📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:৩৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

টঙ্গীতে মানবতাবিরোধী হত্যাকাণ্ডে জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সেনা কর্মকর্তার জবানবন্দি

টঙ্গীতে মানবতাবিরোধী হত্যাকাণ্ডে জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সেনা কর্মকর্তার জবানবন্দি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 টঙ্গীর আহসানউল্লাহ মাস্টার ফ্লাইওভার এলাকায় ২০১১ সালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী হত্যাকাণ্ডে র্যাবের সাবেক পরিচালক জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল রফিকুল ইসলাম জবানবন্দি দিয়েছেন। তিনি জানান, জিয়াউল আহসান দুই ব্যক্তিকে হাত-মুখ বাঁধা অবস্থায় গুলি করে সেতুর রেলিং থেকে নিচে ফেলে দেন

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ সোমবার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্য দিতে গিয়ে অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ২০১১ সালের ১১ জুলাই র‌্যাব সদর দপ্তর থেকে টঙ্গী আহসানউল্লাহ মাস্টার ফ্লাইওভার হয়ে প্রায় ৪০ মিনিট গাড়ি চালিয়ে একটি সেতুর ওপর থামেন তাঁরা। সেখানে জিয়াউল আহসান হাত-মুখ বাঁধা এক ব্যক্তিকে গাড়ি থেকে নামিয়ে সেতুর রেলিংয়ের পাশে দাঁড় করান। এরপর তিনি সেই ব্যক্তির মাথায় গুলি করে তাঁকে রেলিংয়ের ওপর থেকে পানিতে ফেলে দেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০১১ সালের ১১ জুলাই টঙ্গী আহসানউল্লাহ মাস্টার ফ্লাইওভার এলাকায় মানবতাবিরোধী হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়
  • 📌 র্যাবের গোয়েন্দা শাখার তৎকালীন পরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান দুই ব্যক্তিকে হত্যার নির্দেশ দেন
  • 📌 প্রথম ব্যক্তিকে গুলি করে সেতুর রেলিং থেকে পানিতে ফেলে দেওয়া হয়
  • 📌 দ্বিতীয় ব্যক্তির হত্যার নির্দেশ দিলে অফিসার সাজ্জাদুল তা প্রত্যাখ্যান করেন
  • 📌 জিয়াউল আহসান অফিসার সাজ্জাদুলকে গালমন্দ করেন এবং নিজেই গুলি চালান

📰 বিস্তারিত

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ সোমবার সাক্ষ্য দিতে গিয়ে অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. রফিকুল ইসলাম জানান, তিনি ১৯৯২ সালে সেনাবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন। পরবর্তীতে ২০০৯ সালে র‌্যাব-১-এর উপ-অধিনায়ক হিসেবে যোগদান করেন। ২০১০ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি র‌্যাব-৩-এর অধিনায়ক হন। ২০১২ সালের আগস্টে সেনাবাহিনীতে প্রত্যাবর্তন করেন এবং ২০২২ সালে লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে অবসরে যান। তিনি বর্তমানে আর্মি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের উপপরিচালক হিসেবে কর্মরত।

তিনি আরও জানান, ২০১১ সালের ১১ জুলাই র‌্যাব সদর দপ্তরে রাত ১০ টা বা ১১ টায় উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ পান তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন মেজর সাজ্জাদুল, মেজর তরিকুল ও মেজর এমারত। জিয়াউল আহসান তাঁদের নির্দেশ দেন একটি সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে অংশ নিতে। টঙ্গী আহসানউল্লাহ মাস্টার ফ্লাইওভার থেকে ডান দিকে মোড় নিয়ে প্রায় ৪০ মিনিট গাড়ি চালিয়ে একটি সেতুর ওপর থামেন তাঁরা। সেখানে জিয়াউল আহসান হাত-মুখ বাঁধা এক ব্যক্তিকে গাড়ি থেকে নামিয়ে সেতুর রেলিংয়ের পাশে দাঁড় করান। কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি দেখেন, জিয়াউল সেই ব্যক্তির মাথায় গুলি করেন এবং তাঁকে রেলিংয়ের ওপর থেকে পানিতে ফেলে দেন।

এর চার থেকে পাঁচ মিনিট পর তাঁরা আরেকটি সেতুর ওপর থামেন। সেখানে আবার হাত-মুখ বাঁধা অবস্থায় একজন ব্যক্তিকে গাড়ি থেকে নামিয়ে সেতুর রেলিংয়ের কাছে আনা হয়। জিয়াউল তখন মেজর সাজ্জাদুলকে নির্দেশ দেন সেই ব্যক্তিকে হত্যা করতে। সাজ্জাদুল জানতে চাইলে জিয়াউল তাঁকে গালমন্দ করেন এবং নিজেই গুলি চালান। পরে গাড়িগুলো আবার সামনের দিকে এগিয়ে যায়।

"তাঁর সঙ্গে মেজর সাজ্জাদুল, মেজর তরিকুল ও মেজর এমারত ছিলেন। একপর্যায়ে জিয়াউল আহসান এসে তাঁকে বলেন, ‘ফলো মি’। তখন তাঁর গাড়িতে র‌্যাব-৩-এর তিনজন অফিসারসহ চারটি গাড়িতে করে তাঁরা রওনা হন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: টঙ্গী, গাজীপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মো. রফিকুল ইসলাম, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ মিনিট, ১১ জুলাই ২০১১, রাত ১০ টা/১১ টা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖