক নথিতে দেখা যায়, ঢাকা-বেইজড (২৯০০, ২৩০০ ও ২৪০০) সিরিজের ২৩টি লোকোমোটিভে মোট ৪৬টি ট্রাকশন মোটর ঘাটতি অবস্থায় আছে। এছাড়া (২৩০০ ও ২৪০০) সিরিজের ১২টি লোকোমোটিভের কোনোটিতে কোনো মোটর কার্যকর নয়। আরও তিনটি লোকোমোটিভের চারটি করে মোটর কার্যকর থাকলেও ছয়টি লোকোমোটিভ তিনটি করে ঘাটতি নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় চলছে।

"রেল শুধু অবকাঠামো উন্নয়নে নজর দিয়েছে, গণমানুষের সেবা দেওয়ার জন্য যে রোলিংস্টকের লোকোমোটিভ লাগে, সেদিকে তারা সিনক্রোনাইজড ওয়েতে নজর দেয়নি।" — অধ্যাপক ড. মো. শামসুল হক

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শামসুল হক জানান, রেলের অপারেশন বিভাগের কাছে পরিকল্পিত উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য থাকার কথা। তিনি বলেন, "কেন প্রতিনিয়ত চিঠি দিয়ে লোকোমোটিভ চাইতে হবে? যদি রেলের অপারেশন বিভাগের কাছে এসব তথ্য থাকতো তবে পরিকল্পিত উন্নয়ন হতো।"

তিনি আরও বলেন, "রেল একটা পেশাদারিত্বের জায়গা। কর্মকর্তাদের পেশাদারিত্ব হওয়া উচিত ছিল। সেইসঙ্গে অবকাঠামোর কত দিনের মধ্যে শেষ হবে, এটাকে মাথায় রেখে যেন রোলিংস্টক প্রস্তুত থাকে, সেটা বিবেচনা করা। কিন্তু তারা পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে পারেননি, দায়িত্ব থাকলেও দায় এড়িয়ে গেছেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা বিভাগ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক ড. মো. শামসুল হক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৬টি ট্রাকশন মোটর ঘাটতি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖