📌 ঠাকুরগাঁওতে রাজনৈতিক সহনশীলতা ও শান্তি রক্ষার আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, কোনো সংঘাত বা সংঘর্ষের অনুমতি নেই। তিনি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণের কথা উল্লেখ করে পাবলিক ইউনিভার্সিটি, মেডিকেল কলেজ ও শিল্পায়নের উন্নতি সম্পর্কে আলোচনা করেছেন
ঠাকুরগাঁওতে রাজনৈতিক সহনশীলতা ও শান্তির আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এ জেলায় কোনো সংঘাত বা সংঘর্ষের অনুমতি নেই। তিনি রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টায় ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের বড় মাঠে নাগরিক কমিটির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাষ্ট্রপতি ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঠাকুরগাঁওতে রাজনৈতিক সহনশীলতার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, কোনো সংঘাত বা সংঘর্ষের অনুমতি নেই।
- 📌 তিনি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণের কথা উল্লেখ করে বলেছেন, ঠাকুরগাঁওতে পাবলিক ইউনিভার্সিটি স্থাপিত হয়েছে, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের জন্য প্রস্তুতি চলছে।
- 📌 মেডিকেল কলেজের ভর্তি শুরু হবে আগামী বছর, বিমানবন্দর ও শিল্পায়নের জন্য সরকারি উদ্যোগ চলছে।
- 📌 রাষ্ট্রপতি চীনের সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে বলেছেন, চীনের বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় কলকারখানা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।
- 📌 তিনি অতীতের রাজনৈতিক সহিংসতার কথা উল্লেখ করে বলেছেন, বাংলাদেশে সমঝোতার রাজনীতি চাই এবং ধর্মীয় বিভেদের অনুমতি নেই।
📰 বিস্তারিত
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঠাকুরগাঁওতে রাজনৈতিক সহনশীলতার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, "আমরা ঠাকুরগাঁওয়ে কোনো সংঘাত, কোনো সংঘর্ষ চাই না। সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলোকে বলবো— আপনারা নিজেদের রাজনীতি করবেন, মতবাদ প্রচার করবেন, কিন্তু সংঘাতে কখনো জড়াবেন না।" তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনী প্রচারণায় ঠাকুরগাঁওতে এসেছিলেন এবং বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ঠাকুরগাঁওতে একটি পাবলিক ইউনিভার্সিটি স্থাপিত হয়েছে। তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের জমি প্রস্তুত হয়েছে এবং ভাইস চ্যান্সেলর বসেছেন। তিনি বলেন, "সামনে এখন শিক্ষক নেবে। জমির টাকা দেওয়া হয়ে গেছে। কালকে ইনশাআল্লাহ আমরা সেই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করব।" তিনি আরও বলেন, মেডিকেল কলেজের কথা উল্লেখ করে, "আপনাদের মেডিকেল কলেজ হয়েছে, জায়গাও ঠিক হয়ে গেছে, আগামী বছর থেকে ইনশাআল্লাহ ছাত্রভর্তি শুরু হবে।"
বিমানবন্দর ও শিল্পায়নের বিষয়ে তিনি বলেন, "বিমানবন্দর আপনারা চাইছিলেন, আমি রাজি হয়েছি আপনাদের কথায়। কিন্তু বিমানবন্দরটাকে চালু করতে হয়, ভবিষ্যতে টিকিয়ে রাখতে হয়, তাহলে আমাদের এখানে কলকারখানা বাড়াতে হবে, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়াতে হবে।" তিনি উল্লেখ করেন, সরকারি উদ্যোগে অর্থমন্ত্রী ও বাণিজ্যমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও সফর করেছেন এবং বিনিয়োগকারীদের সাথে আলোচনা করেছেন।
রাষ্ট্রপতি চীনের সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে বলেন, "আমরা চীনের রাষ্ট্রদূতকে নিয়ে এসেছিলাম। এই স্টেডিয়ামে তিনি প্রায় ছয় হাজার শিশুকে স্কুলব্যাগ দিয়েছিলেন। কিছুদিন আগে দশজন ছাত্র ও পাঁচজন শিক্ষককে চীনে ঘুরিয়ে দেখিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে। আমরা আশা করছি, এখানে কলকারখানা তৈরির জন্য চীন থেকেও বিশেষজ্ঞরা আসবেন।"
"আমরা ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষ খুব নির্ঝঞ্ঝাট। এখানে মামলা-মোকদ্দমা সবচেয়ে কম হয় এবং সবাই নির্ঝঞ্ঝাট থাকতে চায়। আমরা এই অবস্থাটা রাখতে চাই। আমরা ঠাকুরগাঁওয়ে কোনো সংঘাত, কোনো সংঘর্ষ চাই না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়, ঠাকুরগাঁও
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ হাজার (স্কুলব্যাগ), ১০ জন (ছাত্র), ৫ জন (শিক্ষক)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!