📌 ঢাকার মুগদা, কামরাঙ্গীরচর ও বাড্ডা এলাকায় তিন যুবকের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, নেশা ও হতাশাজনিত কারণে তাঁরা আত্মহত্যা করেছেন। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহগুলো ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে
ঢাকার মুগদা, কামরাঙ্গীরচর ও বাড্ডা এলাকায় তিন যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে তিন স্থানে তাঁদের মৃতদেহ পাওয়া যায়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) মর্গে পাঠানো হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মুগদার পাগল চাঁন হোটেলসংলগ্ন বাসা থেকে সবুজ ওরফে বাবু (২০)-এর মরদেহ উদ্ধার
- 📌 কামরাঙ্গীরচরের হাসাননগরের বাসা থেকে নয়ন (৩০)-এর মৃতদেহ উদ্ধার
- 📌 বাড্ডার স্বাধীনতা সরণির বাসা থেকে রবিউস সানি (৩২)-এর মৃতদেহ উদ্ধার
- 📌 তিনজনই ভিন্ন ভিন্ন কারণে হতাশা ও নেশার টানাপোড়েনে ভুগছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মুগদা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আবু তারেক দীপু স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পাগল চাঁন হোটেলসংলগ্ন শফিক শেখের বাসার নিচতলার একটি কক্ষে সবুজের মরদেহ উদ্ধার করেন। তাঁকে ফ্যানের সঙ্গে গলায় চাদর পেঁচানো অবস্থায় ঝুলতে দেখা যায়। সবুজের গ্রামের বাড়ি জামালপুরের মাদারগঞ্জ থানার দক্ষিণগুনের বাড়ি গ্রামে। তাঁর বাবার নাম মো. বদু শেখ। মুগদার ওই বাসায় মা-বাবা, স্ত্রী ও এক সন্তানের সঙ্গে থাকতেন তিনি। পেশায় ইটভাঙার শ্রমিক সবুজ নেশায় আসক্ত ছিলেন বলে জানা গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, নেশার টাকা না পাওয়াকে কেন্দ্র করে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।
একই দিন সকালে কামরাঙ্গীরচর থানার এসআই জিয়াদ মাহমুদ নাহিদ হাসাননগরের একটি বাসা থেকে নয়নের মরদেহ উদ্ধার করেন। নয়ন স্ত্রী ও পাঁচ বছরের সন্তানকে নিয়ে সেখানে ভাড়া থাকতেন এবং রিকশা চালাতেন। পুলিশ জানায়, নিয়মিত কাজ না করায় সংসারে অভাব-অনটন ছিল। গত মার্চে তাঁর স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে চলে যান। এরপর থেকে হতাশায় ভুগছিলেন বলে পরিবারের কাছ থেকে জানা গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হতাশা থেকে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। নয়নের বাড়ি শরিয়তপুরের জাজিরা থানার বয়াতিকান্দি গ্রামে। তাঁর বাবার নাম মৃত মোসলেম উদ্দিন।
বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বাড্ডা থানার এসআই জয়ন্ত দত্ত পরিবারের কাছ থেকে খবর পেয়ে স্বাধীনতা সরণির একটি বাসা থেকে রবিউস সানির মরদেহ উদ্ধার করেন। রবিউস বিবাহিত ছিলেন এবং একটি আইটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। পারিবারিক ও কর্মস্থলসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে দুশ্চিন্তায় ছিলেন বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁর স্ত্রী ঘুম থেকে উঠে রবিউসকে জানালার গ্রিলের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলতে দেখেন। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে নিচে নামিয়ে আনেন।
"তিনটি ঘটনাতেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনাগুলো তদন্ত করছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মুগদা, কামরাঙ্গীরচর, বাড্ডা (ঢাকা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সবুজ ওরফে বাবু (২০), নয়ন (৩০), রবিউস সানি (৩২)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ জন যুবক, ২০ বছর, ৩০ বছর, ৩২ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!