📅 ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ছাত্রশিবিরের দাবি: গত ১৫ বছরে গুম হয়েছে ২৩৬ নেতাকর্মী, প্রকৃত সংখ্যা ৭০০ ছাড়িয়ে যেতে পারে

ছাত্রশিবিরের দাবি: গত ১৫ বছরে গুম হয়েছে ২৩৬ নেতাকর্মী, প্রকৃত সংখ্যা ৭০০ ছাড়িয়ে যেতে পারে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গত ১৫ বছরে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ২৩৬ নেতাকর্মী গুমের শিকার হয়েছে বলে দাবি করেছে সংগঠনটি। আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম এ তথ্য তুলে ধরেন।

গত ১৫ বছরে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ২৩৬ নেতাকর্মী গুমের শিকার হয়েছে বলে দাবি করেছে সংগঠনটি। আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম এ দাবি করেন। একই সঙ্গে গুম তদন্ত কমিশনে অভিযোগ না করা ব্যক্তিদের হিসাব ধরলে প্রকৃত গুমের সংখ্যা সাতশ ছাড়িয়ে যেতে পারে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গত ১৫ বছরে ছাত্রশিবিরের ২৩৬ নেতাকর্মী গুমের শিকার হয়েছে বলে দাবি
  • 📌 গুম তদন্ত কমিশনে অভিযোগ না করা ব্যক্তিদের হিসাব ধরলে প্রকৃত সংখ্যা সাতশ ছাড়িয়ে যেতে পারে
  • 📌 ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম এ দাবি তুলে ধরেন
  • 📌 আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসে সংবাদ সম্মেলন আয়োজন
  • 📌 গুমের ঘটনায় রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত

📰 বিস্তারিত

আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম জানান, গত ১৫ বছরে তাঁদের সংগঠনের ২৩৬ নেতাকর্মী গুমের শিকার হয়েছে। তিনি আরও বলেন, যাঁরা গুম তদন্ত কমিশনে অভিযোগ করেননি, তাঁদের হিসাব ধরলে প্রকৃত গুমের সংখ্যা সাতশ ছাড়িয়ে যেতে পারে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নুরুল ইসলাম সাদ্দাম অভিযোগ করেন, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর রাজনৈতিক ভিন্নমত দমনে গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডকে রাষ্ট্রীয় নীতি হিসেবে প্রয়োগ করা হয়েছে। তিনি বলেন, গোয়েন্দা পুলিশ, ডিবি, ডিজিএফআই, র‌্যাব ও সিটিটিসিসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় বিশেষায়িত বাহিনীকে ব্যবহার করে এসব ঘটনা ঘটানো হয়েছে।

ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি আরও জানান, গুমবিষয়ক তদন্ত কমিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বিগত শাসনামলে যাচাই-বাছাই শেষে এক হাজার পাঁচশ ছয়টি গুমের ঘটনায় প্রমাণ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে গুমের শিকার ব্যক্তিদের মধ্যে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীর সংখ্যা ছিল দুইশত ছত্রিশ জন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আল-মোকাদ্দাস নামে এক ব্যক্তির বাবা মাওলানা আবদুল হালিম। তিনি জানান, তাঁর ছেলে আল-মোকাদ্দাসকে ২০১২ সালের চার ফেব্রুয়ারি রাতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর থেকে তিনি তাঁর ছেলের সন্ধানে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরেছেন। তিনি বলেন, র্যাবের বিভিন্ন ক্যাম্পে খোঁজ করার পাশাপাশি হাইকোর্টে রিটও করেছেন। তিনি জানান, পাঁচ আগস্টের পর ন্যায়বিচারের আশা করলেও এখনো তা পাননি।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ আবুজার গিফারী। তিনি ২০১৪ ও ২০১৫ সেশনে জয়পুরহাট জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ছিলেন। আবুজার গিফারী জানান, ২০১৫ সালের আঠারো ডিসেম্বর সংগঠনের বার্ষিক প্রতিবেদন জমা দিতে ঢাকায় আসার পথে তাঁকে ও তাঁর সেক্রেটারি ওমর আলীকে আবদুল্লাহপুর থেকে একটি কালো মাইক্রোবাসে তুলে নেওয়া হয়। পরে তাঁদের র্যাবের উত্তর সদর দপ্তরে রাখা হয় বলে জানতে পারেন তিনি। দশ দিন পর তাঁদের জয়পুরহাটে নিয়ে যাওয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রশিবির চার দফা দাবি তুলে ধরে। সংগঠনটি জানায়, এখনো নিখোঁজ সাত নেতাকর্মীর সন্ধান এবং তাঁদের সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে রাষ্ট্রকে স্পষ্ট তথ্য দিতে হবে। এছাড়া গুম ও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তা ও কমান্ডারদের বিচারের আওতায় আনতে হবে এবং গুমের সব ঘটনা স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে হবে।

"গুম ও নিপীড়নের ঘটনায় ন্যায়বিচার এবং ভবিষ্যতে গুম প্রতিরোধে কার্যকর সংস্কারের দাবি জানাচ্ছি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নুরুল ইসলাম সাদ্দাম, মাওলানা আবদুল হালিম, মোহাম্মদ আবুজার গিফারী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩৬ জন নেতাকর্মী, ১৫ বছর, সাতশ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖