📌 তাহিরপুরের যাদুকাটা নদীর ওপর নির্মাণাধীন ‘শাহ আরেফিন (রহ.)-অদ্বৈত মহাপ্রভু মৈত্রী সেতু’ প্রকল্পটি শুরু হয়েছিল ২০১৮ সালে। ব্যয় ধরা হয়েছিল ৮৬ কোটি টাকা, সময়সীমা ছিল ৩০ মাস। কিন্তু ছয় বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও কাজ শেষ হয়নি। নতুন সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৮ সালের জুন মাসে।
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে যাদুকাটা নদীর ওপর নির্মাণাধীন ‘শাহ আরেফিন (রহ.)-অদ্বৈত মহাপ্রভু মৈত্রী সেতু’ প্রকল্পটি সরকারি উদ্যোগের দীর্ঘসূত্রতা ও জবাবদিহির ঘাটতির একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ হয়ে উঠেছে। ৭৫০ মিটার দীর্ঘ এই সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল ২০১৮ সালের মার্চ মাসে। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছিল প্রায় ৮৬ কোটি টাকা এবং কাজ শেষ করার সময়সীমা ছিল ৩০ মাস। অর্থাৎ ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরেই সেতুটি চালু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই সময়সীমা পেরিয়ে গেছে প্রায় ছয় বছর আগে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নির্মাণাধীন সেতুটির দৈর্ঘ্য ৭৫০ মিটার
- 📌 প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছিল প্রায় ৮৬ কোটি টাকা
- 📌 নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল ২০১৮ সালের মার্চ মাসে
- 📌 কাজ শেষ করার সময়সীমা ছিল ৩০ মাস
- 📌 গত ১৯ মে রাতে পাঁচটি গার্ডার নদীতে ভেঙে পড়েছে
- 📌 সেতুর ৭৫টি গার্ডারের মধ্যে ৫৩টির কাজ শেষ হয়েছে
📰 বিস্তারিত
এলাকাবাসীর দীর্ঘ প্রতীক্ষার পরও নির্মাণাধীন ‘শাহ আরেফিন (রহ.)-অদ্বৈত মহাপ্রভু মৈত্রী সেতু’ প্রকল্পটির কাজ শেষ হতে আরও দুই বছর লাগবে বলে জানানো হয়েছে। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছিল প্রায় ৮৬ কোটি টাকা এবং নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল ২০১৮ সালের মার্চ মাসে। নির্ধারিত সময়সীমা ছিল ৩০ মাস অর্থাৎ ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা সম্ভব হয়নি।
প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, এরই মধ্যে সেতুর ৭৫টি গার্ডারের মধ্যে ৫৩টির কাজ শেষ হয়েছে। কিন্তু গত ১৯ মে রাতে কাজ চলার সময় পাঁচটি গার্ডার নদীতে ভেঙে পড়ার ঘটনায় নির্মাণ মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এরপর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করা হয়েছে।
এলাকাবাসী বছরের পর বছর ধরে শুনে আসছেন ‘আগামী জুনে’ কাজ শেষ হবে বলে। কিন্তু বারবার সময়সীমা পরিবর্তনের পরও প্রকল্পটির কাজ শেষ হয়নি। এখন নতুন সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৮ সালের জুন মাসে।
"এই প্রকল্প শুধু সময়ক্ষেপণের ঘটনা নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে সরকারি অর্থের অপচয়, জনগণের ভোগান্তি এবং উন্নয়ন পরিকল্পনার বিশ্বাসযোগ্যতা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: তাহিরপুর, সুনামগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এলাকাবাসী, কর্তৃপক্ষ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৫০ মিটার, ৮৬ কোটি টাকা, ৫৩টি গার্ডার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!