📌 বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানীর রামপুরা-বনশ্রী এলাকায় হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দিয়েছেন গুলিবিদ্ধ শিক্ষার্থী রাতুল হাসান। তাঁর অভিযোগে বিজিবি ও পুলিশের চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা দাবি করা হয়েছে
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ বৃহস্পতিবার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানীর রামপুরা-বনশ্রী এলাকায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে করা মামলায় জবানবন্দি দিয়েছেন গুলিবিদ্ধ শিক্ষার্থী রাতুল হাসান। তাঁর বর্ণনায় উঠে এসেছে বিজিবি ও পুলিশের সদস্যদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে করা মামলায় জবানবন্দি দেন গুলিবিদ্ধ শিক্ষার্থী রাতুল হাসান
- 📌 ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই রামপুরায় আন্দোলনে গিয়ে তাঁর বন্ধু রিফাত ইসলাম পুলিশের গুলিতে আহত হন
- 📌 ১৯ জুলাই জুমার নামাজের পর মাল্টিকেয়ার হাসপাতালের সামনে আন্দোলনে যোগ দিলে বিজিবি ও পুলিশের গুলিবর্ষণ শুরু হয়
- 📌 রাতুল হাসানের বাঁ পায়ের হাঁটুর নিচে গুলি ঢুকে হাড় প্রায় দেড় ইঞ্চি ক্ষয় হয়ে ভেঙে যায়
- 📌 বিজিবির লে. কর্নেল মোহাম্মদ রেদোয়ানুল ইসলাম, মেজর মো. রাফাত-বিন-আলম, ঢাকা মহানগর পুলিশের সাবেক এডিসি মো. রাশেদুল ইসলাম ও রামপুরা থানার সাবেক ওসি মো. মশিউর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন
📰 বিস্তারিত
রামপুরা-বনশ্রী এলাকায় ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে করা মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ জবানবন্দি দিয়েছেন গুলিবিদ্ধ শিক্ষার্থী রাতুল হাসান। তাঁর বর্ণনায় উঠে এসেছে বিজিবি ও পুলিশের সদস্যদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ। তিনি জানান, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই রামপুরায় আন্দোলনে গিয়ে তাঁর বন্ধু রিফাত ইসলাম পুলিশের গুলিতে আহত হন। পরদিন জুমার নামাজের পর মাল্টিকেয়ার হাসপাতালের সামনে তাঁরা আবার আন্দোলনে যোগ দেন। তখন বিজিবি ও পুলিশ কোনো সতর্কবার্তা ছাড়াই গুলিবর্ষণ শুরু করে।
তিনি আরও বলেন, ওই সময় তিনি বেটার লাইফ হাসপাতালের দিকে দৌড় দেন। তবে একটি গুলি তাঁর বাঁ পায়ের হাঁটুর নিচে পেছন দিক দিয়ে ঢুকে সামনের দিক দিয়ে বের হয়ে যায়। ফলে তাঁর হাড় প্রায় দেড় ইঞ্চি ক্ষয় হয় এবং ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। পরে তাঁর ভাগনে সুলাইমান ও আন্দোলনকারীদের সহায়তায় তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন।
রাতুল হাসান তাঁর জবানবন্দিতে অভিযোগ করেন, পরবর্তীকালে তিনি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও টেলিভিশন চ্যানেলের মাধ্যমে জানতে পারেন ঘটনার দিন বিজিবির লে. কর্নেল রেদোয়ান, মেজর রাশেদ, রামপুরা থানার তৎকালীন ওসি মশিউর রহমান এবং ওই এলাকার পুলিশের এডিসি গুলি করেন। তিনি তাঁদের বিচার দাবি করেন।
"যাঁরা গুলিবর্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন এবং যাঁরা গুলিবর্ষণ করেছেন, তাঁদের বিচার দাবি করছি। যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে একটি ব্যক্তিমালিকানাধীন আবাসন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে গুলশানের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ওয়াসার জমিতে তড়িঘড়ি করে আবাসন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রামপুরা-বনশ্রী, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাতুল হাসান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ জন আসামি (লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ রেদোয়ানুল ইসলাম, মেজর মো. রাফাত-বিন-আলম, মো. রাশেদুল ইসলাম, মো. মশিউর রহমান)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!