📌 ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান ঘোষণা করেছেন, পর্যায়ক্রমে শহরের সব ফুটপাত দখলমুক্ত করা হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির অংশ হিসেবে ফুটপাত উচ্ছেদের অভিযান শুরু হয়েছে এবং মিরপুরে তদারকি টিম গঠিত হয়েছে
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান ঘোষণা করেছেন, রাজধানীর ফুটপাত দখলমুক্তির অভিযান পর্যায়ক্রমে চালিয়ে যাওয়া হবে। তিনি বলেছেন, বাসিন্দাদের চলাচলের পথ সুগম করার লক্ষ্যে অবৈধ দখলদারদের সরিয়ে দেওয়ার জন্য কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা নেই। শনিবার (৩ অক্টোবর) সকালে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচালিত পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান ঘোষণা করেছেন, পর্যায়ক্রমে শহরের সব ফুটপাত দখলমুক্ত করা হবে।
- 📌 ফুটপাত থেকে অবৈধ দখলদার সরিয়ে দেওয়ার জন্য আগে থেকে কাউকে অবহিত করার কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা নেই।
- 📌 মিরপুর-১০ থেকে হোপ মার্কেট পর্যন্ত দখলমুক্ত করা ফুটপাতের উপর নজরদারি টিম গঠিত হয়েছে, যারা চার বেলা সেখানে নজরদারি ও মাইকিং করছে।
- 📌 বর্তমানে উত্তর সিটি এলাকার হাসপাতালগুলোতে প্রায় ৮০ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি আছেন।
- 📌 ডেঙ্গু প্রতিরোধে বর্জ্য অপসারণ ও পরিচ্ছন্নতার ওপর সর্বোচ্চ জোর দেওয়া হচ্ছে।
- 📌 ফুটপাত দখল ও চাঁদাবাজিতে দলীয় পরিচয়ের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
📰 বিস্তারিত
ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ফুটপাত থেকে অবৈধ দখলদার সরিয়ে দিতে আগে থেকে কাউকে অবহিত করার কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা নেই। তিনি বলেন, নগরবাসীর সেবা নিশ্চিত করা এবং তাদের চলাচলের পথ সুগম করার স্বার্থে সিটি করপোরেশন যেকোনো সময় স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
শহরকে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ করার লক্ষ্যমাত্রার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, এ লক্ষ্য অর্জনে গত তিন মাস ধরে প্রতি শনিবার নিয়মিত সচেতনতামূলক কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। বিশেষ করে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বর্জ্য অপসারণ ও পরিচ্ছন্নতার ওপর সর্বোচ্চ জোর দেওয়া হচ্ছে, কারণ পরিচ্ছন্ন পরিবেশে এডিস মশা বংশবৃদ্ধি করতে পারে না। তিনি সকলকে নিজ নিজ বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান জানান এবং উল্লেখ করেন যে, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি ও পরিত্যক্ত স্থানে অভিযানে এখনও লার্ভার উপস্থিতি পাওয়া যাচ্ছে।
বর্তমানে উত্তর সিটি এলাকার হাসপাতালগুলোতে প্রায় ৮০ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি আছেন। তবে তাদের মূল লক্ষ্য হলো মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করে পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে আনা, যেন কাউকে হাসপাতালে ভর্তি হতে না হয়।
৯০০ দিনের ঘোষিত রূপরেখা মেনে বাড়ি মালিক সমিতি ও ব্যবসায়ীদের সাথে নিয়ে সচেতনতামূলক প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ চলছে। সম্প্রতি মিরপুরের অভিযানের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, মিরপুর-১০ থেকে হোপ মার্কেট পর্যন্ত দীর্ঘদিনের দখল হয়ে থাকা ফুটপাত স্থানীয়দের সহায়তায় মুক্ত করা হয়েছে। পুনরায় যেন কেউ বসতে না পারে, সেজন্য স্থানীয় বাসিন্দা, সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক পুলিশের সমন্বয়ে একটি তদারকি টিম গঠন করা হয়েছে। তারা চার বেলা সেখানে নজরদারি ও মাইকিং করছে। ফার্মগেটসহ শহরের অন্যান্য যেসব জায়গায় একই সমস্যা রয়েছে, সেখানেও ধারাবাহিকভাবে অভিযান চালানো হবে।
ফুটপাত দখল ও চাঁদাবাজিতে দলীয় পরিচয়ের অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, তিনি নিজে বিএনপির রাজনীতির সাথে যুক্ত এবং সহকর্মীদের সাথেই ফুটপাত মুক্ত করার কাজ করছেন। অনিয়ম, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে দলীয় পরিচয় নির্বিশেষে শূন্য সহনশীলতা নীতি অনুসরণ করা হবে। অপকর্মকারী দলের ভেতরের হোক বা বাইরের, কাউকেই কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।
"ফুটপাত দখলমুক্তির অভিযানে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চাই। ফুটপাত দখলের খবরের পাশাপাশি উচ্ছেদের পর সাধারণ মানুষের স্বস্তি ও প্রতিক্রিয়াও সংবাদমাধ্যমে তুলে ধরা উচিত, যাতে জনগণের মাঝে সচেতনতা আরও বৃদ্ধি পায়"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, মিরপুর-১০, হোপ মার্কেট, ফার্মগেটসহ উত্তর সিটি এলাকা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. শফিকুল ইসলাম খান (ডিএনসিসি প্রশাসক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮০ জন (ডেঙ্গু রোগী), ৯০০ দিন (রূপরেখা), ৩ মাস (সচেতনতা কর্মসূচি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!